ফাগুনের শুরুতেই গ্রামগঞ্জের আমগাছগুলো মুকুলে ছেঁয়ে গেছে। মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে মৌমাছিরা ঝাঁকে ঝাঁকে আসছে মধু আহরণে। তাই এ বছর আমের আশানুরূপ ফলনের স্বপ্ন দেখছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলাবাসী।
উপজেলার আটটি ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে, পাড়া-মহল্লায়, বাড়িতে বাড়িতে ও রাস্তায় রয়েছে হরেক রকমের আম গাছ। প্রতিটি গাছ মুকুলে ভরে গেছে। যাবতীয় ফলের মধ্যে আম অন্যতম একটি ফল। আজও একটি প্রথা এই এলাকায় বিরাজ করছে, আম-দুধ দিয়ে জামাই আদর করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আম খাওয়ার ধুম পড়ে থাকে। তাই আমের প্রতি অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, অন্যান্য ফলের চেয়ে আম একটি সুস্বাদু ফল। আম খাওয়া ছাড়াও, এটি বাজারে বিক্রি করে আয় করা যায় অর্থ। যা দিয়ে অনেকেই স্বাচ্ছন্দ্যে সংসার চালাতে পারে। এজন্য আম গাছ বেশি করে লাগানো হয়ে থাকে। আগের চেয়ে এবছর আমগাছে মুকুল অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। আমগাছের মুকুল ধরে রাখতে প্রতিটি গাছের যত্ন নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার আম চাষী বিল্লাল হোসেন ও রবিন মিয়া খোলা কাগজকে জানান, এবার আমগাছে প্রচুর মুকুল দেখা যাচ্ছে। মুকুল ভাল রাখার জন্য গাছে ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে। ছত্রাক থেকে যদি মুকুল রক্ষা পায় তাহলে আমের ফলন ভাল হবে। এছাড়াও অনেক দরিদ্র পরিবার আছে, যারা বাড়িতে থাকা গাছের আম বিক্রি করে তিন মাসের সংসার চালিয়ে থাকেন।
কেকে/এসএ