যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মসজিদের ফ্যানের বাতাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে আটজন জখম হয়েছে। তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বাকিরা কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। স্থানীয় সাংসদ মোক্তার আলী ও কেশবপুর থানা পুলিশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীনদের খোঁজখবর নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার ঝিকরা উত্তর পাড়ার নির্মাণাধীন একটি মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও আহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে,
সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ঝিকরা উত্তর পাড়ার নির্মাণাধীন একটি মসজিদে কয়েকজন ফ্যান ছেড়ে শুয়ে থাকে। এ নিয়ে মসজিদের ইমাম ও স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান তাদেরকে ফ্যান বন্ধ করে দিতে বলেন। এ সময় তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয় এবং ধাক্কা-ধাক্কির ঘটনা ঘটে।
জোহরের নামাজের সময় উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্য মসজিদের ইমাম এ তথ্য জানালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় হাবিবিল্যা (২২), আবদুল আহাদ (৫০), আজিবর রহমান (৩০), শাহিন (৩৫), আনিসুর (৫৫), বায়োজিদ (১৮), আাজাহারুল (৩০) ও ওজিয়সর (৫৫) জখম হয়। তাদেরর মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শ্রীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আহাদকে (৫০) খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুখদেব রায় বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
কেকে/এমএ