বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার দুইটি কলেজের ৭৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে জেন্ডার স্টেরিওটাইপ, ডিজিটাল নিরাপত্তা, মিডিয়া লিটারেসি (সংবাদ ও তথ্য সচেতনতা) ও অ্যাডভোকেসি বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রামপাল সরকারি ডিগ্রি কলেজের ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে এবং বুধবার (১৪ অক্টোবর) গিলাতলা আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজের ৪০ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে পৃথকভাবে এ সেশন আয়োজন করা হয়।
‘সমতায় তারুণ্য’ প্রকল্পের আওতায় নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে এবং জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও প্লান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় সেশন দুইটির আয়োজন করে ক্রাফট ইনস্টিটিউট ও যুব উন্নয়ন সংস্থা।
মঙ্গলবার রামপাল সরকারি ডিগ্রি কলেজে আয়োজিত সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামান্না ফেরদৌসী। সভাপতিত্ব করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ. হান্নান মোল্লা।
অন্যদিকে, বুধবার গিলাতলা আবুল কালাম ডিগ্রি কলেজে আয়োজিত সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন রামপালের সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ সিকদার ফিরোজ।
সেশনগুলোতে বক্তারা জেন্ডারভিত্তিক প্রচলিত ধারণা ও বৈষম্য দূরীকরণ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার নিরাপত্তা, ভুয়া সংবাদ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্তকরণ এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি, সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করা, সচেতনতা তৈরি এবং কার্যকর অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন কৌশল তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথিরা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেন্ডার স্টেরিওটাইপ ও সামাজিক বৈষম্য প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
তারা তথ্য যাচাইয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেশন দুইটিতে দুই কলেজের মোট ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। সেশন শেষে তাদের ডিজিটাল নিরাপত্তা, তথ্য সচেতনতা, সমতা প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক উদ্যোগ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
কেকে/এমএ