মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
বিএনপিকে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে
রেজাউল করিম খোকন
প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৫ পিএম আপডেট: ১৪.০২.২০২৬ ৩:০৭ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। অবশেষে সবার কাক্সিক্ষত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসাহজনক পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যদিও ভোটগ্রহণের চিত্র সারা দেশের সব আসনে একই রকম ছিল না। 

ভোটার উপস্থিতি কোথাও ছিল বেশি, আবার কোথাও কম। বিচ্ছিন্ন কিছু অনিয়ম ও সহিংসতার খবরও পাওয়া গেলেও সামগ্রিক ভোটচিত্রে বড় ব্যত্যয় ঘটার মতো খবর পাওয়া যায়নি। সরকার পরিচালনার পাশাপাশি অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম গুরুদায়িত্ব ছিল একটি নির্বাচন আয়োজনের। জাতিকে একটি সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ নির্বাচন কমিশনের নেওয়া পদক্ষেপগুলো কার্যকর ছিল। সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর নানা উদ্যোগ ও তৎপরতা ভোটকেন্দ্রগুলোকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিয়েছে। এসব বিভিন্ন পদক্ষেপ ভোটারদের শঙ্কাহীন চিত্তে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করে দেয়। 

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশকে গণতন্ত্রে ফেরার যে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচন নানা দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলো প্রচারণার ক্ষেত্রেও যে সহনশীল ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করেছিল, ভোটের দিনও সেই ধারাবাহিকতা অব্যাহত ছিল। নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে উৎসাহিত করেছে। নারী ও তরুণ ভোটারের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সারা দেশে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও নির্বাচন চলাকালে পৃথক ঘটনায় কিছু অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লা, মুন্সীগঞ্জ ও গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কিছু জায়গায় পোলিং এজেন্টদের বাধা দেওয়া, জালভোট ও ব্যালটে সিল মারার অভিযোগও পাওয়া যায়। 

ভোটের আগের দিন কিছু আসনে কোনো কোনো দলের প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগও ওঠে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সহিংসতা ও অনিয়মের অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই প্রতিটি অভিযোগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রাথমিকভাবে নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে গুরুতর কোনো অনিয়মের অভিযোগ আসেনি। এবারের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রায় দুই যুগ পর সরকার গঠন করছে বিএনপি।

নির্বাচনে একটি পক্ষ বিজয়ী এবং আরেক পক্ষ পরাজিত হবে, সেটাই স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক রীতি। আমরা আশা করি, তফসিল ঘোষণার পর থেকে গত দুই মাসে রাজনৈতিক দলগুলো দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের প্রতি যে অঙ্গীকার দেখিয়েছে, নির্বাচনে ফলাফলের পরও তারা সেটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে।

বাংলাদেশের অতীত অভিজ্ঞতা বলে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনই শেষ কথা নয়; নির্বাচন-পরবর্তী শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করাও খুব বড় একটি চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে পরাজিত দল ও প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক এবং জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা যাতে কোনোভাবেই আক্রান্ত না হন, সেদিকে অন্তর্বর্তী সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সশস্ত্র বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। এবারের নির্বাচনের মধ্যদিয়ে গণতন্ত্রে উত্তরণের যে যাত্রা শুরু হলো, তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলেই দেশবাসী প্রত্যাশা করেন। গণতন্ত্রের এই যাত্রা সুদৃঢ় হোক।

 গত কয়েক মাসে ফেসবুকের ছোট বড় নানা জরিপের প্রত্যেকটিতেই জয়ী হয়েছিল জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন নির্বাচনি জোট। এরপর  বিভিন্ন ভার্সিটি ছাত্র সংসদের শিবির সমর্থিত প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় দেখে জনমনে অন্যরকম ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল। এদেশের সাধারণ মানুষ প্রকৃত ইসলামকে যেমন লালন করে। তেমনি প্রগতিশীলতাকেও। তাই এই আধুনিকমনস্ক নাগরিককে ধোঁয়াশায় রেখে কোনো স্পষ্ট সমাজব্যবস্থা আঁকতে না পেরেই শেষ পর্যন্ত ১১ দলীয় সেই জোট তাদের প্রত্যাশিত সাফল্য বা আসন লাভ করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই সঙ্গে এনসিপিকে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শিবিরে দেখে সচেতন নাগরিকরা সম্পূর্ণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।অথচ এই তরুণদের মধ্যে কী দারুণ সম্ভাবনাই না ছিল! আক্ষেপ হয় চব্বিশের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া টগবগে তরুণদের রাজনৈতিক দলটির জন্য। আর যে দেশে গার্মেন্টস কর্মীদের প্রায় শতভাগ কর্মী নারী। দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরায় যারা, তাদের ঘরে রাখার ঈষৎ শঙ্কাও যে কাল হতে পারে। এটা রাজনীতির মাঠের খেলোয়াড়রা ঠিকভাবে বুঝতেই পারেননি। নারী ভোটাররাই তাদের প্রত্যাশা পূরণে অনেকটা প্রতিকুলতা সৃষ্টি করেছে এমনটা  না হলে তারা আরও কিছু  বেশি আসন তারা পেতেন।

