মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর       কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী      রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
ভোটের বিজয় থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা : কতটা প্রস্তুত নতুন সরকার?
সুলতান মাহমুদ সরকার
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:২২ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

সম্প্রতি শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬। এ নির্বাচনটি ছিল কেবল একটি সাংবিধানিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি ছিল বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক ঐতিহাসিক বাঁক। বহু বছরের রাজনৈতিক টানাপোড়েন, অনাস্থা, দমন-পীড়ন, ভোটাধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর জনগণের আস্থাহীনতার যে প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, এ নির্বাচন তার ভেতর দিয়ে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। 

মানুষের মনে দীর্ঘদিন ধরে যে জমে থাকা ক্ষোভ, হতাশা, অবিশ্বাস এবং একইসঙ্গে পরিবর্তনের আকাক্সক্ষা কাজ করছিল, এ নির্বাচন ছিল তার এক প্রকাশ্য বহিঃপ্রকাশ। বহু বছর ধরে ভোট দিতে না পারার যে ব্যাকুলতা মানুষের মনে দগদগে ক্ষতের মতো ছিল, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের পছন্দের প্রতীকে সিল মারার যে সহজ অথচ গভীর মর্যাদাবোধ, সেই অনুভূতিকে আবারও ফিরে পাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের কাছে ছিল আবেগঘন। 

গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি এখানে- একজন সাধারণ নাগরিকও রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে অংশ নিতে পারে। এই নির্বাচন সেই অনুভূতিকে নতুন করে জাগ্রত করেছে।

বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্রের জন্য অপেক্ষা করেছে। অপেক্ষা করেছে একটি অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের জন্য। মানুষের মনে যে প্রশ্ন বারবার ঘুরে ফিরেছে- ‘আমার ভোট কি সত্যিই গণনা হবে?’ এই নির্বাচন সেই প্রশ্নের জবাব খোঁজার একটি বাস্তব প্রয়াস। গণতন্ত্র কেবল সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া নয়; এটি একটি মূল্যবোধ, একটি সংস্কৃতি, একটি চর্চা। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যেখানে জনগণের ইচ্ছাই রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি। এই নির্বাচন সেই মূল্যবোধকে পুনরুজ্জীবিত করার একটি সুযোগ এনে দিয়েছে।

এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করছে। অপরদিকে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকছে বিএনপির এক সময়ের বন্ধু বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি। এরকম একটি নির্বাচিত ও শক্তিশালী বিরোধী দল থাকায় সংসদে আবারও বিতর্ক, প্রশ্ন, মতবিরোধ ও নীতিগত আলোচনা ফিরে আসবে- এই প্রত্যাশা জনগণের মনে আশাবাদের সঞ্চার করেছে। দীর্ঘদিন ধরে একতরফা সংসদ, কার্যত অনুপস্থিত বিরোধী শক্তি এবং প্রশ্নহীন আইন প্রণয়নের যে সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা মানুষ এখন দেখতে পাচ্ছে।

আজ একটি সম্পূর্ণ নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে জনগণ। দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার ভেদ করে মানুষ দিন বদলের প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছে। ভয়, দমন-পীড়ন, গুম-খুন, কণ্ঠরোধ, প্রশাসনিক হয়রানি ও রাজনৈতিক একচ্ছত্রতার যে পরিবেশ তৈরি হয়েছিল, তা থেকে মুক্ত একটি রাষ্ট্রের কল্পনা আজ মানুষের চোখে স্পষ্ট। কিন্তু এখানেই আসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, এই স্বপ্ন কি সহজেই বাস্তবায়িত হবে? নাকি সামনে রয়েছে কঠিন ও বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ?

নতুন সরকারের সামনে পথ মোটেও মসৃণ নয়। বরং এই পথ কণ্টকময়, জটিল ও পরীক্ষাসমৃদ্ধ। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন, প্রশাসনিক জড়তা, অর্থনৈতিক সংকট, সামাজিক বৈষম্য, দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ- এসব বাস্তবতা বিদ্যমান। পাশাপাশি রয়েছে বহির্বিশ্বের চাপ, আঞ্চলিক রাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্যের কঠিন সমীকরণ। ক্ষমতায় আসা যতটা সহজ, ক্ষমতার নৈতিকতা ধরে রাখা তার চেয়ে বহু গুণ কঠিন।

নতুন সরকারের প্রথম এবং সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে প্রকৃত অর্থে জনগণের সরকার হয়ে ওঠা। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়া এক বিষয়; কিন্তু জনগণের জন্য, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী শাসন করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। জনগণ এখন এমন একটি সরকার চায়, যে সরকার রাষ্ট্রকে দলীয় সম্পত্তি হিসেবে বিবেচনা করবে না। যে সরকার ক্ষমতাকে ভোগের উপকরণ হিসেবে নয়, দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে দেখবে।

এখানে রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলীয়করণ, পক্ষপাতিত্ব, প্রতিহিংসা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে। জনগণ এখন বিভক্তির রাজনীতি নয়, সমন্বয়ের রাজনীতি চায়।

