ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোটও তারা কেউ পাননি।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংসদ নির্বাচনের জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের স্বাক্ষরিত ভোটের ফলাফলপত্র যাচাই করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
জামানত বাজেয়াপ্তদের মধ্যে আলোচিত প্রার্থীরা হলেন—লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে তারা প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আ ন ম মঞ্জুর মোর্শেদ, নুরুল হুদা চৌধুরী, বাসদের মিলন কৃষ্ণ মন্ডল, গণঅধিকার পরিষদের রেদোয়ান উল্লাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল।
রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত ফলাফলপত্র যাচাই করে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী বিএনপির সহ-শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান ১ লাখ ১৫ হাজার ১৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এআর হাফিজ উল্যাহ ৭৩ হাজার ৭৫৬ ভোট পেয়েছেন।
এ ছাড়া আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আ ন ম মঞ্জুর মোর্শেদ ৩৯৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের খালেদ সাইফুল্লাহ ২১ হাজার ১০৩ ভোট, জেএসডির তানিয়া রব ২২ হাজার ৪০ ভোট, স্বতন্ত্র নুরুল হুদা চৌধুরী ৪২২ ভোট, বাসদের মিলন কৃষ্ণ মন্ডল ৪৪০ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের রেদোয়ান উল্লাহ ২৫৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ৪১১ ভোট পেয়েছেন।
আসনটির ৪ লাখ ১৮ হাজার ১৫৮ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৬৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এখানে ৫৭ দশমিক ৬৩ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে জামানত ফিরে পেতে প্রার্থীদের সর্বনিম্ন প্রায় ৩০ হাজার ১২০ ভোট পেতে হতো।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনিতে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ার ফলে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
কেকে/এলএ