টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৩৩টি কেন্দ্রে জোরপূর্বক ভোটগ্রহণ করার অভিযোগ এনে পুনঃভোট গ্রহণ এবং সামগ্রিক ফলাফল স্থগিতের দাবি জানায়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গোপালপুর উপজেলার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন টাঙ্গাইল-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. হুমায়ুন কবীর।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর কর্মীরা বিভিন্ন কেন্দ্রে জামায়াতের পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা চালিয়ে মারপিট করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। নারী এজেন্টরাও নিরাপদ ছিলেন না। তাদের কয়েকজনকে আলাদা কক্ষে আটকে রেখে জিম্মি করে রাখা হয়। পরে স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
গোপালপুর উপজেলা জামায়াতের সহকারী সম্পাদক ইদ্রিস আলীকেও কেন্দ্র থেকে মারপিট করে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
জামায়াতের দাবি, উপজেলার ৩৩টি কেন্দ্রে জোরপূর্বক ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।
এ কারণে এসব কেন্দ্রে পুনঃভোট গ্রহণ এবং সামগ্রিক ফলাফল স্থগিতের দাবি জানান তারা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান তালুকদার, টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক শাহ আলম, এডভোকেট সাফিউল আলম, এবং সাবেক ছাত্রশিবির নেতা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
কেকে/এসএএস