দীর্ঘ ২২ বছর পর খুলনায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ বিরতির পর তার এ সফর ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
এদিকে, তারেক রহমানের আগমন ঘিরে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সমাবেশস্থল খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে আসতে শুরু করে নেতাকর্মীরা। এদিন ভোর থেকে দেখা যায় মাঠের বিভিন্নস্থানে অবস্থান নিয়েছেন নেতাকর্মীরা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের ভিড় বাড়তে থাকে। জনসভায় যোগ দিতে খুলনাসহ সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের কর্মী সমর্থকরা যোগ দিতে আসছেন বিভিন্ন যানবাহনে।
দুপুর ১২টায় নগরীর খালিশপুরে প্রভাতী স্কুল মাঠে খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসিবে বক্তব্য রাখবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় খুলনাসহ তিন জেলার ১৪ জন প্রার্থীকে পরিচয় করিয়ে দেবেন তিনি। এছাড়া এ অঞ্চলের সংকট নিরসনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ধানের শীষের জয়ের জন্য করণীয় বার্তা দিবেন বলে আশা করছেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন, বন্ধ মিল-কারখানা পুনরায় চালু, গ্যাস সংযোগ, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পর্যটন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ইকোনমিক জোন এবং টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতারা।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন জানান, এ জনসমাবেশকে দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় নির্বাচনি সমাবেশে রূপ দেয়ার লক্ষ্য নেয়া হয়েছে। আনুমানিক আট লাখ মানুষের উপস্থিতি হওয়ার আশা করা হচ্ছে। সমন্বয়, শৃঙ্খলা, আবাসন, মিডিয়া ও নিরাপত্তাসহ ছয়টি উপ-কমিটি একযোগে কাজ করছে।
খুলনার কর্মসূচি শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপটারে যশোরের উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। দুপুর দেড়টার দিকে তিনি যশোরে পৌঁছে ক্রীড়া উদ্যানে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নেবেন। যশোরে এটি তার প্রথম জনসভা।
কেকে/এলএ