কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় হঠাৎ করে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারে। বাড়তি দাম দিয়েও বাজারে পর্যাপ্ত গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিক্রেতারা দাবি করেন, বেশি দামে সীমিত পরিমাণে গ্যাস পাওয়া গেলেও তা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন চরম বিপাকে।
ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে যে গ্যাস সিলিন্ডার ১ হাজার ২৫০ টাকায় পাওয়া যেত, সেটিই এখন কিনতে হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি সিলিন্ডারে অতিরিক্ত ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা গুনতে হচ্ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে ওমেরা ও ফ্রেশ গ্যাস ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানির এলপিজি সিলিন্ডার তেমন পাওয়া যাচ্ছে না। বিকল্প না থাকায় ক্রেতারা বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে গ্যাস কিনছেন।
হোটেল ও চা-দোকান মালিকরা জানান, গ্যাসের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে তাদের ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে লোকসান দিয়েই ব্যবসা চালাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
অন্যদিকে, গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলাররা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ভোক্তারা দ্রুত গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কেকে/এলএ