সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারই সব ধর্মের মূল উপজীব্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার-রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার-নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেরা, আপনারা উৎসাহ-উদ্দীপনা সহকারে, নিশ্চিন্তে, নিরাপদে সারা দেশে উৎসব-আনন্দ উদ্যাপন করুন।’
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেয়া বাণীতে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সারা বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়কে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘মানবকল্যাণই সব ধর্মের মূল শিক্ষা। নিজ নিজ ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রাখা সবার দায়িত্ব।’
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান উল্লেখ করেন, ‘জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গার মর্ত্যে আগমন ঘটে। ভক্তদের কল্যাণ সাধন, শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করার এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।’
বাংলাদেশে আবহমানকালের ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ নিজ ধর্ম পালন করছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। এটিই বাংলাদেশের সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির মূল সৌন্দর্য, যা এক বাংলাদেশি হিসেবে সবার মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ ও ভ্রাতৃত্ববোধকে বিকশিত করে।’
দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও নতুন যাত্রার বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পর বাংলাদেশ নতুন করে গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। একই সঙ্গে শুরু হয়েছে দেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল অঙ্গীকার।’
কেকে/এমএ