দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক মানচিত্রে ২০২৬ সাল একটি অনন্য ও যুগান্তকারী বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এই এক বছরেই নেপাল ও বাংলাদেশে দুটি ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক মেরুকরণ বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। একদিকে হিমালয় কন্যা নেপালে ৫ মার্চের নির্বাচনে এক অভাবনীয় বিপ্লব ঘটেছে, যেখানে প্রথাগত রাজনৈতিক অচলায়তন ভেঙে অভ্যুত্থানকারী নতুন শক্তি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আরোহণ করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিত্বকারী দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি ১১ দলীয় জোটের অংশ হয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যালট যুদ্ধে অনেকটা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
এই দুটি ভিন্নধর্মী ফলাফলের পেছনে কাজ করেছে গভীর রাজনৈতিক মনস্তত্ত্ব, সততা, সাংগঠনিক কৌশল এবং জনগণের আকাক্সক্ষার ভিন্নতা। নেপালি ভোটাররা যেখানে পরিবর্তনের সাহসী পদক্ষেপে সাড়া দিয়েছে, বাংলাদেশের ভোটাররা সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অভিজ্ঞতার ওপরই শেষ পর্যন্ত আস্থা রেখেছে।
নেপালের ৫ মার্চের নির্বাচনে বিজয়ী শক্তিগুলোর মূল চালিকাশক্তি ছিল ‘অভ্যুত্থানের চেতনা’, যা জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্যে রূপান্তর করতে পেরেছিল। তারা কেবল স্লোগান নয়, বরং একটি নতুন নেপাল গড়ার দর্শনকে প্রতিটি নাগরিকের দ্বারে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়। সাধারণ মানুষ মনে করেছিল, এই নতুন শক্তি তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাবে। বিপরীতে বাংলাদেশে এনসিপি একটি বড় ধরনের অভ্যুত্থানের ফসল হওয়া সত্ত্বেও সেই চেতনাকে টেকসই রাজনৈতিক দর্শনে রূপান্তর করতে পারেনি। আন্দোলনের উত্তাপ কমে আসার পর তারা জনগণের সামনে এমন কোনো পরিষ্কার দিকনির্দেশনা রাখতে ব্যর্থ হয় যা সাধারণ মানুষকে দীর্ঘমেয়াদি আশার আলো দেখাবে।
নেপালের নতুন নেতৃত্বের আন্দোলন ছিল অত্যন্ত বস্তুনিষ্ঠ এবং গণমুখী, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। তারা এমন সব দাবি উত্থাপন করেছিল যা রাষ্ট্রের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য অপরিহার্য ছিল। জনগণের প্রাত্যহিক সংকটগুলোকে তারা রাজনৈতিক ভাষায় সংজ্ঞায়িত করতে পেরেছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশের এনসিপির দাবি ও আন্দোলন অনেক ক্ষেত্রে ছিল অস্পষ্ট এবং জনবিচ্ছিন্ন। তাদের কিছু ‘অদ্ভুত দাবি’ ও আন্দোলনের ধরন সাধারণ ভোটারদের মনে সংশয় তৈরি করে। আন্দোলনের সময় যে উগ্রতা প্রদর্শিত হয়েছিল, তা মধ্যপন্থি ও সাধারণ ভোটারদের দূরে সরিয়ে দেয়।
নেপালের জয়ী দলগুলোর নেতৃত্বে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব ছিলেন যারা ব্যক্তিগত সততা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন, যা ভোটারদের মনে নির্ভরতা তৈরি করে। বিশেষ করে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত তাদের ছায়া মন্ত্রিসভা জনগণের কাছে একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিল। পক্ষান্তরে বাংলাদেশের এনসিপির সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল ‘অভিজ্ঞতার চরম অভাব’। তরুণ নেতৃত্বের উদ্যম থাকলেও রাষ্ট্র পরিচালনার মতো জটিল বিষয়ে তাদের পরিপক্বতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ছিল। বিপথগামী নেতৃত্ব এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা দলটিকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘অপরিণত’ হিসেবে উপস্থাপন করে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দলগুলোর বিপরীতে তাদের অস্পষ্ট দর্শন কোনো মজবুত ভিত্তি খুঁজে পায়নি।
নেপালের নতুন শক্তির সাফল্যের একটি বড় স্তম্ভ ছিল দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। তারা কেবল প্রতিশ্রুতি দেয়নি, বরং পুরোনো দুর্নীতির বিচারের দাবিতে সোচ্চার ছিল এবং নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিল। এটি প্রথাগত দলগুলোর প্রতি বীতশ্রদ্ধ ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়ায়। অথচ বাংলাদেশে এনসিপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তাদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড তাদের নৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করে দেয়। দলটির অভ্যন্তরে আর্থিক অস্বচ্ছতা বা সুযোগ-সন্ধানী নেতৃত্বের উপস্থিতি নিয়ে গুঞ্জন ডালপালা মেলেছিল।
