নড়বড়ে কাঠের পুল। আর এই সেতুটি দিয়েই প্রতিদিন স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ দুই গ্রামের শতশত মানুষ চলাচল করে।
ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া এবং পশ্চিম চরবলেশ্বর গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের উপর নির্মিত কাঠের সেতুটিই দুই গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা।
গত ৫-৬ মাস আগে কচা নদী থেকে খালের মধ্যে জোয়ারের সাথে অতিরিক্ত কচুরিপনা ঢোকার কারণে স্রোতের চাপে পুলটি হেলে পড়ে। স্থানীয়রা কোনমতে দঁড়ি দিয়ে খুটির সাথে বেঁধে রেখেছে সেতুটির উপরের অংশ। বর্তমানে নড়বড়ে অবস্থায় আছে সেতুটি। যেকোন সময় খালের মধ্যে ধ্বসে পড়তে পারে সেতুটি।
কোন বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝূঁকিপূর্ণ সেতুটির উপর দিয়েই প্রতিদিন পার্শ্ববর্তী বালিপাড়া ইউনিয়ন আলিম মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী ও জনসাধারণকে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে। জনসাধারনের চলাচলরত অবস্থায় সেতুটি ভেঙ্গে পড়লে ঘটতে পারে বড় কোন দূর্ঘটনা।
দ্রুত এই সেতুটি মেরামতের দাবি জানিয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করেছেন। সেতুটি দ্রুত মেরামতের জন্য ইউএনও তাদেরকে আশ্বাস দিয়েছেন।
মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা জানায়, ‘গত এক মাস আগে পুলটি মেরামতের কাজ শুরুর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয়নি।’
শিক্ষার্থী রিয়াদ জানায়, ‘সেতুটি ভেঙ্গে চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে গেলে চরবলেশ্বরসহ আশপাশ গ্রামের প্রায় অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীর ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে মাদরাসায় যেতে হবে।’
এ ব্যাপারে স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষক মো. ফোরকান হোসেন জানায়, ‘সেতুটি দ্রুত মেরামতের জন্য আমরা মাদরাসার পক্ষ থেকে ইউএনও ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবহিত করেছি।’
বালিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বাবুল জানায়, ‘সেতুটি মেরামতের জন্য এডিপি থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আশা করছি, আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে মেরামতের কাজ শুরু হবে।’
কেকে/বি