মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
১২ ফেব্রুয়ারির রায়ে কোন পথে যাচ্ছে দেশ
রেজাউল করিম খোকন
প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আগামীকাল বহুল প্রতীক্ষিত ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনেক প্রত্যাশার এই নির্বাচন আমাদের গণতান্ত্রিক উত্তরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নিঃসন্দেহে। বিগত আওয়ামী লীগ আমলের গত তিনটি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে জনমনে কৌতূহল কিংবা আগ্রহ কিছুই ছিল না। কারণ, সেই নির্বাচনগুলো ছিল ভোটারবিহীন।

সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ না থাকায় সেই নির্বাচনগুলো ছিল একধরনের প্রহসন। যদিও ২০০৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা আগেই ধারণা করা গেছে। সেদিক থেকে এবার এক ব্যতিক্রমী নির্বাচন হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন জরিপে ফলাফলের কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন পক্ষ থেকে যে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে, তা ১৮০ ডিগ্রি এদিক-সেদিক। সেই বিবেচনায় আজকের ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হতে চলেছে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

কেমন হবে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বা সম্ভাব্য ফলাফল কী? নির্বাচনের আগে থেকেই জনে জনে সবার মুখে খুব স্বাভাবিকভাবে এটাই আলোচনার বিষয়।

এবারের নির্বাচনের আরও একটি ব্যতিক্রমী দিক হচ্ছে নির্বাচন নিয়ে এই শেষ সময়েও কিছু মানুষের মধ্যে সংশয় থেকে গেছে। আসলেই কী শেষ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা, সে প্রশ্ন ছিল অনেকের মনে। বিকাল সাড়ে চারটায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগপর্যন্ত কেউ কেউ এই সংশয় মনে পুষে যাবেন বলে মনে হয়। তবে এটাও ঠিক যে নির্বাচনের একদম আগে আগে এমন কিছু ঘটনা ঘটছে বা ঘটানোর চেষ্টা হচ্ছে, যা এমন সন্দেহকে উসকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। আজকের নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি পক্ষই নির্বাচনে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী অথবা জনগণকে এমন ধারণা দিচ্ছে যে তারাই জিতে যাচ্ছে বা সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

দুপক্ষই যে এমন দাবি করছে, তার পেছনে কাজ করছে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান ও মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের হিসাব-নিকাশ।

তবে নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে, সেই বিষয়টি তাদের দাবির পক্ষে শর্ত হিসেবে হাজির আছে। বিএনপি নব্বইয়ের পর দুই দফায় নির্বাচিত দল হিসেবে দেশ শাসন করেছে। তাদের জনসমর্থন ও শক্তি-সামর্থ্যরে বিষয়টি প্রমাণিত, যদিও মাঝে দীর্ঘ সময় চলে গেছে। অন্যদিকে ভোটের হিসাবে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের অবস্থান ছিল চতুর্থ। তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জামায়াতের বড় উল্লম্ফন ঘটেছে। এই বাস্তবতায় তারাই বিজয়ী হচ্ছে, এমন একটি ধারণা জনমনে গেঁথে দিতে জামায়াত তাই বেশি সক্রিয় থেকেছে। অবস্থাটি এ রকম যে জয় প্রায় নিশ্চিত, এমন ধারণা তৈরি করে জামায়াত ভোটারদের মানসিকভাবে তাদের পক্ষে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে।

নির্বাচনি প্রচারে জনগণের সামনে দেওয়া বক্তব্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৌশলী কর্মকাণ্ড এবং প্রচার এবং প্রকাশ্য বা ছদ্মবেশে লোক নামিয়ে জনগণকে প্রভাবিত করা, এ ধরনের নানা উপায়ে এমন একটি প্রতীকী বাস্তবতা নির্মাণ সম্ভব, যাতে এই ধারণা প্রতিষ্ঠা করা যায় যে তারাই নির্বাচনে জয়লাভ করবে। বাংলাদেশের এবারের নির্বাচনি প্রচারে এই বিষয়গুলো আমরা দেখতে পেয়েছি। বিএনপি ও জামায়াতের ১১-দলীয় জোট নিজ নিজ কৌশল অনুযায়ী নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে।

