শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬,
৮ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● এবার ৩৬ ঘণ্টা বন্ধ ডিজিটাল ভূমিসেবার সার্ভার      ● স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি নাহিদের      ● ফরিদপুরে এক ঘণ্টার ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনা, মা-ছেলেসহ নিহত পাঁচ      ● আর কত দিন আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের দিকে তাকিয়ে থাকব, প্রশ্ন রাষ্ট্রপতির      ● ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট দলে লিটন-তাসকিন      ● হাম উপসর্গে আরও সাত শিশুর প্রাণহানি      ● ৪৩০ রানের পাহাড় গিলে ইংল্যান্ডকে কাঁদাল লঙ্কানরা      
দেশজুড়ে
মোংলায় চিংড়ি ঘের দখল, মাছ বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোংলায় ৩২ বিঘার একটি চিংড়ি ঘের দখল করে দীর্ঘ ৯ মাসে মাছ বিক্রির প্রায় ১০-১১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ন্যায় বিচার ও হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের পশ্চিম উলুকাটা এলাকার বাসিন্দা মো. হাতেম ফকির, তার বড় ভাই ফকির মো. শাহাবুদ্দিন ও পার্টনার জামাল শেখ জমির মালিকদের কাছ থেকে হারির খাতার মাধ্যমে প্রায় ২৪ বিঘা জমি ইজারা নিয়ে চিলা মৌজায় ৩২ বিঘার একটি চিংড়ি ঘের পরিচালনা করে আসছিলেন। ঘেরের জমির অংশীদার হিসেবে বাবু মোল্যা ও শামিম মোল্যা পার্টনার হন।

ভুক্তভোগী হাতেম ফকিরের অভিযোগ, ঘেরে অংশীদার হওয়ার পর থেকেই বাবু মোল্যা ও শামিম মোল্যা পুরো ঘেরটি নিজেদের দখলে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেন এবং পার্টনারদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করেন। পরে ২০২৫ সালের শুরুতে স্থানীয়ভাবে বিরোধ মীমাংসার উদ্যোগ নেন মোংলা উপজেলা বিএনপি সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, চিলা ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজল খা ও সাবেক মেম্বার খবির শেখ।

সেই সময় সিদ্ধান্ত হয়, বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঘেরটি সাময়িকভাবে বাবু মোল্যা ও শামিম মোল্যার তত্ত্বাবধানে থাকবে এবং তারা মাছ বিক্রির হিসাব দেবেন। 

কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, ঘের দখলে নেওয়ার পর দীর্ঘ ৯ মাসেও তারা কোনো হিসাব দেননি। উল্টো হিসাব চাইতে গেলে নানা অজুহাত দেখিয়ে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে। 

অভিযোগকারীর দাবি, এই সময়ে ঘের থেকে মাছ ও কাঁকড়া বিক্রি করে আনুমানিক ১০-১১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

হাতেম ফকির জানান, হিসাব চাইলে তার বড় ভাই ফকির মো. শাহাবুদ্দিনের মানসম্মান ক্ষুণ্ন করতে বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মোংলা উপজেলার চিলা মৌজার বিআরএস ১৭০, ১১২, ১৩৯, ১৩৮, ৫১৩, ৫১৫ ও ১১৬ নম্বর খতিয়ানসহ একাধিক দাগভুক্ত মোট ৩২ বিঘা জমিতে চিংড়ি ঘেরটি অবস্থিত।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মোংলা সার্কেল), মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ ও মোংলা প্রেস ক্লাবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। 

তারা ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। 

কেকে/বি


আরও সংবাদ   বিষয়:  মোংলা   চিংড়ি   দখল   আত্মসাত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close