বাংলাদেশ অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিক সমিতির দিনাজপুর জেলা শাখার ২১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি ও ছয় সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী দুই বছর মেয়াদে এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম রঞ্জু স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করা, অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. সাইদুর রহমান বাবু, সিনিয়র সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি মো. মনজুরুল ইসলাম শাহিন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ওস্তাদ।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. শাহিন উদ্দিন ও পলাশ কুমার শর্মা। অর্থ সম্পাদক মো. রাকিব এবং সহ-অর্থ সম্পাদক শ্রী কমল মহন্ত (কানাই বাবু)।
এ ছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহিন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রুবেল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, সহ-প্রচার সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মো. মিনারুল ইসলাম মিনি এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. মফিজুল।
সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম মামুন। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মো. ওহিদুল ইসলাম, মো. আরাফাত, মো. শামীম রহমান, মো. উজ্জ্বল, মো. রনি ও মো. রাজ্জাক আলী।
উপদেষ্টা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে আলহাজ মো. সাইফুল ইসলাম ওস্তাদকে। উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম ওস্তাদ, মো. কাউসার ওস্তাদ, মো. দুলাল ওস্তাদ, মো. স্বাধীন ওস্তাদ ও মো. সাদেক ওস্তাদ।
কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনপত্রে নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তাদের প্রতি মাসে নিয়মিত সাধারণ সভা ও নির্বাহী সভা আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলার সব অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিকের সার্বিক কল্যাণ, ব্যবসায়িক মানোন্নয়ন এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অনুমোদিত কমিটির অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় কার্যার্থে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর পৌরসভার প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার এবং দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে দিনাজপুরের অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ মালিকদের সাংগঠনিক ঐক্য, পেশাগত উন্নয়ন ও ব্যবসায়িক স্বার্থ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কেকে/ এমএস