নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ ক্রমেই বাড়ছে। গত ৯৬ ঘণ্টায় উপজেলায় নতুন করে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। আর গত ২৪ ঘন্টায় শনাক্ত হয়েছে তিনজন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪ জন রোগী।
রোববার (১১অক্টোবর) দুপুরে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তবে ডেঙ্গুতে এ উপজেলায় কোন রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ডেঙ্গু আক্রান্ত সকলেই ঢাকা থেকে আসা।
রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখা যায়, পুরুষ ওয়ার্ডেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। যদিও মশারি টাঙ্গানো রয়েছে। তারপরও এভাবে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হলে ডেঙ্গুর সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন হাসপতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা।
জেনারুল নামে রোগী বলেন, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের সাথেই আমাদের রাখা হয়েছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীরা তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী মশারি থেকে বাইরে বের হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।’
চিকিৎসক সোহান বলেন, ‘আমরা ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের মশারির ভিতর রেকেই চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। তবে অনেক রোগী মশারির বাইরেও বের হচ্ছেন। তারা আমাদের কথা শুনছেন না।’
গত ৯৬ ঘণ্টায় নতুন করে ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। তারা সকলেই ঢাকা থেকে এসেছে।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ অক্টোবর সকাল পর্যন্ত ডোমার উপজেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬ জনে। এর মধ্যে ৬২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে ১৪ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মো. রাশেদুজ্জামান ১৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে নিম্চিত করে বলেন, ‘আলাদা কোন ওয়ার্ড না থাকায় আমরা পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু কর্ণার করেই রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি।’
কেকে/এমএ