চিকিৎসাবিজ্ঞানের সুদীর্ঘ ইতিহাসে হাম একটি অতি প্রাচীন ও সংক্রামক ব্যাধি হিসেবে চিহ্নিত। প্যারামিক্সোভাইরাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এ বিষাক্ত জীবাণু শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানবসভ্যতাকে বিপর্যস্ত করেছে।
আদিতে একে শুধু একটি সাধারণ চর্মরোগ মনে করা হলেও, এর ভয়াবহতা ও প্রাণঘাতী রূপ উন্মোচিত হয় আধুনিক বিজ্ঞানের স্পর্শে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে নিউমোনিয়া, এনসেফালাইটিস এবং অন্ধত্বের মতো জটিলতা তৈরি করে এটি একটি নীরব ঘাতকে পরিণত হয়। আজ ২০২৬ সালের পহেলা এপ্রিল, যখন আমরা প্রযুক্তির শিখরে অবস্থান করছি, তখনো বাংলাদেশে এ প্রাচীন ব্যাধিটি তার আগ্রাসী ও ভয়াবহ রূপে পুনরুত্থান ঘটিয়েছে।
পারস্যের প্রখ্যাত চিকিৎসক ও পণ্ডিত আবু বকর মুহাম্মদ জাকারিয়া আল-রাজি (রাজেস) নবম শতাব্দীতে প্রথম হামের বিস্তারিত বৈজ্ঞানিক বর্ণনা প্রদান করেন। তিনি একে গুটিবসন্ত থেকে পৃথক একটি রোগ হিসেবে চিহ্নিত করে চিকিৎসা শাস্ত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন।
স্কটল্যান্ডে ১৭৫৭ সালে চিকিৎসক ফ্রান্সিস হোম প্রথম প্রমাণ করেন যে, হাম রক্তবাহিত একটি সংক্রামক এজেন্ট দ্বারা ছড়ায়। তার এই আবিষ্কার হামের প্যাথোজেনিক প্রকৃতি বুঝতে বিজ্ঞানীদের প্রভূত সহায়তা করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৯১২ সালে হামকে প্রথম ‘রিপোর্টেবল ডিজিজ’ বা প্রতিবেদনযোগ্য রোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে সেখানে প্রতিবছর গড়ে ৬ হাজার শিশু এ রোগে প্রাণ হারাত।
ইংল্যান্ডে ১৬৭০ এবং ১৬৭৪ সালে ভয়াবহ হামের মহামারি দেখা দেয়। প্রখ্যাত চিকিৎসক থমাস সিডেনহাম ১৬৯৩ সালে হামের আধুনিক বর্ণনা দিয়ে একে স্কারলেট ফিভার ও গুটি বসন্ত থেকে আলাদা করেন। ফ্যারো আইল্যান্ডে ১৮৪৬ সালে ড্যানিশ চিকিৎসক পিটার প্যানাম হামের ওপর এক যুগান্তকারী গবেষণা পরিচালনা করেন। তিনি সেখানে হামের ইনকিউবেশন পিরিয়ড এবং একবার আক্রান্ত হলে আজীবন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনের বিষয়টি লক্ষ করেন।
ফিজি দ্বীপে ১৮৭৫ সালে হাম এক প্রলয়ঙ্করী রূপ ধারণ করে। বহিরাগতদের মাধ্যমে আসা এ ভাইরাসটির বিরুদ্ধে দ্বীপবাসীর কোনো প্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকায় স্বল্প সময়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনসংখ্যা বিলুপ্ত হয়ে যায়। হাওয়াই দ্বীপে ১৮৪৮ সালে প্রথম হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। বিচ্ছিন্ন এ জনপদে ভাইরাসটি পৌঁছানোর পর হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে, যা ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বড় স্বাস্থ্য বিপর্যয়।
ভারতে মধ্যযুগ থেকেই হামের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। প্রাচীন সংহিতায় একে ‘রোমান্তিকা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা শিশুদের মধ্যে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ত। চীনেও প্রাচীনকাল থেকেই হামের প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা গেছে। ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, জনবহুল এ দেশে হাম ছিল শিশুদের অন্যতম প্রধান ঘাতক।
জাপানে দশম শতাব্দীর দিকে হামের সংক্রমণের নথিপত্র পাওয়া যায়। সম্রাটদের রাজত্বকালে বিভিন্ন সময়ে হাম মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার বর্ণনা রয়েছে। ফরাসি চিকিৎসকরা রেনেসাঁপরবর্তী সময়ে ইউরোপে হামের বিস্তার নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করেন।
১৬০০ শতাব্দীতে ফ্রান্সে ব্যাপক হারে এ রোগের সংক্রমণ ঘটে। জার্মানিতে মধ্যযুগে হামকে ‘মোরবিলি’ বা ‘ক্ষুদ্র রোগ’ হিসেবে অভিহিত করা হতো। এটি গুটিবসন্তের তুলনায় কম ভয়াবহ মনে করা হলেও এর উচ্চ সংক্রমণ ক্ষমতা সাধারণ মানুষকে তটস্থ রাখত। ব্রাজিলে ১৬০০ শতাব্দীতে ইউরোপীয় অভিযাত্রীদের হাত ধরে প্রথম হাম প্রবেশ করে।
আদিবাসীদের মধ্যে কোনো ইমিউনিটি না থাকায় এটি সেখানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটায়। কানাডায় ১৮০০ শতাব্দীতে প্রথম হামের প্রাদুর্ভাব লিপিবদ্ধ করা হয়। তুষারাবৃত এ জনপদে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার ছিল অত্যন্ত বেশি।
