সিলেটে শান্তিপূর্ণভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পন্ন হয়েছে। দিনভর জেলার কোথাও বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম দুপুর তিনটা পর্যন্ত ৪২ থেকে ৪৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। নগর থেকে নগরীর বাইরের কেন্দ্রগুলোতে ভোট বেশি পড়েছে বলে তিনি জানান।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, কয়েকটি কেন্দ্র ছাড়া অনেক স্থানে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। কিছু কেন্দ্র ফাঁকা দেখা যায়। অন্যদিকে চা শ্রমিক ও সংখ্যালঘু অধ্যুষিত কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কিছুটা বৃদ্ধি পায় বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
এছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রে ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা ও স্বতন্ত্র ট্রাক প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত থাকলেও অন্য প্রার্থীদের কোন এজেন্ট দেখা যায়নি।
সকাল ৯টার দিকে শারদা স্মৃতি ভবন কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন সিলেট-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অপরদিকে সকাল ৮টায় শিবগঞ্জ স্কলার্সহোম কেন্দ্রে ভোট দেন সিলেট-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।
এদিকে, ভোটগ্রহণ চলাকালে জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগে জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে জাল ভোট দেওয়ার সময় ১ জন এবং রনিখাই হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ১ জনকে আটক করে পুলিশ। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।
অপরদিকে, সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল নেতা নবীন চৌধুরীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর দর্শন দেউরি এলাকার জালালাবাদ আব্দুল গফুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথবাহিনীর একটি টিম তাকে আটক করে নিয়ে যায় বলে সূত্র নিশ্চিত করে। সকাল থেকে ওই কেন্দ্রের সামনে ছিলেন নাবিন রাজা।
কেকে/ এমএস