জামায়তে ইসলামীর আমিরকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাতে হয়। একজন দায়িত্বশীল, বিজ্ঞ, শিক্ষিত রাজনৈতিক নেতা হিসেবে খুবই প্রাজ্ঞ এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে দেশটা স্থিতিশীল, শান্ত সুশৃঙ্খল রাখার মতোই বক্তব্য দিয়েছেন। অতীতের মতো আশানুরূপ ফলাফল করতে না পারায় নির্বাচনের বর্জন, ফলাফল প্রত্যাখ্যান, অরাজকতা সৃষ্টির আন্দোলনের গতানুগতিক মনোভাব প্রদর্শন করেননি তিনি এখন পর্যন্তও। এবারের নির্বাচনে টগবগে আপসহীন তরুণ হাসনাত আব্দুল্লাহর বিজয় সবাইকে আনন্দ দিয়েছে খুব। এর পাশাপাশি তাসনীম জারার মতো রুচিশীল, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, প্রগতিশীল, আধুনিক মনস্ক পরিশ্রমী অদম্য মেয়েটা জিতবে,  অনেকেরই এমনটা প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তার নির্বাচনি কৌশল আরও বাস্তবসম্মত, জোরালো এবং শক্তিশালী হলে হয়তো ভালো করতে পারতেন তিনি।

এদেশের মানুষ ধর্মভীরু তবে ধর্মান্ধ নন। এটা বারবার পরিশ্রমী নাগরিকরা প্রমান করেছে। পৃথিবীতে সবচেয়ে ধৈর্য শক্তিসম্পন্ন মানুষ এই বাংলাদেশের। যারা এত এত দুঃখ, দমন, পীড়নের ভেতরেও হাসতে পারে। ফ্যাসিজম এক বিরাট ভাইরাসের মতো রোগ। এইটা সহজে বিলীন হয়ে যাবার মতো জিনিস নয়। তাই দীর্ঘ বছরের অত্যাচার, নিপীড়ন সহ্য করে তারেক রহমানের পরিবার এক নতুন, স্থিতিশীল বাংলাদেশ পরিচালনা করবে। এটাই  আমাদের সবার আকুল চাওয়া। 

এদেশে দীর্ঘদিন ধরে পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়েছে রাজনীতির উঠোনের ভাই বোনেরা। সেটা ফেরানো একান্ত জরুরি। ‘জাতীয় ঐক্য’ বলে একটা টার্ম দরকার প্রতিটি রাষ্ট্রের। একটা দেশের ভেতরে সরকারি, বিরোধী, আমলা, প্রশাসক, এমনকি তৃণমূলেও তুমুল বিরোধ থাকতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যে তারা থাকবেন একাট্টা। সেটা স্পষ্ট থাকতে হবে। আজকের বিশ্বে উন্নত, আধা উন্নত প্রায় প্রতিটি দেশেই রয়েছে এটা। এদেশে নিশ্চয়ই সেই সংস্কৃতিটা প্রতিষ্ঠা করবেন আমাদের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই কাজটা একদিনে হয়ে যাবার মতো ব্যাপার নয় । কিন্তু একটা রাষ্ট্রের ভিত শক্ত করার জন্য এই জাতীয় ঐক্যের চর্চা প্রতিষ্ঠা তারেক রহমানের ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’-এর মধ্যে না থাকলে দেশ আর এগোবে না। আমরা চাই, তিনি এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেবেন। নিজ দলের সহযোগী অন্যান্য অনেক পুরোনো ধ্যান-ধারণার বাহক নেতাদের ভুল পরামর্শ না শুনে আধুনিক সময়ের উপযোগী নতুন ধারার রাজনীতির সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা পালন করবেন। ঐক্যমতের ভিত্তিতে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার বিকল্প আর কী হতে পারে? এটাই একটা শক্ত রাষ্ট্রেকে যে কোনো ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে পারে নিশ্চিতভাবে। এর নামই ‘জাতীয় ঐক্য’। 