অস্ট্রেলিয়ায় ১৯০০ শতাব্দীর শেষভাগে হামের বড় ধরনের প্রকোপ দেখা দেয়। বিশেষ করে ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপনের পর সেখানে এ রোগটি স্থায়ী রূপ লাভ করে। বাংলাদেশে হাম একটি অতি পরিচিত ব্যাধি হলেও এর প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সংগ্রহ শুরু হয় ১৯৭৪ সালে ‘সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি’ চালুর মাধ্যমে।
তার আগে গ্রাম বাংলায় হামকে ‘মায়ের দয়া’ বা আধ্যাত্মিক কোনো রোগ মনে করে অবহেলা করা হতো। ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ইপিআই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। সেসময় থেকে হামের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানসম্মত লড়াইয়ের সূচনা হয়। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশে ৯ মাস পূর্ণ হওয়া শিশুদের জন্য হামের প্রথম ডোজের টিকা চালু করা হয়। এটি ছিল শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।
১৯৯০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ সর্বজনীন টিকাদান লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়। এর ফলে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত হামের টিকা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ২০০৩ সালে হাম ও রুবেলা নজরদারি ব্যবস্থাকে একীভূত করা হয়। এর মাধ্যমে আক্রান্ত শিশুদের তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণার মান উন্নত হয়। ২০০৫-২০০৬ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বৃহৎ আকারে হামের গণ-টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়। প্রায় ৩ কোটি ৫০ লাখ শিশুকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়। ২০১০ সালে পুনরায় ২ কোটি শিশুকে হামের টিকা প্রদানের লক্ষ্যে বিশেষ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশে হামের প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসে।
২০১২ সালে একটি বিশেষ মাইলফলক হিসেবে ৯ মাসের প্রথম ডোজের পাশাপাশি ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজের (গঈঠ২) টিকা প্রদান শুরু হয়। ২০১৪ সালে হাম ও রুবেলা একত্রে প্রতিরোধ করতে এমআর ক্যাম্পেইন চালানো হয়, যেখানে ৫ কোটি ৩০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ রুবেলা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নির্মূলের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় ও যথাযথভাবে টিকা প্রদানও অব্যাহত রাখে।
দেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে হামের প্রকোপে শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে দাতা সংস্থা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, জনসাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে আগে টিকা কেনা হতো স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের কর্মসূচিতে দায়িত্বে থাকা (এইচপিএনএইচপি) থাকা অপারেশন প্ল্যানের (ওপি) মাধ্যমে। ওপির লাইন ডিরেক্টর ইউনিসেফ ও গ্যাবির সহায়তায় তুলনামূলক কম খরচে টিকা কিনতে পারতেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই এইচপিএনএইচপি তথা ওপি ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়। এরপর নতুন প্রকল্প দলিল তৈরি, প্রকল্প অনুমোদন, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, অর্থ ছাড়সহ সবকিছুতেই বিলম্ব হয়। অর্থাৎ কোনো ধরনের পূর্ব প্রস্তুতি ব্যতীত পূর্বের ব্যবস্থা বাতিল করে দেওয়ার কারণে আজ দেশে হাম-সহ আরও ৮-১০টি রোগের টিকার সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে ২০২৬ সালের শুরুতে বাংলাদেশে হামের যে বর্তমান রূপ দেখা যাচ্ছে, তার মূলে রয়েছে প্রশাসনিক ও কাঠামোগত দুর্বলতা। ২০২৩ এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার সুযোগে টিকাদান কর্মসূচিতে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে আসে, যা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় প্রকট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে প্রান্তিক অঞ্চলে টিকাদান কর্মীরা সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ভ্যাকসিনের মজুত শূন্যের কোঠায় নেমে আসায় সংক্রমণের হার ৭৫ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ অব্যবস্থাপনার ফলে স্বাস্থ্য খাতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ইপিআই কর্মসূচির যে ধারাবাহিক সাফল্য ছিল, তা আজ ম্লান হতে বসেছে। অনেক ক্ষেত্রে টিকার ঘাটতিকে বৈশ্বিক সমস্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও, মাঠপর্যায়ের তথ্যানুযায়ী এটি মূলত দেশের অভ্যন্তরীণ তদারকির অভাব এবং সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন আমদানিতে ব্যর্থতার ফল।
