নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামালকে প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকালে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ হেলথ অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. আনজারুল হক। বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মো. মমিনুর রহমান, সদর উপজেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শাহানুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সুদেব চন্দ্র, সহসাধারণ সম্পাদক মো. জহুরুল ইসলাম, সহসভাপতি রোকসানা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা আবু হেনা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে বক্তব্য দেন। তারা অভিযোগ করেন, ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে মাইকিংয়ের জন্য আলাদা বরাদ্দ থাকলেও তা ব্যয় না করে আত্মসাৎ করা হয়। নারী সহকর্মীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রীকে নিয়ে উসকানিমূলক ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ করেন বক্তারা।
বক্তারা আবু হেনা মোস্তফা কামালকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
এ বিষয়ে নীলফামারী সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হেনা মোস্তফা কামাল তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্যেশ্যে এ সব মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমি জাতীয় নির্বাচনের আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছি। সরকার গঠন হওয়ার পর আমি কোথাও কোনো কিছু লিখিনি। এ বিষয়ে আমাকে যে কারণ দর্শানো হয়েছিল আমি তার জবাবও দিয়েছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলফামারী সিভিল সার্জন মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে ইতিপূর্বে তাকে শোকজ করা হয়েছে। গত ১২ অক্টোবর তাকে ডিমলা উপজেলায় বদলিও করা হয়েছে। দুর্নীতি বা অনিয়মের লিখিত কোনো অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’
কেকে/এআই