দেশে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী—নির্বাচন নাকি কার্যকর জবাবদিহিতা? দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রশ্নটি রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে এই প্রশ্নের উত্তর অনেক সময় নির্ভর করে ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। আবার নির্বাচন ব্যবস্থার কাঠামো, নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা—এসব বিষয়ও জড়িত থাকে এই বিতর্কে।
সম্প্রতি এই নিয়েই খোলা কাগজের সঙ্গে কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ট্রেজারার ও সিনিয়র অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী। একান্ত এই সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন খোলা কাগজের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. রাকিবুল ইসলাম।
খোলা কাগজ : সংবিধানের দৃষ্টিতে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি কী? নির্বাচন না কার্যকর জবাবদিহি?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : আমার মতে, সংবিধানের দৃষ্টিতে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো নির্বাচন এবং জবাবদিহিতা—দুটোই। কারণ জবাবদিহিতা কে করবে? জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচিত প্রতিনিধি প্রয়োজন। কাজেই নির্বাচন ছাড়া কার্যকর জবাবদিহিতা সম্ভব নয়; একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই কেবল কার্যকর জবাবদিহিতা পাওয়া সম্ভব।
খোলা কাগজ : ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোট ও পিআর পদ্ধতির প্রেক্ষাপটে বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা কি সংবিধানসম্মতভাবে জনগণের মতামত এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যকারিতা—দুটোই নিশ্চিত করতে পারছে?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থাটি ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোট নাকি পিআর পদ্ধতিতে হবে—তা নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পিআর পদ্ধতি বাদ দিয়ে ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোটের মাধ্যমেই নির্বাচন করছে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হলে অনেক বেশি মানুষের এবং প্রার্থীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যেত, এবং যারা বর্তমানে কৃতকার্য হতে পারছে না, তারা অন্যান্য কনস্টিটিউয়েন্সির ভোটের যোগফলে হয়তো পাশ করে যেতে পারতো। কিন্তু ওয়ান ম্যান ওয়ান ভোটের কারণে সেটা হচ্ছে না। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, আপনি যখন একটি পার্লামেন্টের ৩০০ সিটে বহু দল-মতের প্রার্থী পাস করে আসবে, তখন কমান্ড জিনিসটা থাকবে না। কমান্ড জিনিসটা না থাকলে যা হবে—পার্লামেন্টে সবাই কথা বলতে চাইবে, যে যে দল থেকে এসেছে সে দলের কথা বলবে, যে দলের সাপোর্টাররা যেটা বলছে সেটা বলার চেষ্টা করবে। এর ফলে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে। তখন আমাদের সংসদের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলবে। আর যদি এখন যে সিস্টেমে ভোট হচ্ছে, সেই সিস্টেমে ভোট হলে তারা সংসদটা কন্ট্রোল করবে—যদিও সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ। যে দল থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা আসবে, সেই দল সংসদ কন্ট্রোল করবে। তারা সহজভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবে।
খোলা কাগজ : নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও ক্ষমতার ভারসাম্য কীভাবে সাংবিধানিক সীমার মধ্যে রেখে বাস্তবে কার্যকর করা যেতে পারে?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। তারা যদি স্বাধীনভাবে কাজ না করতে পারে, তাহলে তাদের কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলবে। আবার এটাও ঠিক—তাদের যে ক্ষমতা আছে, সেটি তাদের প্রয়োগ করতে দিতে হবে। এই ক্ষমতা যদি তারা প্রয়োগ করতে না পারে, তাহলে স্বাধীনতার কোনো মূল্য থাকলো না। দুটো একসাথে থাকতে হবে, দুটো একসাথে চলতে হবে।
এটা মাথায় রাখতে হবে—ক্ষমতাটা যেন বাউন্ডারি ক্রস না করে। এটার যে একটা সীমাবদ্ধতা আছে, বাস্তবতার সাথে মিল রেখে দূরদর্শী চিন্তাভাবনা করেই ক্ষমতাটা প্রয়োগ করতে হবে। নয়তো তা অকার্যকর হয়ে যাবে, যা আমাদের সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