নেপালের ভোটাররা দীর্ঘ সময় ধরে বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর ব্যর্থতা দেখে ক্লান্ত ছিল। সেই প্রথাগত রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর অনাস্থাই ছিল নতুন শক্তির জন্য বড় সুযোগ। তারা নিজেদের প্রথাগত রাজনীতির বাইরের শক্তি হিসেবে সফলভাবে ব্র্যান্ডিং করতে পেরেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এনসিপি শুরুতে নতুনত্বের কথা বললেও দ্রুতই তারা ‘সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিল’ বা লেজুড়বৃত্তি করতে শুরু করে। তারা স্বতন্ত্র সত্তা বজায় রাখার পরিবর্তে প্রচলিত রাজনৈতিক মেরুকরণের অংশ হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ তাদের মধ্যে নতুন কোনো বিকল্প খুঁজে পায়নি।
নেপালের নির্বাচনে তরুণদের প্রাধান্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে তারা কেবল প্রচারের মাধ্যম নয়, বরং জনগণের অভাব-অভিযোগ শোনার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। তরুণ ভোটাররা নিজেদের প্রতিবিম্ব খুঁজে পেয়েছিল এই নতুন শক্তির মাঝে। বাংলাদেশেও এনসিপি তরুণ প্রজন্মের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, কিন্তু তারা ‘প্রবীণদের অবজ্ঞা’ করে এক ধরনের উগ্র এক্টিভিজমের জন্ম দেয়। সমাজের বড় একটি অংশ যারা অভিজ্ঞ ও বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তারা এই আচরণে ক্ষুব্ধ হয়।
সুশাসনের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার নেপালের নতুন শক্তিকে ক্ষমতায় বসাতে বড় ভূমিকা রেখেছে। তারা প্রশাসনিক সংস্কার এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসনে আধুনিক ও প্রযুক্তিগত সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছিল। সাধারণ মানুষ তাদের এই পরিকল্পনায় বাস্তবতার ছোঁয়া পেয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশের এনসিপি সুশাসনের কথা বললেও তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো ছিল অনেকটা ‘অবাস্তব’।
নেপালে বেকারত্ব দূরীকরণে নতুন শক্তির সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। উদ্যোক্তা ও স্টার্টআপ কালচারকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে তারা কর্মসংস্থানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশে এনসিপির অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত অস্পষ্ট ও দুর্বল। দেশের অর্থনীতির জটিল চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় তাদের কোনো সমন্বিত চিন্তা ছিল না।
নেপালের নির্বাচনি ইশতেহারে উন্নয়ন ও শিক্ষার আধুনিকায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। তারা গতানুগতিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের বাইরে গিয়ে ডিজিটাল নেপাল গড়ার ডাক দিয়েছিল। শিক্ষার গুণগত মান পরিবর্তন এবং কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার তাদের জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে যায়। বিপরীতে বাংলাদেশের এনসিপির উন্নয়ন ভাবনা ছিল বিচ্ছিন্ন এবং পরিকল্পনাহীন। তারা বড় বড় কথা বললেও মৌলিক নাগরিক সমস্যাগুলো সমাধানে কোনো সৃজনশীল প্রস্তাব দিতে পারেনি।
একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো তার সাংগঠনিক ভিত্তি। নেপালের নতুন শক্তি খুব অল্প সময়ে তৃণমূল পর্যায়ে তাদের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয়। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় তাদের সুশৃঙ্খল কর্মী বাহিনী ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছেছে। কিন্তু বাংলাদেশের এনসিপির ক্ষেত্রে দেখা গেছে ‘সাংগঠনিক চরম দুর্বলতা’। তারা কেবল রাজধানী বা বড় শহরকেন্দ্রিক সক্রিয়তা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারণায় ব্যস্ত ছিল। গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের কোনো আত্মিক বা সাংগঠনিক সংযোগ ছিল না।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘স্বাধীনতা যুদ্ধ’ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। এনসিপি এই স্পর্শকাতর জায়গায় জনগণের আবেগকে বুঝতে ব্যর্থ হয়। তাদের কর্মকাণ্ড বা বক্তব্য অনেক সময় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে আঘাত বলে প্রতীয়মান হয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তারা এমন সব শক্তির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধে যাদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। নেপালে যেখানে নতুন শক্তি জাতীয় সংহতিকে গুরুত্ব দিয়েছে, বাংলাদেশে এনসিপির কর্মকাণ্ডে এক ধরনের ‘বিভাজন’ ও ‘উগ্রবাদী মনোভাব’ পরিলক্ষিত হয়েছে।