প্রশাসনিক সংস্কার নতুন সরকারের জন্য একটি বড় পরীক্ষা। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রশাসনকে পেশাদার, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা জরুরি। আমলাতন্ত্র যেন নীতিনির্ধারকের স্থলাভিষিক্ত না হয় এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নির্দেশনা উপেক্ষা করে নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়ন না করে- এই ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। বিচার বিভাগকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। বিচার যেন রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার না হয়, আবার ক্ষমতাবানদের রক্ষাকবচেও পরিণত না হয়- এই সূক্ষ্ম ভারসাম্য রক্ষা করাই হবে সরকারের দক্ষতার প্রমাণ। মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক নিরাপত্তা- এসব মৌলিক বিষয় বাস্তবে নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্রের সাফল্য কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে কঠিন বাস্তবতা। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, ঋণের বোঝা, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, ঋণ খেলাপি সংস্কৃতি এসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে। অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে হলে কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা, ব্যয় ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা অপরিহার্য। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নীতির ধারাবাহিকতা না থাকলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারায়। 

ঋণ খেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আর্থিক খাত কখনোই শক্তিশালী হবে না। অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা না হলে সামাজিক উন্নয়নও ব্যাহত হবে। দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমানো হবে সরকারের সামাজিক দায়বদ্ধতার কেন্দ্রবিন্দু। উন্নয়ন কেবল পরিসংখ্যানের বিষয় নয়; এটি মানুষের জীবনের বাস্তব পরিবর্তনের প্রশ্ন। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে না পারলে উন্নয়নের দাবি অর্থহীন হয়ে যাবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার না বানিয়ে প্রকৃত দরিদ্রের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

শিক্ষাব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার সময়ের দাবি। শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, শিক্ষার মানোন্নয়ন, গবেষণা সংস্কৃতি, প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা এবং মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। তরুণ সমাজকে বেকারত্বের হতাশা থেকে মুক্ত করতে হলে কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা ও শিল্পখাতের সম্প্রসারণ প্রয়োজন।

দুর্নীতি প্রতিরোধ নতুন সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতার প্রধান সূচক হবে। দুর্নীতি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতি নয়; এটি ন্যায়বিচার ও সামাজিক আস্থাকে ধ্বংস করে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য। সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রাণ। গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করলে সত্য চাপা পড়ে, কিন্তু সমস্যা দূর হয় না। বরং রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে দূরত্ব বাড়ে। নতুন সরকারকে সমালোচনাকে ভয় না পেয়ে তা গ্রহণ করার মানসিকতা দেখাতে হবে।

বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদকে কার্যকর করতে হলে বিতর্ক, মতবিরোধ ও সমালোচনাকে স্বাগত জানাতে হবে। সব দল ও মতের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার মানসিকতা ছাড়া জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব নয়। বহির্বিশ্বের চ্যালেঞ্জও কম নয়। আঞ্চলিক ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং কূটনৈতিক ভারসাম্যের জটিলতা নতুন সরকারের সামনে কঠিন সমীকরণ তৈরি করবে।

পররাষ্ট্রনীতিতে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে ন্যায্যতার ভিত্তিতে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং সব দেশের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকা এবং বাণিজ্যিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা জরুরি। রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রবাসী আয়ের সুরক্ষা এবং নতুন বাজার অনুসন্ধান প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক ইস্যুতেও কৌশলগত পরিকল্পনা নিতে হবে।

সবশেষে, নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা স্বীকার করা এবং আত্মসমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলা। ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এই বোধ যদি নেতৃত্বের মধ্যে থাকে, তবে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে। জনগণ যে স্বপ্ন নিয়ে ভোট দিয়েছে, সেই স্বপ্নের মর্যাদা রক্ষা করাই হবে নতুন সরকারের প্রকৃত পরীক্ষা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ একটি সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। কিন্তু সম্ভাবনা নিজে নিজে বাস্তবতায় রূপ নেয় না। তার জন্য প্রয়োজন সততা, দূরদর্শিতা, দক্ষতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা। নতুন বাংলাদেশ কেবল একটি স্লোগান নয়; এটি একটি ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। ন্যায়, সমতা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার রক্ষা করতে পারলে নতুন সরকার ইতিহাসে স্থান করে নেবে পরিবর্তনের স্থপতি হিসেবে। আর যদি ব্যর্থ হয়, তারাও হয়ত ইতিহাসের কালচক্রে খলনায়ক হিসেবেই বিলীন হয়ে যাবে। তাই আজকের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন- ক্ষমতার আসনে বসে নতুন সরকার কি ক্ষমতার চরিত্র বদলাতে পারবে, নাকি ক্ষমতাই আবার তাদের বদলে দেবে? সময়ের উত্তরই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পথরেখা।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোটের বিজয়   রাষ্ট্র পরিচালনা   কতটা প্রস্তুত   নতুন সরকার   সুলতান মাহমুদ সরকার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close