২০২৬ সালের পহেলা এপ্রিল পর্যন্ত গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সরকারি তথ্যানুযায়ী, বছরের প্রথম তিন মাসেই সারা দেশে ১,৫০০-এর বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। যার মধ্যে ঢাকা বিভাগেই সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৯ মার্চ পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৬ জন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যদিও বাস্তব সংখ্যা ২০০ অথবা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে এ বছর ৫৬০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে এবং সেখানে কমপক্ষে ২২ জন শিশু প্রাণ হারিয়েছে। রাজশাহী ও ময়মনসিংহেও শিশু মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে, যা আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার এক করুণ চিত্র ফুটিয়ে তুলছে।
এ ভয়াবহ সংকট উত্তরণে বাংলাদেশ সরকারকে অবিলম্বে জরুরি ভিত্তিতে গণ-টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে হবে। যদিও ইতোমধ্যে ৬০৪ কোটি টাকার ভ্যাকসিন ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, তবে এর সঠিক ও দ্রুত বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি। প্রতিটি উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনো শিশুই সুরক্ষাবলয়ের বাইরে না থাকে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল বিতরণ এবং পুষ্টির দিকে নজর দেওয়া এখন অপরিহার্য। এ ছাড়া টিকাদানের বয়সসীমা সাময়িকভাবে কমিয়ে ৬ মাস থেকে করার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তার দ্রুত বাস্তবায়ন কাম্য।
অভিভাবকদের সচেতনতা এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর গায়ে জ্বর কিংবা ফুসকুড়ি দেখা দিলে কোনো কবিরাজি চিকিৎসা না করিয়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। টিকা কার্ড নিয়মিত পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে যে শিশু সবকটি ডোজ পেয়েছে কি না।
সাধারণ জনসাধারণকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং আক্রান্ত শিশুকে অন্যান্য সুস্থ শিশুদের থেকে আলাদা রাখতে হবে। মাস্ক ব্যবহার ও হাত ধোয়ার অভ্যাস সংক্রমণের বিস্তার রোধে সহায়ক হতে পারে। বেসরকারি সংস্থা ও এনজিওগুলোকে সরকারের সাথে সমন্বয় করে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। মসজিদের ইমাম, শিক্ষক এবং স্থানীয় নেতাদের যুক্ত করে টিকার গুরুত্ব সম্পর্কে ভুল ধারণা দূর করতে হবে।
সর্বোপরি, একটি গবেষণাধর্মী ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগকে প্রতিটি মৃত্যুর কারণ বিশ্লেষণ করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। চিকিৎসা শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা ইউনিট স্থাপন এবং পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও সাকশন যন্ত্রের ব্যবস্থা রাখা এখন সময়ের দাবি।
পরিশেষে বলতে চাই, হাম শুধু একটি শারীরিক রোগ নয়, এটি একটি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পরীক্ষা। ২০২৬ সালের এ প্রাদুর্ভাব আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সামান্যতম অবহেলা লাখ লাখ শিশুর জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। বিজ্ঞান ও সংহতির মেলবন্ধনে আমাদের এ প্রাচীন শত্রুর আগ্রাসী রূপকে পরাজিত করতে হবে। প্রতিটি শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক কর্তব্য। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে বাংলাদেশকে হামমুক্ত এক সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে।
লেখক : প্রাবন্ধিক ও কথাসাহিত্যিক
কেকে/ এমএস