আধুনিক রাজনীতিতে সোশ্যাল মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ হলেও কেবল এর ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন জেতা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের এনসিপি এই ভুলটিই করেছিল। তারা ভেবেছিল সোশ্যাল মিডিয়ার লাইক ও কমেন্টই জনসমর্থনের প্রকৃত মাপকাঠি। ফলে তারা মাঠের রাজনীতির কঠোর পরিশ্রমকে এড়িয়ে কেবল ভার্চুয়াল জগতকেই সত্য মনে করেছিল। নেপালের ক্ষেত্রে চিত্রটি ছিল ভিন্ন; তারা সোশ্যাল মিডিয়াকে প্রচারের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করলেও তাদের মূল শক্তি ছিল সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ।
নেপালের নতুন শক্তি কোনো বড় দেশের লেজুড়বৃত্তি না করে ‘নেপাল প্রথম’ নীতিতে অটল ছিল। তারা বিদেশি কোনো শক্তির প্রভাবে নয়, বরং জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হওয়ার বার্তা দিয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশের এনসিপির বিরুদ্ধে ‘বিদেশি আঁতাত’ এবং পরনির্ভরশীলতার অভিযোগ ওঠে। তাদের কিছু নেতার বিদেশি শক্তির প্রতি অতি-নির্ভরশীলতা সাধারণ মানুষের আত্মসম্মানে আঘাত হানে। এ ছাড়া জোট ও সুবিধাবাদী রাজনীতি তাদের ভাবমূর্তিকে ধূলিসাৎ করে দেয়।
গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সহনশীলতা অত্যন্ত জরুরি। নেপালের নতুন শক্তি তাদের আন্দোলনে ধ্বংসাত্মক পথ পরিহার করে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে দাবি আদায়ের চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে এনসিপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘উগ্র এক্টিভিস্ট’ এবং তাদের কর্মকাণ্ড জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করে। আন্দোলনের নামে ধ্বংসযজ্ঞ এবং একাধিক রাজনৈতিক দলের সাধারণ মানুষকেও হেনস্তা করার ঘটনাগুলো ভোটারদের মনে ভীতি সঞ্চার করে।
নেপাল ও বাংলাদেশের এই বিপরীতমুখী ফলাফল আগামী দিনের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এক বিরাট গবেষণার খোরাক। রাজনীতি কেবল আবেগ বা স্লোগান নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আদর্শের লড়াই। নেপালের সাফল্য প্রমাণ করে যে, সঠিক নেতৃত্ব ও স্পষ্ট দর্শন থাকলে প্রথাগত শক্তিকে চ্যালেঞ্জ করা সম্ভব। অন্যদিকে বাংলাদেশের এনসিপির ব্যর্থতা শিক্ষা দেয় যে, জনগণের পালস না বুঝে অস্পষ্ট রাজনীতি দিয়ে সাময়িক হইচই করা গেলেও মানুষের হৃদয় জয় করা যায় না।
নেপালের বিজয় ছিল নতুন প্রজন্মের স্বপ্নের জয়, আর বাংলাদেশের এনসিপির পরাজয় ছিল অপরিণত ও অদূরদর্শী রাজনীতির অবসান। রাজনীতিতে সততা, অভিজ্ঞতা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার কোনো বিকল্প নেই। কবির ভাষায় বলা যায়—‘সবাই তো নয় যোগ্য নেতা, কেবল নামেই পরিচয়, আদর্শহীন তরি ডুববে মাঝপথে, এ তো নয় কোনো সংশয়। জনগণের হৃদয় জয়ী যে জন, সেই তো আসল বীর, অহংকারে ডুবলে মানুষ, পতন তার সুনিশ্চিত স্থির।’
পরিশেষে বলা যায়, নেপালের ৫ মার্চের সূর্য যেখানে আশার আলো নিয়ে উদিত হয়েছিল, বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির শীতের রাত এনসিপির জন্য অন্ধকার নিয়ে এসেছিল। এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট আমাদের শিক্ষা দেয় যে, রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো সাধারণ মানুষের আস্থা, যা কেবল সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা এবং উন্নত মূল্যবোধের মাধ্যমেই অর্জন করা সম্ভব। ব্যর্থ দলগুলো যদি তাদের ভুল থেকে শিক্ষা নিতে না পারে, তবে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে তাদের ঠাঁই হওয়া কেবল সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই শিক্ষা আমাদের আগামীর রাজনৈতিক পথচলায় এক গুরুত্বপূর্ণ পাথেয় হয়ে থাকতে পারে।
লেখক : প্রাবন্ধিক ও কথা সাহিত্যিক
কেকে/এসএ