বিশ্বকাপের হতাশা পেছনে ফেলে নতুনভাবে পথচলা শুরু করছে ব্রাজিল। দল পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নতুন চেহারার ব্রাজিলের একাদশে থাকছে অভিজ্ঞতার সঙ্গে তারুণ্যের মিশেল।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় টাউনসভিলে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। বিশ্বকাপের পর এটিই দুই দলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। আগামী মঙ্গলবার ব্রিসবেনে হবে দ্বিতীয় ম্যাচ।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্রাজিলের গোলবার সামলাবেন হুগো সুজা। রক্ষণে থাকছেন মাথেউজিনহো, মারকুইনহোস, ভিটর রেইস ও ডগলাস সান্তোস। মাঝমাঠে দানিলো সান্তোসের সঙ্গে ব্রুনো গুইমারেস। আক্রমণভাগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা, এস্তেভাও ও এন্দ্রিক।
বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে এবার ব্রাজিল দলে জায়গা পেয়েছেন মাত্র নয়জন। বিপরীতে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ১০ জন। নতুনদের পাশাপাশি চেলসির তরুণ ফরোয়ার্ড হোয়াও পেদ্রো ও এস্তেভাওয়ের মতো খেলোয়াড়দেরও দলে ফিরিয়েছেন আনচেলত্তি।
তবে পুরোপুরি তারুণ্যনির্ভর দল গড়েননি ব্রাজিল কোচ। ভিনিসিয়ুস, রাফিনহা, মারকুইনহোস ও ব্রুনো গুইমারেসের মতো অভিজ্ঞদের রেখে দলটিতে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করেছেন তিনি।
অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার দলেও এসেছে বড় পরিবর্তন। বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন ১০ জন। নেই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ম্যাট রায়ান। ২৫ সদস্যের দলে অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন সাতজন খেলোয়াড়।
বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে নতুন দল ও কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে দুই দলই। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ম্যাচ ব্রাজিলের তরুণদের যাচাই এবং আনচেলত্তির নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হতে যাচ্ছে।
ব্রাজিলের সম্ভাব্য একাদশ
হুগো সুজা, মাথেউজিনহো, মারকুইনহোস, ভিটর রেইস, ডগলাস সান্তোস, দানিলো সান্তোস, ব্রুনো গুইমারেস, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনহা, এস্তেভাও ও এন্দ্রিক।
কেকে/সাশ