বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচেও হেরেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেসে। ছয় দলের মধ্যে পাঁচটিই কোনো না কোনো ম্যাচ জিতেছে। একমাত্র দল হিসেবে সবকটি ম্যাচ হারা ফ্র্যাঞ্চাইজিটির নাম নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
প্রথম জয়ের খোঁজে সোমবাার (৫ জানুয়ারি) একাদশে ৪টি পরিবর্তন নিয়ে নেমেছিল নোয়াখালী। একাদশে ঢুকেছিলেন সৌম্য সরকার ও মোহাম্মদ নবির মত ক্রিকেটাররা। কিন্তু নোয়াখালী ভাগ্য বদলাতে পারলো না। বরং হারলো সবচেয়ে বাজেভাবে।
ঘরের মাঠে সিলেট নোয়াখালীকে ১৪ দশমিক ২ ওভারের মধ্যেই গুটিয়ে দেয় মাত্র ৬১ রানে। এটা বিপিএল ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার নজির। সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার নজিরটি খুলনার, ২০১৬ সালে রংপুরের বিপক্ষে মাত্র ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।
স্বাগতিকরা লক্ষ্য পেরিয়ে যায় মাত্র ৮ দশমিক ৪ ওভারে। অবশ্য এই রান তুলতেই তাদের চার উইকেট নিয়ে নেন নোয়াখালীর বোলাররা। সিলেট জয় পায় ছয় উইকেটে। তাওফিক খান ১৮ বলে করেন সর্বোচ্চ ৩২ রান। জাকির হাসানের ব্যাট থেকে আসে ২৪। এই জয়ে ছয় পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে উঠলো সিলেট। সমানসংখ্যক পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দুইয়ে আছে রংপুর রাইডার্স।
নোয়াখালীকে গুটিয়ে দেওয়ার মূল কাজটি করেছেন নাসুম আহমেদ, ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। বাঁহাতি স্পিনার মাত্র সাত রানেই নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। সৌম্য সরকারকে দিয়ে শুরু করেছিলেন, পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে তিনি উঠিয়ে নেন বিলাল সামির উইকেট। মাঝে তার শিকার হন হায়দার আলী, মেহেদী হাসান রানা ও জহির খান। মোহাম্মদ আমির, খালেদ আহমেদ, আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ১টি করে উইকেট।
কেকে/এমএ