মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
দেশজুড়ে
শ্রীমঙ্গলে বিএনপি নেতা আলতাফুরের বিরুদ্ধে মামলাবাজি ও প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ
মো. এহসানুল হক, মৌলভীবাজার
প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৮ পিএম
মো. আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসান

মো. আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসান

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৬ নম্বর আশিদ্রোণ ইউনিয়নের চার গ্রামের মানুষ এক বিএনপি নেতার কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। একসময় আওয়ামী লীগের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলা মো. আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসান এখন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য। তার বিরুদ্ধে মামলাবাজিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তার অপকর্মের বিরুদ্ধে দৈনিক খোলা কাগজে সংবাদ প্রকাশের ৬ মাস পর পত্রিকাটির মৌলভীবাজার জেলার স্টাফ রিপোর্টার মো. এহসানুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তিনি।

আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসান আশীদ্রোণ ইউনিয়নের জিলাদপুর গ্রামে নামমাত্র প্রতিষ্ঠিত এবং কোন ধরনের শ্রেণি ও অফিসিয়াল কার্যক্রম না থাকা হাজী এছাক মিয়া হাজেরা বেগম মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং ইউনিয়নের তিতপুর গ্রামের মরহুম এছাক মিয়ার ছেলে।

স্কুলের নামে তিনি প্রতি বছর প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত গ্রহণ করেন সরকারি বই। যা বিক্রি করে দেন ভাঙারি দোকানে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের প্রতারণা, মামলা বাণিজ্য, মামলা করে নিরীহ গ্রামবাসীদের হয়রানি ও জালিয়াতিসহ নানা অন্যায়-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তার মামলা থেকে রেহাই পায়নি বিএনপির নেতা থেকে শুরু করে গণমাধ্যমকর্মীরাও। 

শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল আলম সিদ্দিকীও তার যন্ত্রনায় অতিষ্ট হয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘আমি যতটুকু জানি আলতাফুর রহমান আওয়ামী লীগেরও লোক ছিল। কিন্তু আমাদের দল ক্ষমতায় আসার পরে সে নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অফিসে সে বিভিন্ন কায়দা-কানুন করতে চাইতেছে। ইউএনও সাহেবও অনেক সময় বলছেন। এমনকি ইউএনও আমাকে বলেছেন তার যন্ত্রনায় উনার অফিস করাটাই কষ্টকর।’

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসানের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ইউনিয়নের আশিদ্রোণ, তিতপুর, জিলাদপুর এবং খোশবাস- এ চার গ্রামের সাধারণ মানুষ। স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে জানান, ইউনিয়নের সর্বত্র মামলাবাজ হিসেবে পিরিচিত আলতাফ ছিলেন আওয়ামী লীগের লোক। ২০০৯ সালের নভেম্বর মাসে তৎকালীন জাতীয় সংসদের চিফ হইপ আব্দুস শহীদের স্বাক্ষর জাল করে কারাবরণও করেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি পুরোদস্তর বিনপি নেতা। দলের নাম ভাঙিয়ে একের পর এক করে যাচ্ছেন অপকর্ম, সাধারণ মানুষের উপর চালাচ্ছেন নির্যাতনের স্টিম রোলার। এমনকি তার নির্যাতন থেকে রেহাই পায়নি তার আপন বড় ভাই ও বড় ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরাও। প্রতারণা ও মামলা বাণিজ্য করাই যেন তার পেশা। আলতাফের বিরুদ্ধে কেউ টু-শব্দটিও করলেও বা তার অপকর্মের প্রতিবাদ করলে তিনি মামলাসহ বাড়ি দখল, নানা ধরনের ভয়-ভীতি ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট করে প্রতিবাদকারীদের নাজেহাল করেন- এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

