মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিশ্বনেতাদের জলবায়ু সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর       কোনো রোগী যেন চিকিৎসার অভাবে দুর্ভোগে না পড়ে : সমাজকল্যাণমন্ত্রী      রাজধানীর টেকনিক্যাল মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণ      হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      
দেশজুড়ে
ফটিকছড়িতে প্রধান শিক্ষক ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার মধ্যে হাতাহাতি
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
প্রধান শিক্ষককে পেছন থেকে ধরে রাখছেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা | ছবি : খোলা কাগজ

প্রধান শিক্ষককে পেছন থেকে ধরে রাখছেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা | ছবি : খোলা কাগজ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় একটি বিল সংক্রান্ত জটিলতাকে কেন্দ্র করে ফটিকছড়ি করোনেশন মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। 

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের হিসাবরক্ষকের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য কার্যালয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, করোনেশন মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন একটি পুরোনো বিল উত্তোলনের উদ্দেশ্যে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে যান। সেখানে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলাম বিল সংক্রান্ত নথিপত্রে বিদ্যমান কিছু আইনি জটিলতার বিষয় তুলে ধরেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে খবর পেয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং দুপক্ষকে আলাদা করে দেন।

প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জসিম উদ্দিন বলেন, “বেতন সংক্রান্ত বিল ফরম নিয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়েছিলাম। কিন্তু বিলটি নিষ্পত্তি না করে বিভিন্ন অজুহাতে আমাকে হয়রানি করা হয়। এতে আমি বিরক্ত হয়ে বিল ফরম নিয়ে চলে আসতে চাইলে আমাকে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।”

উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা এ কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, “তিনি (জসীম উদ্দিন) দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। ওই সময়কার কিছু বিল ফরম নিয়ে তিনি অফিসে আসেন। তবে বিলগুলোর সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিল না—তাই আমরা তা গ্রহণ করতে পারিনি। পরে তিনি অফিস থেকে তার পূর্ববর্তী বিদ্যালয়ের কিছু নথি নিয়ে চলে যেতে চাইলে আমরা বাধা দিই। এ সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ড. সেলিম রেজা বলেন, “হাতাহাতির খবর পেয়ে হিসাবরক্ষণ অফিসে গিয়ে প্রাথমিকভাবে পরিস্থিতি শান্ত করেছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মো. ইব্রাহিম বলেন, “উভয় পক্ষের মধ্যে কিছু ভুল বোঝাবুঝির কারণে ঘটনাটি ঘটেছিল। পরে বিষয়টি পরিষ্কার হলে দুই পক্ষই তা উপলব্ধি করে একে অপরের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।”

কেকে/এজে



আরও সংবাদ   বিষয়:  প্রধান শিক্ষক   হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা   হাতাহাতি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close