মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা      ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
মদনে সেচের ছাড়পত্র বাতিলের অভিযোগ
মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪২ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মদন উপজেলার সেচের ছাড়পত্রের দূরত্ব নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অনুমোদন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কৃষক শাহীনের বিরুদ্ধে। সেচ যন্ত্রের অনুমোদন বাতিল চেয়ে এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতির বরাবর আরেক সেচ যন্ত্রের মালিক ফখরুল ইসলাম খান একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কৃষক ও সেচ যন্ত্রের মালিক, মৃত হাজী আব্দুল হক খানের ছেলে ফখরুল ইসলাম খান, বন্ধ দীগরিয়া হাওরে সেচ যন্ত্র স্থাপনের জন্য গত ৭ নভেম্বর ২০২৩ সালে একটি অনুমোদন পান।

এরপরই বাশুরী গ্রামের এখলাছ মিয়ার ছেলে তুহিন মিয়া ৮ জানুয়ারি ২০২৪ সালে সেচ যন্ত্রটি বন্ধ রাখার জন্য নেত্রকোনা বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ০৭/২০২৪, অন্য প্রকার)। দীর্ঘ এক বছর পর মামলাটি ফখরুল ইসলাম খানের পক্ষে রায় দেয়।

এদিকে, সেচ যন্ত্রটি মামলা দিয়ে বন্ধ করে সুকৌশলে এখলাছ মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া ২ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আরেকটি সেচ যন্ত্রের অনুমোদন নেন। ৩০০ ফিটের মধ্যে দুটি অনুমোদন এবং মামলার জটিলতা থাকায় নায়েকপুর গ্রামের ফখরুল ইসলাম খান শাহীনের সেচের ছাড়পত্র বাতিল ও স্থগিত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মদন জোনাল অফিসে আবেদন করেন।

এ ব্যাপারে বাশুরী গ্রামের শাহীন মিয়া জানান, “আমি অনেক পূর্ব থেকেই ডিজেল দিয়ে স্কিম পরিচালনা করে আসছি। উপজেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুৎ আমাকে অনুমোদন দিয়েছে, তাই আমি আমার জমিতে বরিং করেছি এবং বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করেছি। নিয়মের বিষয়ে জানতে চাই, প্রশাসন আমাকে বুঝেই অনুমোদন দিয়েছে।”

মদন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম জানান, “গত সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, দুটি লাইনে সংযোগ দেওয়া হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতি বেদবতী মিস্ত্রী জানান, “এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি। আগামীকাল (১৮ জানুয়ারি) দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  মদন   ছাড়পত্র   অভিযোগ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close