বিএনপি দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃত। খালেদা জিয়ার বিপুল জনপ্রিয়তা, তার মৃত্যুর পর জানাজায় ঐতিহাসিক জমায়েত, ১৭ বছর পর ব্যাপক সংবর্ধনার মধ্যে তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং এ পর্যন্ত তার সংযত অবস্থান ও ভাবমূর্তি ভোটের প্রচারের শুরুতে বিএনপিকে এগিয়ে দেয়। এসব কারণে বিএনপি ও এর নেতাকর্মীরা নির্বাচনে বিপুল জয়ের ব্যাপারে বলা যায় শতভাগ আত্মবিশ্বাসী।

নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে দল হিসেবে বিএনপি বা এর নেতাকর্মীরা যতই আত্মবিশ্বাসী হোন, ‘বিএনপি বিজয়ী হবেই’ এমন ধারণা তারা জনগণের মধ্যে কতটা গেঁথে দিতে পেরেছেন, সেটা এক বড় প্রশ্ন। অবশ্য এমনও হতে পারে যে বিএনপি সচেতনভাবেই এ ধরনের কৌশল নেয়। কিন্তু এটা মাথায় রাখা জরুরি যে ২০০১ সালের পর এই প্রথম বিএনপি সেই অর্থে একটি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনি লড়াইয়ে নেমেছে। এই সময়ের মধ্যে এক-এগারো হয়েছে, রক্তাক্ত গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরশাসনের অবসান হয়েছে। কয়েক কোটি নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে। বড় দলের পুরোনো হিসাব-নিকাশ বা আত্মবিশ্বাস নতুন ভোটারদের কাছে এসে হোঁচট খায় কিনা সেই প্রশ্নও অনেকে তুলেছেন।

অন্যদিকে ন্যারেটিভ তৈরির ক্ষেত্রে জামায়াতকে সফল বলতেই হবে। বাংলাদেশের নির্বাচনি রাজনীতিতে একসময় চতুর্থ দল হিসেবে বিবেচিত জামায়াতও সেই আগের জায়গায় নেই। দলটি ১১-দলীয় জোটের নেতৃত্ব দিয়ে এবারের নির্বাচনে বিজয়ী হবে বা হতে পারে, এমন ধারণা দলটি জনমনে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। কার্যকর নির্বাচনি কৌশল ও প্রচার ছাড়া এটা সম্ভব হতো না। এর সুফল জামায়াত কতটা পাবে, তা বোঝার জন্য আমাদের অপেক্ষা করা ছাড়া পথ নেই।

বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে আগে এতগুলো দেশের এত সক্রিয়তা দেখা যায়নি। কয়েক বছরে বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল এবং অন্য দেশগুলোর অনেক রকমের স্বার্থ তৈরি হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সবার দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম নয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরস্পরবিরোধী পক্ষগুলো হয়তো একই রকমভাবে চিন্তা করছে। তবে অন্য দেশগুলোতে যা কিছু করা সম্ভব, বাংলাদেশে সেটা করা একটু কঠিন বৈকি। পেশাগত কারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আমার যথেষ্ট ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ হয়।

আমি একটা বিষয় না বলে পারছি না, বাংলাদেশের গ্রাউন্ড রিয়্যালিটি সম্পর্কে তাদের অনেকেরই খুব ভালো বোঝাপড়া নেই। তারা নির্বাচনও চাইছেন, আবার স্থিতিশীলতাও চাইছেন। সামনের দিনগুলো অস্থিতিশীল হয়ে উঠলে তারা কী চাইবেন, বা কী বলবেন, সেটা আমরা নিশ্চিত নই। নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুপক্ষের যে কেউই জিততে পারে, এমন ধারণা যেহেতু তৈরি হয়েছে, তাই নির্বাচনটি উল্লেখযোগ্য জনগণের অংশগ্রহণে ‘অংশগ্রহণমূলক’ ও স্বতঃস্ফূর্ত হতে পারে। তবে এটা নির্ভর করছে জনগণের নিরাপত্তার বোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর। নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং নির্বাচনকে অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার পরীক্ষায় সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে পাস করতেই হবে।

এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল বা জোট অনেক অনেক প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের মন জয় কিংবা আকৃষ্ট করার প্রতিযোগিতায় নেমেছিল। যেগুলো মাঝে মধ্যে হাসির উদ্রেক করেছে কিংবা জনমনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছে। এই সব প্রতিশ্রুতি আদতে বাস্তবায়ন সম্ভব কিনা, এমন প্রশ্ন তুলেছেন সবাই। সমস্যা হলো, ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, সেগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা কম থাকে। কোনো প্রতিশ্রুতি আগে, কোনটি পরে, তা নিয়ে জনগণের কাছে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছায় না। ফলে ভোটাররা বুঝতে পারেন না, দলটি সত্যিই তাদের দেওয়া অঙ্গীকার পূরণে কতটা অগ্রসর হয়েছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো জবাবদিহিতা। নির্বাচনি ইশতেহারকে আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক দলিল হিসেবে দেখা হয় না। ফলে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের জন্য রাজনৈতিক বা আইনি শাস্তির মুখে পড়তে হয় না দলগুলোকে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটই একমাত্র বড় জবাবদিহির মাধ্যম। কিন্তু ভোটারদের সামনে ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে নিরপেক্ষ ও সহজবোধ্য মূল্যায়ন খুব কমই হাজির করা হয়। রাজনৈতিক দলগুলোও সচরাচর নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের হার প্রকাশ করে না, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

এ ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যম, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি প্রচার নয়, বরং আগের ইশতেহারের কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে, তার তথ্যভিত্তিক পর্যালোচনা তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে ভোটাররা তুলনামূলক মূল্যায়ন করতে পারবেন। উন্নত গণতন্ত্রগুলোতে ম্যানিফেস্টো ট্র্যাকার বা প্রতিশ্রুতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে, যা আমাদের দেশেও চালু করা যেতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতিবদ্ধতার প্রশ্নে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়া থাকা জরুরি। অনেক সময় ইশতেহার প্রণয়ন করা হয় সীমিত পরিসরে; শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে।

তৃণমূলের মতামত, বিশেষজ্ঞ পরামর্শ বা বাস্তব তথ্যের প্রতিফলন সেখানে কম থাকে। ফলে ইশতেহার হয়ে ওঠে বেশি প্রচারধর্মী, কম কর্মযোগ্য। অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়ায় ইশতেহার তৈরি হলে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনাও বাড়ে। ভোটারদের মনস্তত্ত্বও এখানে ফ্যাক্টর। বড় প্রতিশ্রুতি ভোট টানতে সাহায্য করে, এটি রাজনৈতিক বাস্তবতা। তাই দলগুলো অনেক সময় জানার পরও যেসব প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবসম্মত নয়, তবু তা ইশতেহারে রাখে। এই প্রবণতা বদলাতে হলে ভোটারদের মধ্যেও বাস্তবসম্মত প্রত্যাশা ও নীতিনির্ভর ভোটদানের সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। ভোটারদের বাস্তবতা উপলব্ধি করতে হবে, প্রতিশ্রুতিদানকারী রাজনৈতিক দলটির পক্ষে কী এসব কাজ বাস্তবায়ন সম্ভব অথবা রাষ্ট্র, ভবিষ্যৎ সরকারের পক্ষে এসব আকাশকুসুম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার মতো আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে কিনা সেটা গুরুত্বসহকারে ভাবতে হবে।

যাই হোক, স্বৈরাচারী সরকারের বিদায় এবং তিন তিনটি ভোটারবিহীন নির্বাচনের পর একটি নতুন নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল ধরনের আয়োজন করা হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে। আমাদের প্রত্যাশা, এবার দীর্ঘদিন ধরে ভোট দিতে না পারা নিজের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে না পারার দুঃখ, অতৃপ্তি, অসন্তুষ্টি ঘুচে যাবে। সবাই শান্তিপূর্ণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়ে গণতান্ত্রিক উত্তরণে ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবেন।

 লেখক : অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকার ও কলামিস্ট

কেকে/এলএ















আরও সংবাদ   বিষয়:  ফেব্রুয়ারি   রায়   দেশ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close