খোলা কাগজ : নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা ঘিরে আইনি জটিলতা কোন কোন স্তরে সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় এবং তা কীভাবে আদালত পর্যন্ত গড়ায়?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একে অপরের পরিপূরক। প্রশাসন যেমন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া চলতে পারে না, তেমনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও প্রশাসনের কাছ থেকে সহায়তা নিতে হয়। প্রয়োজনের সময় তাদের কাছ থেকে জানতে হয়—এই পরিস্থিতিতে আমি কী করতে পারি। নির্বাচনের প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়ে যায়, তখন নির্বাচন কমিশনেও আইন প্রয়োগ করা হয়; তাদের সেই ক্ষমতা থাকে। এরপর যখন সেখান থেকে একজন প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়, তিনি চলে যান ডিসি অফিসে। এরপর আস্তে আস্তে কোর্ট-কাচারিতে বিষয়টি ছড়িয়ে যেতে থাকে। কাজেই আইনি প্রশ্ন আসলে সব জায়গাতেই থাকে—কোথাও ছোট, কোথাও বড়। আইনি জটিলতা শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টে এসে শেষ হয়। সুতরাং পুরো প্রক্রিয়াটির মধ্যেই—নির্বাচন কমিশন, ডিসি অফিস ঘুরে—বিষয়টি কোর্টে এসে শেষ হয়। কাজেই তিন–চারটি স্তরের মধ্যেই পুরো বিষয়টি সীমাবদ্ধ থাকে।
খোলা কাগজ : স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন ওঠে, আপনি সেটিকে কীভাবে দেখছেন?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : আপনার কাছে যেটা স্বচ্ছ, আরেকজনের কাছে সেটি অস্বচ্ছ। আবার আমার কাছে যেটা স্বচ্ছ, অন্যজনের কাছে তা অস্বচ্ছ। কাজেই স্বচ্ছতা এবং অস্বচ্ছতার প্রশ্ন আসেই। যেহেতু পুরো প্রক্রিয়াটি আইনের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে, কেউ যদি কোনো বিষয়কে অস্বচ্ছ বলে, তাহলে সেটি প্রমাণ করতে হবে। তখন কোর্ট-কাচারির মধ্যেই—আবার নির্বাচন কমিশনও আছে—সেখানে প্রমাণ করতে হবে যে এতে অস্বচ্ছতা রয়েছে। এভাবেই এই বিষয়টির সমাধান করা হয়।
খোলা কাগজ : নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদালতের ভূমিকা কী হওয়া উচিত—সক্রিয় নাকি সংযত?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদালতের ভূমিকা সক্রিয় হতে হবে, এবং সংযতও হতে হবে। কারণ সক্রিয় এজন্য—আপনি যদি আপনার ক্ষমতার প্রয়োগ না করেন, তাহলে ক্ষমতা আপনাকে দেওয়া হলো কেন? আইন তো তৈরি করা হয়েছে পার্লামেন্টে; সেখানে জনপ্রতিনিধিরাই আইন তৈরি করেছেন। কাজেই আপনাকে তা সক্রিয়ভাবে প্রয়োগ করতে হবে। তবে সংযত থাকার যে বিষয়টি বলা হচ্ছে, সেটি আসলে সব জায়গায় রিট জুরিসডিকশন ছাড়া আসে না। একমাত্র রিট জুরিসডিকশনেই আমরা লিগ্যাল বা ইলিগ্যাল ইস্যুটি ডিল করি। সেখানে আপনি মাঝখানে কিছু করতে পারবেন না—হয় আপনাকে লিগ্যাল বলতে হবে, নয়তো আপনাকে ইলিগ্যাল বলতে হবে।
কাজেই হাইকোর্টের রিট জুরিসডিকশন ছাড়া অন্যান্য জায়গায় বাস্তবতা নিরিখেও চিন্তা করা উচিত—আমি এই আইনটি কতটুকু অ্যাপ্লাই করব। আমি আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে যদি অ্যানার্কি তৈরি হয়ে যায়, তাহলে আমাকে চিন্তা করতে হবে আইনটি কতটুকু সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে ব্যবহার করব। যদি তা অসহনশীল হয়, তাহলে বাস্তবতা নিরিখে আপনি সেটি অ্যাপ্লাই করলেন না। কাজেই রিট জুরিসডিকশন ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে সংযত হতে হবে, যেখানে ইলিগ্যাল ইস্যুটি ডিল করা হয়।
খোলা কাগজ : একজন আইনজীবী হিসেবে আপনার মতে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে সবচেয়ে জরুরি তিনটি আইনি সংস্কার কী?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : একজন আইনজীবী হিসেবে গণতন্ত্র যদি আপনি টিকিয়ে রাখতে চান, তাহলে আপনাকে মানবাধিকারের বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। কারণ মানবাধিকার সবার আগে। এরপর আপনাকে রুল অব ল-এর কথা চিন্তা করতে হবে, অর্থাৎ আইনের শাসনের কথা চিন্তা করতে হবে। আইনের শাসন যদি আপনি নিশ্চিত করতে না পারেন, সমাজে যদি আইনের শাসন না থাকে, তাহলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হবে, অ্যানার্কি তৈরি হবে। আর গুড গভর্নেন্স একটি আলাদা বিষয়। অর্থাৎ আপনার গভর্নেন্স ব্যবস্থা ঠিকঠাক হতে হবে। মোটকথা, সবকিছু সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে হবে, আইন প্রয়োগ করতে হবে। দেশের কথা চিন্তা করে, রাষ্ট্রের স্বার্থের কথা চিন্তা করে—জাতীয় স্বার্থ বলেন, আন্তর্জাতিক স্বার্থ বলেন—এই সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে। এটিই গুড গভর্নেন্সের বেসিক।
