পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে চরম অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রার্থী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন -নিয়োগ প্রক্রিয়ার লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে নম্বর প্রদান ও কর্তনের মাধ্যমে তাকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং অন্য এক প্রার্থীকে অবৈধভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
মামলায় বর্ণিত অভিযোগ অনুযায়ী, লিখিত পরিক্ষায় একাধিক ভুল উত্তর থাকা সত্ত্বেও ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থী মো. ওমর ফারুককে অতিরিক্ত ১৮ নম্বর প্রদান করা হয়। অপরদিকে লিখিত পরিক্ষায় সঠিক উত্তর প্রদান করা হলেও মামলার বাদী মোহাম্মদ তরিকুল ইসলামকে ৬ নম্বর থেকে বঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া সম্পূর্ণ অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মৌখিক পরিক্ষায় বাদীর সনদপত্রের ওপর নির্ধারিত নম্বর কর্তন করা হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ রয়েছে। এমনকি বাদীর অগ্রাধিকার যোগ্যতা হিসেবে থাকা হিফজ (কুরআন মুখস্থ) যোগ্যতার জন্য কোনো নম্বরই প্রদান করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়।
বাদীর দাবি, এসব অনিয়মের কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়োগ বিধিমালা ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল স্থানে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এমন অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
কেকে/বি