রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
১২ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সংবিধানের দুই অনুচ্ছেদে গণভোট চায় বিএনপি      ● হাম ও ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ১৫ জনের      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ২১৫৮       ● হামের উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৪১      ● জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হচ্ছে : মন্ত্রী টুকু      ● সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ-আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ      ● দখলবাজিতে ব্যস্ত নেতারা, ভাবমূর্তি সংকটে সরকার      
ফিচার
নদী ও কৃষি মিলেমিশে গড়ছে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা
সুদীপ্ত শামীম, গাইবান্ধা
প্রকাশ: রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৯ পিএম আপডেট: ২৭.০৯.২০২৬ ৯:১১ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

নদীভাঙনে প্রতিবছর বদলে যায় ভূপ্রকৃতি। আবার সেই নদীর পলিতেই জেগে ওঠে নতুন চর। কোথাও বিস্তীর্ণ ভুট্টাক্ষেত, কোথাও মরিচ শুকানোর লাল গালিচা, কোথাও নদীর জলরাশি, আবার কোথাও মাটির সঙ্গে মিশে থাকা আন্তর্জাতিকভাবে পুরস্কৃত স্থাপত্য। এর পাশাপাশি গড়ে উঠেছে পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র ও রিসোর্ট। নদী, কৃষি, প্রকৃতি, বিনোদন, ইতিহাস ও স্থাপত্যের এই বৈচিত্র্যই গাইবান্ধায় পর্যটনের নতুন সম্ভাবনার ভিত্তি তৈরি করছে।

পাখির চোখে তিস্তা সোলার প্রজেক্ট

পাখির চোখে তিস্তা সোলার প্রজেক্ট


আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব পর্যটন দিবস। টেকসই পর্যটন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে পর্যটনের ভূমিকা নিয়ে যখন বিশ্বজুড়ে আলোচনা হচ্ছে, তখন নদীবিধৌত গাইবান্ধায় নদী, চর, কৃষি, বিনোদন, ইতিহাস, স্থাপত্য ও স্থানীয় সংস্কৃতিকে একসঙ্গে পর্যটনের আওতায় আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীঘেরা এ জেলার একদিকে নদীভাঙন ও বন্যার বাস্তবতা, অন্যদিকে নদীর পলিতে গড়ে ওঠা উর্বর চরাঞ্চল। এ দুই বাস্তবতার মাঝেই লুকিয়ে আছে গাইবান্ধার সম্ভাবনাময় পর্যটনভিত্তি।

নদীর ক্যানভাসে রিভার ট্যুরিজম

গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সাঘাটা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় নদী ও চরকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বৈচিত্র্যময় জনপদ। জেলা শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের ঐতিহাসিক বালাসীঘাটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। একসময় বালাসীঘাট ছিল নৌ ও রেল যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। যমুনা সেতু চালুর পর রেলফেরি যোগাযোগ বন্ধ হলেও নদী ও ঘাটকেন্দ্রিক এর আকর্ষণ পুরোপুরি হারায় নি। বর্তমানে নদীর বিস্তৃত জলরাশি, রক্ষাবাঁধ ও আশপাশের চরাঞ্চল স্থানীয় দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

বর্ষায় নদীর পানি বেড়ে গেলে বদলে যায় বালাসীঘাটের দৃশ্য। শুষ্ক মৌসুমে নদীর বুকে ও তীরে জেগে ওঠে বালুচর। একই ধরনের নদী ও চরভিত্তিক সম্ভাবনা রয়েছে ফুলছড়ি, কামারজানি, সৈয়দপুর, শ্রীপুর, হরিপুর, লতশালা ও চরখোর্দ্দা এলাকায়। এ সব স্থানকে পরিকল্পিতভাবে যুক্ত করা গেলে তৈরি হতে পারে একটি সমন্বিত নদীভিত্তিক পর্যটন রুট। 







সুন্দরগঞ্জের তিস্তার ওপর নির্মিত ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ মওলানা ভাসানী সেতুও এ সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি নদী ও চরাঞ্চলভিত্তিক পর্যটনের জন্য তৈরি হয়েছে নতুন সংযোগ।

তিস্তার চরে সৌরবিদ্যুৎ ও বিনোদন

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের লাটশালা ও চরখোর্দ্দা এলাকায় রয়েছে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র। বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে গড়ে ওঠা এ প্রকল্পের পাশেই রয়েছে আলীবাবা থিম পার্ক। আরব্য উপন্যাসের ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ গল্পের আদলে নির্মিত পার্কটি গাইবান্ধা, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার সংযোগস্থল ঘেঁষা হওয়ায় তিন জেলার দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। পার্কটিতে রয়েছে প্রায় ২৫টি রাইড ও বিভিন্ন বিনোদন ব্যবস্থা। এর মধ্যে ‘আজবগুহা’, শিশুদের সুইমিংপুল, বাউন্সি ক্যাসেল, খেলনা ট্রেন, সুপার চেয়ার, এয়ারলাইন্স রাইড ও স্লিপার উল্লেখযোগ্য। রয়েছে বিভিন্ন ভাস্কর্য ও দেয়ালচিত্র, যার মধ্যে আল্লাহর ৯৯টি নাম খচিত প্রায় ২০ মিটার উঁচু ভাস্কর্য এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বায়তুল মোকাররম, কাবা শরিফ ও আল-আকসা মসজিদের আদলে তৈরি শিল্পকর্ম রয়েছে।

দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র

দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র


এক পাশে তিস্তা নদী, অন্য পাশে সবুজ বাগান। ফলে একই এলাকায় নদী, চর, সৌরবিদ্যুৎ ও বিনোদনের বৈচিত্র্য পাওয়া যায়। লাটশালা ও আশপাশের এসব আকর্ষণকে একটি পর্যটন রুটে যুক্ত করা গেলে সুন্দরগঞ্জের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।

সুন্দরগঞ্জের সরোবর পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মীরগঞ্জ বাজার থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে সরোবর পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট। প্রায় ১৭ একর জায়গাজুড়ে গড়ে ওঠা এ বিনোদনকেন্দ্রটির অন্যতম আকর্ষণ বড় একটি পুকুর বা সরোবর। সরোবরের নীল পানিতে ফুটে থাকা লাল শাপলা পার্কটির প্রাকৃতিক পরিবেশে যোগ করেছে আলাদা সৌন্দর্য।

সরোবরের প্যাডেল বোট

সরোবরের প্যাডেল বোট


পরিবার ও শিশুদের বিনোদনের জন্য এখানে রয়েছে সবুজ মাঠ, বিভিন্ন রাইড এবং পানিভিত্তিক বিনোদনের ব্যবস্থা। রয়েছে প্যাডেল বোটে ঘোরার সুযোগও। পরিবার বা করপোরেট পিকনিক এবং অবসর সময় কাটানোর জন্য সরোবর পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট সুন্দরগঞ্জের বিনোদনকেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি সম্ভাবনাময় স্থান। নদী ও চরভিত্তিক পর্যটনের সঙ্গে এ ধরনের বিনোদনকেন্দ্রকে একই রুটে যুক্ত করা গেলে সুন্দরগঞ্জের পর্যটন অভিজ্ঞতায় যোগ হতে পারে আরও বৈচিত্র্য।

চরের বুকে কৃষির বিস্তার

গাইবান্ধার চরাঞ্চলের আরেকটি বড় সম্পদ কৃষি। বর্ষার পানি নেমে যাওয়ার পর চরজুড়ে শুরু হয় বিভিন্ন ফসলের আবাদ। মোল্লারচর, কামারজানি, কঞ্চিপাড়া, এরেন্ডাবাড়ি, ফজলুপুর ও হরিপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে কৃষির বিস্তার এখন স্থানীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে প্রতিবছর প্রায় ১ হাজার ৭২৫ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয় এবং উৎপাদন প্রায় ২ হাজার ৮১৩ মেট্রিক টন। শুষ্ক মৌসুমে চর ও খোলা মাঠে সারি সারি মরিচ শুকানোর দৃশ্য কৃষিভিত্তিক পর্যটনের জন্য আলাদা আকর্ষণ তৈরি করতে পারে।

বিকালের আবহাওয়া

বিকালের আবহাওয়া


ফুলছড়ির পুরোনো উপজেলা মাঠে ২০০৪ সাল থেকে প্রতি শনি ও মঙ্গলবার বসে মরিচের হাট। কৃষক, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সরব উপস্থিতির এ হাট স্থানীয় কৃষি ও বাণিজ্যের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। পরিকল্পিতভাবে এটিকেও কৃষিভিত্তিক পর্যটনের অংশ করা সম্ভব। ভুট্টাও চরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান ফসল। গাইবান্ধায় ১৩ হাজার ৪৪৫ হেক্টরের বেশি জমিতে ভুট্টার আবাদ হয় এবং বার্ষিক উৎপাদন ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টনের বেশি। শীত ও বসন্তে বিস্তীর্ণ ভুট্টাক্ষেত চরাঞ্চলের দৃশ্যপটে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা। এর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়া, সরিষা, তিল, চীনাবাদাম, কাউন ও বিভিন্ন সবজির আবাদও কৃষিভিত্তিক পর্যটনের সুযোগ তৈরি করছে।

রসমঞ্জুরীতে স্থানীয় খাদ্যঐতিহ্য

গাইবান্ধার পর্যটনের সঙ্গে স্থানীয় খাদ্যঐতিহ্যও যুক্ত হতে পারে। ১৯৪০ সাল থেকে রমেশ সুইটসের রমেশ ঘোষের হাত ধরে পরিচিতি পাওয়া রসমঞ্জুরী জেলার অন্যতম পরিচিত মিষ্টি। পর্যটন পরিকল্পনায় স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী খাবারকে যুক্ত করা গেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতার সঙ্গে জেলার নিজস্ব খাদ্যসংস্কৃতিও তুলে ধরা সম্ভব।

