ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত জেনে একটি বিশেষ মহল নির্বাচন বানচালের গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল কালাম।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে জনসভায় আবুল কালাম বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দীর্ঘ ১৬ বছর বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন মরহুমা খালেদা জিয়া ও বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপরিকল্পিত নেতৃত্বে এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আজ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে। এ ত্যাগের ফলেই আজ আমরা অবাধ নির্বাচনের সুযোগ পেয়েছি।’
তিনি নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘বিএনপির সব নেতাকর্মীকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল হয়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। ভোটের দিন ফজরের নামাজ পড়েই কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। ভোটারদের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধার দিকে খেয়াল রাখতে হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আবুল কালাম বলেন, ‘আপনাদের মূল্যবান ভোটে আমি নির্বাচিত হয়ে বিএনপি যদি সরকার গঠন করতে পারে, তবে মনোহরগঞ্জ উপজেলাকে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়নের মহাসড়কে পৌঁছে দেব।’
আগামী ১২ তারিখ বিজয় মিছিল নিয়ে ঘরে ফেরার আগ পর্যন্ত তিনি নেতা-কর্মীদের রাজপথে থাকার অনুরোধ জানান।
মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ইলিয়াস পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলনের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিরুজ্জামান আমির।
বিশেষ বক্তা ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এম আনোয়ারুল আজিমের কন্যা সামিরা আজিম দোলা, ডাকসুর সাবেক সদস্য ও যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা রশিদ আহমেদ হোসাইনী, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সফিকুর রহমান সফিক।
জনসভায় বক্তব্য রাখেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা আবদুল হাই চেয়ারম্যান, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, সহ-সভাপতি আলী মর্তুজা, আবু ইউসুফ ভূঁইয়া, আবুল বাশার এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদুল আলম বাচ্চু।
কেকে/এমএ