নীলফামারীর জলঢাকায় নকল ওষুধ বাজারজাত করার অপরাধে মৃনাল অধিকারী নামের এক যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার রাত ৯টার দিকে ভ্রাম্যমান আদালতে ওই সাজা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত মৃনাল অধিকারী জেলার ডিমলা উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চাপানী গ্রামের প্রতাপ অধিকারীর ছেলে।
অভিযোগ মতে, সোমবার রাত ৯টার দিকে জলঢাকা উপজেলা শহরের অনিন্দ্য ফার্মেসীতে একটি কোম্পানীর (স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যাল) বিক্রয় প্রতিনিধি পরিচয়ে নকল ওষুধ (জিম্যাক্স-৫০০) বিক্রি করতে আসেন মৃনাল অধিকারী নামের ওই যুবক। এসময় ফার্মেসীর মালিক ও বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি (বিসিডিএস) জলঢাকা উপজেলা শাখার সভাপতি মাহবুবার রহমান মনির ওই ওষুধ নকল বলে সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এসময় যুবক ওষুধ ফেলে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মাহদি হাসান।
বিসিডিএস জলঢাকা শাখার সভাপতি মাহবুবার রহমান মনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “নকল ‘জিম্যাক্স-৫০০’ ওষুধের ৪৮টি বক্সসহ (প্রতি বাক্সে ১৪ পিস) ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর প্রতিনিধিকে খবর দেওয়া হলে তিনি এসে ওষুধটি নকল বলে নিশ্চিত করেন। রাতেই ওই যুবককে নকল ওষুধসহ ভ্রাম্যমান আদালতে দেওয়া হয়।”
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম বলেন, “সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। আদালতে দায় স্বীকার করায় ওই যুবকের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালতের বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্তকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”
কেকে/এজে