১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশে এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা শপথগ্রহণ করেছে। এই মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, যা দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের বার্তা দেয়। রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং জনকাক্সক্ষা পূরণের কঠিন চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে গঠিত এই মন্ত্রিসভার গঠনতন্ত্র, সদস্যদের পূর্ব রেকর্ড এবং দক্ষতাভিত্তিক বণ্টনের একটির বিশ্লেষণাত্মক ও গবেষণাভিত্তিক ব্যবচ্ছেদ করা জরুরি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শিক্ষাগত যোগ্যতাকে প্রায়শই গৌণ করে দেখা হলেও এবারের মন্ত্রিসভায় পেশাদারিত্বের একটি ছাপ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে ড. খলিলুর রহমানের নিযুক্তি শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার গুরুত্বকে সামনে এনেছে। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ বা আনুগত্যকে অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষায়িত জ্ঞান নেই এমন ব্যক্তিদেরও গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
একটি বিজ্ঞানমনস্ক ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের জন্য মন্ত্রীদের কেবল রাজনৈতিক প্রজ্ঞা নয়, বরং সংশ্লিষ্ট খাতের গভীর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা অপরিহার্য, যা এই মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যের ক্ষেত্রে এখনো প্রমাণের অপেক্ষায় রয়েছে।
বয়স বিভাজনের ক্ষেত্রে এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ প্রবীণ এবং উদ্যমী নবীনের একটি মিশ্রণ ঘটানোর চেষ্টা দেখা গেছে।
একদিকে যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বা হাফিজ উদ্দিন আহমেদের মতো প্রবীণ রাজনীতিবিদরা রয়েছেন, অন্যদিকে জোনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নূরের মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন। এই ভারসাম্য নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা এবং তা বাস্তবায়নে তরুণদের গতিশীলতাকে কাজে লাগাতে পারে। তবে শঙ্কার বিষয় হলো, নীতিনির্ধারণী উচ্চতর পর্যায়ে তরুণদের সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কতটা থাকবে বা তারা কেবল অলঙ্কারিক অবস্থানে থাকবেন কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে।
অতীত রেকর্ড এবং মামলার বোঝা বাংলাদেশের রাজনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা এবারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের ক্ষেত্রেও দৃশ্যমান। গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের ফলে প্রায় প্রতিটি সদস্যই অসংখ্য মামলার আসামি ছিলেন, যার মধ্যে অনেকগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তারা দাবি করেন।
তবে জনস্বার্থে গঠিত একটি মন্ত্রিসভার নৈতিক গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির ওপর। যদি ব্যক্তিগত দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা ব্যক্তিরা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে থাকেন, তবে তা সুশাসনের পথে অন্তরায় হতে পারে। ১৭ ফেব্রুয়ারির এই মন্ত্রিসভায় এমন কিছু মুখ রয়েছেন যাদের অতীত ব্যবসায়িক বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে অতীতে বিতর্ক ছিল, যা নতুন সরকারের জন্য একটি নৈতিক চ্যালেঞ্জ।
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের নিয়োগ বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যখন রাষ্ট্রীয় জটিলতা নিরসনে বিশেষায়িত জ্ঞানের প্রয়োজন হয়। এবারের মন্ত্রিসভায় ড. খলিলুর রহমান এবং মোহাম্মদ আমিনুর রশিদের মতো টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীদের অন্তর্ভুক্তি ইতিবাচক ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া ১০ জন উপদেষ্টার নিয়োগ, যাদের মধ্যে অর্থনীতিবিদ রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহর মতো বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন, তা প্রশাসনিক গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।
কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা বলে, রাজনৈতিক মন্ত্রীদের চাপে টেকনোক্র্যাটরা প্রায়শই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন না, যা এই উদ্যোগের প্রকৃত সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে এ এন এম এহসানুল হক মিলনের প্রত্যাবর্তন একটি বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ইতঃপূর্বে নকলবিরোধী অভিযানে তার কঠোর ভূমিকা প্রশংসিত হলেও বর্তমান সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার এবং গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি কতটা আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন, তা দেখার বিষয়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং আইসিটি খাতের দায়িত্বে ফকির মাহবুব আনামের নিযুক্তি ইঙ্গিত দেয় যে, সরকার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন গঠনে আগ্রহী। কিন্তু চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং উদ্ভাবন ও গবেষণায় বাজেট বরাদ্দ বাড়ানো এবং মেধা পাচার রোধে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ এই মন্ত্রণালয়ের সফলতার মানদণ্ড হবে।
আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্ব বা জেলা ও বিভাগ ভিত্তিক সংখ্যাতত্ত্বের বিচারে মন্ত্রিসভায় ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম থেকে আমীর খসরু, সিলেট থেকে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং রাজশাহী থেকে মিজানুর রহমান মিনুর মতো নেতাদের অন্তর্ভুক্তি আঞ্চলিক উন্নয়ন বৈষম্য কমানোর প্রত্যাশা তৈরি করে।
কিন্তু বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতার কেন্দ্রিকতা বা ‘ঢাকা-কেন্দ্রিক’ নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ার কারণে প্রান্তিক অঞ্চলের মন্ত্রীরা প্রায়শই নিজ এলাকার জনদুর্ভোগ লাঘবে ব্যর্থ হন। একটি জনবান্ধব মন্ত্রিসভার বৈশিষ্ট্য হলো ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধান করা, যা এই মন্ত্রিসভার জন্য একটি বড় পরীক্ষা।
অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতা একটি মন্ত্রিসভার স্থায়িত্ব এবং সংকটের সময় সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, মুদ্রাস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের নাজুক অবস্থায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের দূরদর্শী সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জরুরি। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তির ওপর এই ভার ন্যস্ত হলেও বাজারের ওপর সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ভাঙা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা নিশ্চিত করা হবে তার মূল চ্যালেঞ্জ। দূরদর্শিতার অভাব থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং অদূরদর্শী পরিকল্পনা গ্রহণ জনগণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি করতে পারে, যা মন্ত্রিসভার অযোগ্যতার লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় দাবি। জনগণের পালস বুঝতে না পারা বা জনদুর্ভোগে উদাসীন থাকা একটি অযোগ্য মন্ত্রিসভার প্রধান বৈশিষ্ট্য। ১৭ ফেব্রুয়ারি গঠিত মন্ত্রিসভায় দুর্নীতি দমন এবং প্রতিটি কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রয়োজন। যদি মন্ত্রীরা কেবল দলীয় প্রভাব বজায় রাখতে ব্যস্ত থাকেন এবং চাটুকারিতাকে প্রশ্রয় দেন, তবে স্বচ্ছতার আদর্শটি কেবল কাগুজে রূপেই থেকে যাবে। বিশেষ করে বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই হবে জবাবদিহিতার প্রকৃত প্রমাণ।
প্রযুক্তি জ্ঞান এবং বিজ্ঞানমনস্কতা আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলভিত্তি। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে জহির উদ্দিন স্বপন এবং আইসিটি খাতে ফকির মাহবুব আনামের সমন্বয়ে ডিজিটাল অবকাঠামো ও তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার সুযোগ রয়েছে। তবে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিরোধীদের দমন বা তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করলে তা হবে পশ্চাদপদতা।
জনসম্পৃক্ততা ও মানবাধিকার রক্ষা একটি কার্যকর মন্ত্রিসভার অপরিহার্য গুণ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে সালাউদ্দিন আহমদের নিযুক্তি এবং আইন মন্ত্রণালয়ে মো. আসাদুজ্জামানের ভূমিকা অত্যন্ত সংবেদনশীল। গত দেড় দশকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে ক্ষত তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে এই দুই মন্ত্রণালয়কে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিতে হবে। বিরোধীদের দমনে অতি-উৎসাহী হওয়া বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতা মন্ত্রিসভার গ্রহণযোগ্যতাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে পারে। জনগণের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই হবে এই মন্ত্রিসভার অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করা নতুন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা। ড. খলিলুর রহমানের মতো অভিজ্ঞ কূটনীতিককে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বসানো হয়েছে একটি বিজ্ঞানসম্মত ও স্বার্থ-নির্ভর পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের লক্ষ্যে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করা তার প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। একই সঙ্গে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কর সংস্কার এবং পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার মতো কঠোর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের সমর্থন ধরে রাখা কঠিন হবে।
শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আরিফুল হক চৌধুরীর অন্তর্ভুক্তি বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ শ্রম বাজারের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দেয়। অন্যদিকে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আমিনুর রশিদের ভূমিকা সরাসরি সাধারণ মানুষের ডাল-ভাতের সঙ্গে যুক্ত। এই মন্ত্রণালয়গুলো যদি বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় বা কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে না পারে, তবে সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা দ্রুত কমে যাবে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা বজায় রাখাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য।
নারী ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আফরোজা খানম রিতা এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুলের নিযুক্তি মন্ত্রিসভায় লিঙ্গীয় ভারসাম্য ও সামাজিক নিরাপত্তার দিকটি তুলে ধরে। তবে মন্ত্রিসভায় নারী সদস্যের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম থাকা একটি অপূর্ণতা হিসেবে দেখা যেতে পারে। মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই মন্ত্রণালয়গুলোকে কেবল অনুদান বিতরণে সীমাবদ্ধ না থেকে নারীদের ক্ষমতায়ন ও শিশুদের সুরক্ষায় বৈপ্লবিক আইনগত সংস্কার আনতে হবে।
পরিশেষে বলা যায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ গঠিত এই মন্ত্রিসভা একটি বিশাল প্রত্যাশা ও সংকটের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। এই নিবন্ধে বিভিন্ন উপায়ে একটি কার্যকর মন্ত্রিসভা চেনার যে মানদণ্ডগুলো উপরে আলোচিত হয়েছে, তার আলোকে বিচার করলে দেখা যায়, এখানে অভিজ্ঞতার সমাহার থাকলেও দূরদর্শিতা ও সততার পরীক্ষা এখনো বাকি।
মন্ত্রিসভার প্রতিটি অনুচ্ছেদ ও সদস্যের কার্যক্রম যদি জনস্বার্থের বিপরীতে যায় বা দুর্নীতির পুরোনো রেকর্ড ফিরে আসে, তবে তা হবে জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। একটি বিজ্ঞানমনস্ক, স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা উপহার দেওয়াই হবে এই মন্ত্রিসভার ঐতিহাসিক দায়িত্ব। জনগণের আস্থা অর্জন এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারলে তবেই এই ‘পোস্টমর্টেম’ রিপোর্টে এই মন্ত্রিসভাকে সফল হিসেবে গণ্য করা সম্ভব হবে।
লেখক : প্রাবন্ধিক
কেকে/এলএ