প্রশাসনের হয়রানির প্রতিবাদে সিলেট জেলার পেট্রোল পাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাম্প মালিকরা এ ঘোষণা দেন।
খোলা কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘মোবাইল কোর্টের অভিযানের নামে পেট্রোল পাম্পে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে। প্রতিদিনই এমন অভিযান চালানো হচ্ছে। এমনিতেই চাহিদামাফিক জ্বালানী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। তার উপর এমন চাঁদাবাজি চলতে থাকলে ব্যবসা করা সম্ভব না। তাই আমরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি।’
পাম্প মালিকরা জানান, পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা, জরিমানা আদায় ছাড়াও জ্বালানী তেল বিক্রিতে প্রশাসনের বিভিন্ন বাধ্যবাধকতার কারণে পাম্প মালিকরা ক্ষুব্ধ। ট্যাগ অফিসার নিয়োগ, ডিপোতে বিজিবি মোতায়েনসহ সরকারি এসব সিদ্ধান্ত জ্বালানী ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তাদের।
এছাড়া প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও অসহযোগীতার অভিযোগ করেন তারা।
এর আগে, বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে সিলেটে সরকার নির্ধারিত পরিমাণের বেশী পেট্রোল মজুদ রাখার কারণে নগরের এ অ্যান্ড এ অ্যাসোসিয়েটস নামের একটি পেট্রোল পাম্পকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করে সিলেট জেলা প্রশাসন।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে বুধবার সন্ধ্যা থেকে কয়েকজন পাম্প মালিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এরপরই পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।
পাম্প মালিকদের আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে পুরো বিভাগজুড়ে। এতে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যেও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
কেকে/ এমএস