শরীয়তপুর সদরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বাড়িঘরসহ তার সমর্থকদের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) গভীর রাতে সদর উপজেলার শৌলপাড়া ইউনিয়নের চরগয়ঘর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এতে অন্তত ৩টি ঘরে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে পুড়িয়ে ভস্মীভুত করা হয়। এছাড়াও ৯টি আধাপাকা টিনের ঘর, দোচলা টিনের ঘর কুপিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩টি ককটেল উদ্ধার করেছে।
পুলিশ জানায়, শৌলপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান ভাসানী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। ভাসানী গত ১৭ জানুয়ারি বিএনপির একটি সভায় শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলামের হাত ধরে ৫ শতাধিক সমর্থক নিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। যোগদানের ৭ দিনের মাথায় তার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা চালায়। এছাড়াও তার সমর্থকসহ কয়েকটি ঘরে অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শৌলপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ভাসানী ও তার সমর্থকরা বিএনপিতে যোগদান নিয়ে স্থানীয় বিএনপি কর্মী হানিফ বেপারীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। তারই প্রেক্ষিতে দু'পক্ষের হামলার ঘটনার সূত্রপাত। এঘটনার পর শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন শরীয়তপুর-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাইদ আহমেদ আসলাম। তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।
শরীয়তপুর-১আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, সাইদ আহমেদ আসলাম বলেন, ‘এটি একটি নেক্কার কনক ঘটনা। যে ভাবে রাতের আধারে বাড়ি ঘরে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগ ঘটানো হয়েছে সে যেই হউক তাদেরকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’
চিকন্দী পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক গোলাম রসুল বলেন, ‘আমরা রাত ১০ টার দিকে খবর পেয়ে সথে সাথে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে আসি। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুর্বৃত্তরা ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়।
কেকে/এমএফ