মদন উপজেলার সেচের ছাড়পত্রের দূরত্ব নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে অনুমোদন নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কৃষক শাহীনের বিরুদ্ধে। সেচ যন্ত্রের অনুমোদন বাতিল চেয়ে এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতির বরাবর আরেক সেচ যন্ত্রের মালিক ফখরুল ইসলাম খান একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নায়েকপুর ইউনিয়নের কৃষক ও সেচ যন্ত্রের মালিক, মৃত হাজী আব্দুল হক খানের ছেলে ফখরুল ইসলাম খান, বন্ধ দীগরিয়া হাওরে সেচ যন্ত্র স্থাপনের জন্য গত ৭ নভেম্বর ২০২৩ সালে একটি অনুমোদন পান।
এরপরই বাশুরী গ্রামের এখলাছ মিয়ার ছেলে তুহিন মিয়া ৮ জানুয়ারি ২০২৪ সালে সেচ যন্ত্রটি বন্ধ রাখার জন্য নেত্রকোনা বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন (মামলা নং ০৭/২০২৪, অন্য প্রকার)। দীর্ঘ এক বছর পর মামলাটি ফখরুল ইসলাম খানের পক্ষে রায় দেয়।
এদিকে, সেচ যন্ত্রটি মামলা দিয়ে বন্ধ করে সুকৌশলে এখলাছ মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া ২ জানুয়ারি ২০২৫ সালে আরেকটি সেচ যন্ত্রের অনুমোদন নেন। ৩০০ ফিটের মধ্যে দুটি অনুমোদন এবং মামলার জটিলতা থাকায় নায়েকপুর গ্রামের ফখরুল ইসলাম খান শাহীনের সেচের ছাড়পত্র বাতিল ও স্থগিত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মদন জোনাল অফিসে আবেদন করেন।
এ ব্যাপারে বাশুরী গ্রামের শাহীন মিয়া জানান, “আমি অনেক পূর্ব থেকেই ডিজেল দিয়ে স্কিম পরিচালনা করে আসছি। উপজেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুৎ আমাকে অনুমোদন দিয়েছে, তাই আমি আমার জমিতে বরিং করেছি এবং বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপন করেছি। নিয়মের বিষয়ে জানতে চাই, প্রশাসন আমাকে বুঝেই অনুমোদন দিয়েছে।”
মদন পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম রফিকুল ইসলাম জানান, “গত সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, দুটি লাইনে সংযোগ দেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সেচ কমিটির সভাপতি বেদবতী মিস্ত্রী জানান, “এমন একটি অভিযোগ পেয়েছি। আগামীকাল (১৮ জানুয়ারি) দুই পক্ষকে ডাকা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
কেকে/এলএ