মাটির সঙ্গে মিশে থাকা স্থাপত্য

ফুলছড়ির মদনেরপাড়া গ্রামে প্রায় আট বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার। স্থপতি কাশেফ মাহবুব চৌধুরীর নকশায় নির্মিত স্থাপনাটির আয়তন প্রায় ৩২ হাজার বর্গফুট। স্থাপত্যের নকশায় মাটি, সবুজ ও স্থাপনাকে এমনভাবে সমন্বয় করা হয়েছে যে এটি দূর থেকে প্রাকৃতিক ভূদৃশ্যের অংশ বলেই মনে হয়।

চরের দৃশ্য

চরের দৃশ্য


ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্থাপত্য পুরস্কারও পেয়েছে। ফলে গাইবান্ধার পর্যটন সম্ভাবনায় নদী ও কৃষির পাশাপাশি স্থাপত্য পর্যটনও যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।

আতিথেয়তায় এসকেএস ইন

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রাধাকৃষ্ণপুরে প্রায় ৬০ বিঘা জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে এসকেএস ইন। চার তারকা মানের এ রিসোর্টে লেক, ওয়াটার ভিলা, সুইমিংপুলসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। পর্যটকদের থাকার সুযোগ তৈরি হওয়ায় জেলার বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার জন্য এটিকে একটি আবাসনকেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

প্রধান ফটক

প্রধান ফটক


এর পাশাপাশি গোবিন্দগঞ্জের রাজা বিরাটের প্রত্নতাত্ত্বিক ঢিবি, দাড়িয়াপুরের শাহ সুলতান গাজীর মসজিদ, মাস্তা মসজিদ, ঘাঘট লেক ও পৌর পার্কসহ বিভিন্ন স্থান জেলার সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক পর্যটনের সম্ভাবনাকে আরও বিস্তৃত করেছে।

বড় বাধা অবকাঠামো ও নিরাপত্তা

গাইবান্ধায় পর্যটনের সম্ভাবনা থাকলেও তা এখনও পরিকল্পিত পর্যটন ব্যবস্থায় পুরোপুরি রূপ নেয়নি। নদীভাঙন ও বন্যার কারণে অনেক চরাঞ্চলের অবস্থান ও যোগাযোগব্যবস্থা প্রতিবছর বদলে যায়। বর্ষায় অনেক এলাকা প্লাবিত হয়, আবার পানি নেমে যাওয়ার পর কোথাও কোথাও শুরু হয় ভাঙন। নদীকেন্দ্রিক পর্যটনের ক্ষেত্রে নিরাপদ নৌযান, লাইফ জ্যাকেট, পর্যাপ্ত বিশ্রামাগার, বিশুদ্ধ পানি, পরিচ্ছন্নতা, পর্যটন গাইড ও নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতিও রয়েছে। ফলে সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শুধু নতুন স্পট ঘোষণা নয়, পর্যটন ব্যবস্থাপনার মৌলিক অবকাঠামো নিশ্চিত করাও জরুরি।

প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা

গাইবান্ধার নদী, চর, কৃষি, বিনোদনকেন্দ্র, ঐতিহাসিক স্থাপনা ও স্থানীয় খাদ্য ঐতিহ্যকে আলাদা আলাদা করে দেখার বদলে একটি সমন্বিত পর্যটন পরিকল্পনার আওতায় আনা যেতে পারে। বালাসীঘাট, তিস্তার চর, আলীবাবা থিম পার্ক, সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সরোবর পার্ক এন্ড রিসোর্ট, মরিচের হাট, ভুট্টাক্ষেত, ফ্রেন্ডশিপ সেন্টার, এসকেএস ইন ও ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে যুক্ত করে একদিন বা একাধিক দিনের পর্যটন প্যাকেজ তৈরি করা সম্ভব। চরাঞ্চলের কৃষকদেরও এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা যেতে পারে। পর্যটকের কাছে সরাসরি কৃষিপণ্য বিক্রি, স্থানীয় খাবার পরিবেশন, নৌভ্রমণ, স্থানীয় গাইড এবং কৃষিভিত্তিক অভিজ্ঞতা তৈরির মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের আয় বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।


গাইবান্ধার পর্যটনের শক্তি কোনো একক স্থাপনা বা দর্শনীয় স্থানে নয়। নদীর প্রবাহ, চরের পরিবর্তনশীল ভূপ্রকৃতি, কৃষকের ফসল, স্থানীয় খাবার, বিনোদনকেন্দ্র, ইতিহাস ও স্থাপত্য মিলিয়েই এর স্বাতন্ত্র্য। প্রয়োজন শুধু এ সব সম্পদকে একটি পরিকল্পিত কাঠামোর মধ্যে আনা। নদীভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে যে চর প্রতিবছর নতুন করে জেগে ওঠে, সেই চরই হতে পারে গাইবান্ধার নতুন পর্যটন অর্থনীতির ভিত্তি। নদী ও কৃষিকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিত, নিরাপদ এবং স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করা পর্যটন গড়ে উঠলে গাইবান্ধা উত্তরাঞ্চলের একটি সম্ভাবনাময় এগ্রো-রিভার ট্যুরিজম গন্তব্য হিসেবে নিজের পরিচয় তৈরি করতে পারে।

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  গাইবান্ধা   নদী   কৃষি   পর্যটন   সম্ভাবনা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ফিচার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close