নীলফামারীতে সূর্যের দেখা মিললেও কমেছে তাপমাত্রা। তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের মানুষ। এদিকে, শীত নিবারণে গরম কাপড়ের সন্ধানে জেলা শহরের পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে ভিড় জমিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিকেলে পৌর মার্কেটের পুরাতন কাপড়ের দোকানগুলোতে নারী-পুরুষের ভিড় দেখা গেছে। অনেকেই এসেছেন দূরদূরান্ত থেকে। জলঢাকা উপজেলার কাঁঠালী গ্রাম থেকে ২৪ কিলোমিটার দূর পাড়ি দিয়ে এসেছেন সত্তর বছর বয়সী মো. আসাদুল ইসলাম। তিনি বলেন, “আজকে সূর্যের দেখা মিললেও কয়েক দিনের তুলনায় শীত বেশি মনে হচ্ছে। এজন্য নিজেরসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য কয়েকটা সুয়েটার কিনেছি।” সামর্থের মধ্যে কাপড় কিনতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি।
জেলা সদরের চড়াইখোলা গ্রামের মাইদুল ইসলাম জানান, নতুন কাপড় কেনার সামর্থ না থাকায় বাধ্য হয়ে পুরাতন কাপড়ের দোকানে এসেছেন। তিনি বলেন, “গেল সপ্তাহে টানা চারদিন আকাশে সূর্য ছিলনা। এরপর গতকাল বুধবার সূর্যের দেখা মিললে কিছুটা স্বস্তি ফিরে। আজ বৃহস্পতিবার সূর্যের দেখা মিলেছে ঠিকই কিন্তু শীত বেশি অনুভুহ হচ্ছে।”
জেলা শহরের উকিলপাড়ার গৃহিণী স্নিগ্ধা পারভীন বলেন, “কয়েক দিনের কুয়াশা কেটে গতকাল সূর্য দেখা দিলে ভেবেছিলাম শীত কমবে। কিন্তু আজকে আকাশে সূর্য থাকলেও শীত বেশি মনে হচ্ছে। এতে বড়দের চেয়ে ছোটদের কষ্ট বাড়ছে। পুরাতন কাপড়ের দোকান থেকে ছোটদের জন্য গরম সুয়েটার, জ্যাকেট কিনতে এসেছি।”
এদিকে সৈয়দপুর আবহাওয়া কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লোকমান হাকিম জানান, “আজ বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল বুধবার ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ অবস্থা টানা আরও কয়েকদিন চলবে।”
কেকে/ আরআই