সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় পেতে চলেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বিভিন্ন প্রার্থী ও তাদের প্রধান নির্বাচনি এজেন্টদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য থেকে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপির খন্দকার মুক্তাদির ৪২ হাজার ২২৩ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৯২ ভোট।
সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) আসনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর সহধর্মিনী তাহসিনা রুশদীর লুনা। জামায়াত জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ মুনতাসির আলীকে প্রায় ৮০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন তিনি। ধানের শীষ প্রতীকে লুনা পেয়েছেন ১ লাখ ১6 হাজার ৬৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৪৪৬ ভোট।
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) আসনে বিএনপির এম এ মালেক পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ২৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশের খেলাফত মজলিসের মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৬১৪ ভোট।
সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) আসনে ১২৫টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে বিএনপির আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৮৭৬ ভোট।
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াত জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি আবুল হাসান। ১৫৮টি কেন্দ্রের সবকটির ফলাফলে দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮২১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৬৪৪ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশিদ ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৬৯ ভোট।
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির এমরান আহমদ চৌধুরী। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৬১২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. সেলিম উদ্দিন পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭৪৮ ভোট।
কেকে/এলএ