নোয়াখালী এক্সপ্রেস টানা ছয় ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে জয়ের পথে ফিরেছিল। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিপিএলের দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল নবাগত ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ব্যাটে-বলে আধিপত্য বিস্তার করে ৪১ রানের জয় তুলে নেয় হায়দার আলীর দল।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে সাত উইকেটের বিনিময়ে ১৮৪ রান করে নোয়াখালী। উত্তরে ১৪৩ রানে গুটিয়ে যায় ঢাকা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের অধিনায়ক হায়দার আলী। সৌম্য সরকারের সাথে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামেন ইসাখিল। এই দুই ব্যাটার মিলে দলকে দারুণ সূচনা এনে দেন। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০১ রান। মাত্র ২৫ বলে ৪৮ রান করে আউট হন সৌম্য।
ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি সাহাদাত হোসেন দীপু ও হাবিবুর রহমান সোহান। তিন রানে দীপু ও চার রানে ফেরেন সোহান।
এরপর ক্রিজে আসেন মোহাম্মদ নবী। ছেলে ইসাখিলের সাথে গড়েন ৫৩ রানের জুটি। তাতেই বড় সংগ্রহের দিকে ধাবিত হয় নোয়াখালীর ইনিংস। ১৩ বলে ১৭ রান করে আউট হন নবী। কোনো রান না করেই সাজঘরের পথ ধরেন অধিনায়ক হায়দার আলী। আর জাকের আলী আউট হন আট রান করেন।
এদিকে, ফিফটি পূরণের পর সেঞ্চুরির পথে ছিলেন হাসান ইসাখিল। কিন্তু আট রানের আক্ষেপ থেকে যায় তার। আউট হন ব্যক্তিগত ৯২ রানে। মাত্র ৬০ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি সাতটি চার ও পাঁচটি ছয়ে সাজানো। এছাড়া শুন্য রানে হাসান মাহমুদ ও ৪ রানে মেহেদী হাসান রানা অপরাজিত থাকেন।
ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে দুইটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।
১৮৫ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নোয়াখালীর বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ঢাকার ব্যাটাররা। ব্যক্তিগত ইনিংসটা বিশের ঘর ছাড়াতে পেরেছে মাত্র তিনজন ব্যাটার। সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৩৩ রান আসে দলনেতা মোহাম্মদ মিঠুনের ব্যাট থেকে। আর ২৯ রান করেন শামীম হোসেন পাটোয়ারী।
নোয়াখালীরর হয়ে দুইটি করে উইকেট নেন চারজন বোলার।
কেকে/এমএ