কক্সবাজার-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজলের নির্বাচনি শেষ জনসভা। জুমার নামাজের পর থেকেই সমর্থকরা কলাতলী ডলফিন মোড় থেকে মিছিল আকারে মুক্তিযোদ্ধা মাঠের দিকে রওনা দেন, যা পরবর্তীতে লাখো মানুষের সমাবেশে রূপ নেয়। জনসভার কারণে পর্যটন শহরে সাময়িক যানজট সৃষ্টি হয়।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মুক্তিযোদ্ধা মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-০১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সরকারি ও খাসপাড়া জায়গায় যারা ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য কারণে থাকতে বাধ্য হয়েছেন, তাদের আমরা ক্ষমতায় এলে উচ্ছেদ করব না। দলিল এবং সবার সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
জনসভায় অংশ নেওয়া বিএনপির এক সমর্থক জহির বলেন, “কক্সবাজারের জনসভার ইতিহাসে এমন ভিড় আগে কখনো দেখা যায়নি। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।”
তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকারী এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনকারীরা নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রচনা শুরু করেছে। শহীদদের আকাঙ্খা পূরণে এবং শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য বিএনপির স্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করা হবে এবং কক্সবাজারে একটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামবাদী বলেন, “ইনসাফের কথা বলে যারা ভোট চাইছে, কিন্তু নিজেদের শরীক দলের সঙ্গে আসন বণ্টনে ইনসাফ করতে পারে না, তারা ক্ষমতায় এলে জনগণের অধিকার রক্ষা করতে পারবে না।”
কক্সবাজার জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্নার সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন লুৎফুর রহমান কাজলসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
কেকে/এমএফ