কাজেই হিউম্যান রাইটস, রুল অব ল, গুড গভর্নেন্স—এই তিনটি হচ্ছে বেসিক। সাথে আরেকটি বিষয় হলো গণতন্ত্রের কথাও চিন্তা করতে হবে। গণতন্ত্র যদি প্রতিষ্ঠা না করতে পারেন, তাহলে এই তিনটির একটিও সফল হবে না। কাজেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বড় হাতিয়ার হচ্ছে সঠিক একটি নির্বাচন দেওয়া। সেই নির্বাচনে জনগণের কাছ থেকে যে ম্যান্ডেট আসবে—যেহেতু জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস—এই ম্যান্ডেট থেকেই আপনি যখন ক্ষমতায় বসবেন, তখন এই তিনটি-চারটি কাজ সহজভাবে করতে পারবেন। তখনই এই নির্বাচনের সার্থকতা আসবে।
খোলা কাগজ : দীর্ঘদিন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের বাস্তবতায় এবারের নির্বাচনটি কতটুকু ফেয়ার ও গ্রহণযোগ্য হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : আমরা গত ১৬ বছরে—২০০৮ সালে একটি নির্বাচন হয়েছিল, সেটি মোটামুটি একটি নির্বাচন ছিল। সেটি প্রশ্নবিদ্ধ ছিল না। পরে ২০১৪ সালের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল, ২০১৮ সালের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনটি তো আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ। কাজেই জনগণ আশা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। যেহেতু আমরা ১৬ বছরে কোনো ফেয়ার ইলেকশন দেখিনি, কাজেই জনগণের মধ্যে একটি বিষয় কাজ করছে—এই নির্বাচনটি যদি অন্ততপক্ষে ৪০ শতাংশ ফেয়ার হয় (আমি ৫০–৬০ শতাংশের দিকে যাচ্ছি না), ৪০ শতাংশও যদি ফেয়ার হয়, তাহলে এটি গ্রহণযোগ্য বলে ধরে নেওয়া হবে। কারণ আমরা তো নির্বাচনের মধ্যে নেই। ১৬ বছরে যেটি হয়নি, সেটি আপনি একদিনেই চাপিয়ে দিতে চাচ্ছেন। এটি অনেকটা এমন—আপনি সারা বছর পড়ালেখা করলেন না, পরীক্ষার রাতে পড়ে পাস করতে চাচ্ছেন। এটি জনগণের মাথায় ঘুরছে—যেটি আমরা ১৬ বছরে পারিনি, সেটি কীভাবে একদিনে পারব? জনগণ যা চাচ্ছে, তা হলো—অন্ততপক্ষে ৪০ শতাংশও যদি ফেয়ার হয়, এটি গ্রহণযোগ্য হবে। আবার এটিও মাথায় রাখতে হবে—যেহেতু বড় কয়েকটি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না, কাজেই আত্মীয়-স্বজন, যাদের বাবা-চাচা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে, তারা হয়তো ভোট দিতে যাবেন। আবার এটিও ঠিক—যখন ২০২৪ সালের মতো, জুলাইয়ের মতো বড় একটি রেনেসাঁ ঘটে, একটি দেশে অভ্যুত্থান ঘটে, তখন বাস্তবতার আলোকে ইনক্লুসিভ নির্বাচন করা যায় না। বিদেশিরাও বলছে—ইনক্লুসিভ নির্বাচন কেন হচ্ছে না? আপনি তো ইনক্লুসিভ নির্বাচন এখন করতে পারবেন না। আপনি কোনো কিছুই বাস্তবতার বাইরে যেতে পারবেন না।
আমরা অবশ্যই চাই দেশে একটি ইনক্লুসিভ নির্বাচন হোক। তবে এই নির্বাচনটিকে প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। নির্বাচন হলে একটি ফরম্যাটে দেশটি পড়বে। যেহেতু এখন কারও পায়ের নিচে মাটি নেই, তাই নির্বাচনটি হতে দিতে হবে। এবং কোনো সমস্যা থাকলে সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। আমাদের একটি সরকার দরকার, কারণ রাষ্ট্র এখন অভিভাবকহীন। যে যা ইচ্ছে তাই করছে, যা খুশি তাই করছে। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। প্রায় দেড় বছর হয়ে যাচ্ছে, দুই বছর হয়ে যাচ্ছে—কাজেই নির্বাচন হতেই হবে।
খোলা কাগজ : বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভাজন থেকে উত্তরণে শিক্ষা, নৈতিকতা ও মানবাধিকার চর্চা কতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে আপনি মনে করেন?
মাসুদ আহমেদ সাইদ শিবলী : জাতি বর্তমানে রাজনীতি, ধর্মনীতি ও যুদ্ধনীতি নিয়ে চরমভাবে বিভাজিত হয়ে পড়ছে। প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে যুদ্ধনীতি পরিহার করে চলতে হবে এবং ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। অতি-রাজনীতি বাদ দিয়ে আগে সঠিক শিক্ষা, নৈতিকতা, আদব-কায়দা এবং মানবাধিকারের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। শুধুমাত্র সার্টিফিকেটধারী হওয়া নয়, বরং প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলে তারপর রাজনীতিতে অংশ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।
কেকে/ আরআই