বড় আফসোস, প্রায় ষাট বছর বয়সি এই বাংলাদেশের আজ অব্দি জাতীয় ঐক্যের বীজটাও বপন হলো না। বাংলাদেশে জাতীয় ঐক্যর প্র্যাকটিস ম্যাচও যদি তারেক রহমান চালু করতে পারেন, সেটা হবে এক অনন্য ব্যাপার। এর মাধ্যমে নতুন এক বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটতে পারে। আগামী ৫০ বছরে দেশটা শক্ত ভিতের ওপরে দাঁড়িয়ে যেতে পারে। তা নাহলে এদেশ প্রতিবার বিদেশি মুরুব্বি তথাকথিত বিশ্ব মোড়লদের হাতের ক্রীড়ানক হয়ে থাকবে। বিদেশি প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চলতে হবে আমাদের, তারা বারবার তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে নানা খেলা খেলতে চেষ্টা করবে।

তারেক রহমান জীবনে কখনো দেশে ফিরে আসবেন না, বিদেশে বাকি জীবন কাটিয়ে দেবেন- এমন কথা বলতেন যারা তাদের মুখে চুনকালি পড়েছে। এখন উল্টো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার নিতে চলেছেন তিনি। মাত্র ৬০ বছর বয়সে এত বড় দায়িত্ব নিতে চলেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান আধুনিকমনস্ক, স্মার্ট, তরুণ প্রজন্ম, প্রবীণ প্রজন্ম ,সব বয়সি নারী পুরুষ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এই রাজনৈতিক নেতা। হয়ে যাওয়া জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কিছু কিছু বিতর্ক, সমালোচনা হয়তো থাকবে। 

অতীতে আমরা সবাই অনেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেখেছি এদেশে। তবে ছাব্বিশের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনন্য নির্বাচন হিসেবে বাংলাদেশের ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছে। এবারের নির্বাচনের দিন কিছু সহিংসতা হলেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। অথচ নির্বাচনের আগে কতো কি আশঙ্কা ছিল! কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ প্রমাণ করেছে, সবার সদিচ্ছা থাকলে, সবাই আন্তরিক হলে রাষ্ট্রের প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি সঠিকভাবে নিরপেক্ষ দায়িত্বপালনে কঠোর থাকে তাহলে যে কোনো ধরনের নাশকতা, সন্ত্রাস, অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করে একটি দারুণ সুন্দর নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব। এজন্য তারা অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। জাতি তাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। 

যাই হোক দেশে বিদেশি, স্বদেশি, সুপ্ত, গুপ্ত সুশীলরা কিন্তু বসে নেই। তাদের ষড়যন্ত্র চলমান রয়েছে। এই ষড়যন্ত্রকারীদের কীভাবে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুরাজনীতি দিয়ে সামাল দেবেন, সেটাই তার জন্য একটি অগ্নিপরীক্ষা সন্দেহ নেই।  তারেক রহমান ঠিক তার পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো তলাবিহীন ঝুড়ির এক বাংলাদেশ নিয়ে ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে যাত্রা শুরু করলেন। অসাধারণ একজন রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমানকে টিকতে দেয়নি ষড়যন্ত্রকারী শকুনেরা। 

আজকের বাংলাদেশে সব ধরনের ষড়যন্ত্র, প্রতিকূলতা অতিক্রম করে তারেক রহমানকে টিকে থাকতে হবে। তার টিকে থাকাটা খুবই জরুরি বাংলাদেশের জন্য। তা না হলে আর কোনো ভরসা থাকবে না  আমাদের এদেশ নিয়ে। বিরাট শঙ্কা এখানেই। আমরা মনেপ্রাণে চাই, বাংলাদেশ ভালো থাকুক। দেশটিকে ভালো রাখার দায়িত্ব ৩০০ আসনের সব মানুষের এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের। বারবার আশা ভঙ্গ হতে হতে আমরা ক্লান্ত এক দুঃস্বপ্নে বাস করছি। ক্লান্ত চোখে তাই চেয়ে আছি নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  বিএনপিম প্রতিশ্রুত বাস্তবায়ন  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close