অনুসন্ধানকালে জানা গেছে, আশিদ্রোন ইউনিয়নের জিলাদপুর গ্রামে ২০০৩ সালে হাজী এছাক মিয়া হাজেরা বেগম মডেল স্কুল নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। একসময় রাজমিস্ত্রীর যুগালী আলতাফ নিজেই হন প্রধান শিক্ষক। এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠার পর কিছু দিন পাঠদান চালু থাকলেও শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক সংকটে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে পড়ে। নামসর্বস্ব অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি ধানের জমির মাঝখানে জরাজীর্ণ ও তালাবদ্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানে কোন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক নেই। প্রতিষ্ঠান না থাকলেও তিনি প্রধান শিক্ষক। কিন্তু প্রতি বছরই প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রতি শ্রেণিতে শিক্ষার্থী দেখিয়ে উপজেলা প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ং থেকে সরকারি বই গ্রহণ করছেন। এসব সরকারি বই ভাঙারি দোকানে বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। 

স্কুলের পাশ্ববর্তী মার্কেটের মালিক সেলিনা বেগম জানিয়েছেন, গত বছর সরকারি বই এনে তার দোকানের পেছনে স্তুপ করে রেখেছিলেন আলতাফ। দীর্ঘদিন বইগুলো না নেওয়ায় পরে তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্যকে জানালে তিনি বইগুলো শিক্ষা অফিসে দিয়ে দেন।

সরজমিনে গেলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আলতাফ প্রতি বছর সরকারি বই বিক্রি করে এবং স্কুলের নামে নানাভাবে বরাদ্দ ও প্রকল্প এনে আত্মসাৎ করছেন। আইডিয়া নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) থেকে গভীর নলকূপ এনে তার স্থাপন করে তালাবদ্ধ করে রেখেছেন।

আশিদ্রোন আইয়ুব আলী মার্কেট কমিটির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, মামলা থেকে নাম বাদ দেওয়ার কথা বলে অনেকের কাছে ৩০-৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। এ পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকার শতাধিক মানুষকে প্রায় ২০টির অধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করছেন।

প্রতিবেশীর বৈধ ও দখলকৃত জমি অবৈধভাবে দখলে নিতে এবং সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর থেকে বাসিন্দাদের বের করে তা দখলে মরিয়া হয়ে ওঠেছেন। সরকারি দলের নেতা পরিচয়ে চারটি গ্রামের কৃষকদের কৃষি অফিস থেকে স্যালু মেশিন, সেচ, বিজ, সার, প্রণোদনা ও বয়স্ক ভাতা দেবার কথা বলে প্রায় সাড়ে তিন শতাধিক মানুষের কাছ থেকে তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করেন আলতাফ। দীর্ঘদিন পার হলেও তাদের কেউই বয়স্ক ভাতার কার্ড, সার, বিজ ও প্রণোদনা পাননি। জাতীয় পরিচয়পত্র ফেরত চাইলে তাও দিতে টালবাহানা করে চলেছেন। এলাকাবাসী আলতাফুর রহমানের নানা অনিয়ম, প্রতারণা ও মামলা বাণিজ্যে অতিষ্ট হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, থানার অফিসার ইনচার্জ, কৃষি অফিস, বিএডিসি অফিস ও পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন।

জিলাদপুর এলাকার গৃহবধু সখিনা বিবি বলেন, ‘আলতাফুর রহমান অনেক বাটপারী, অনেক চিটারি করছে আমাদের সাথে। আমাদের এলাকায় স্কুল করলে আমাদের বাচ্চা-কাচ্চা মানুষ হবে আশা করে আমরা সবাই তাকে প্রথম দিকে সমর্থন দিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি আমাদের নাম বিক্রি করে বাটপারি করে আমাদের বাচ্চা-কাচ্চার নাম দিয়া, আমাদের নাম দিয়া জায়গায় জায়গায় সে সুবিধা নিচ্ছে। আলতাফ যে স্কুল করেছে সে স্কুলে কোন ছাত্র নাই, কোন মাস্টার নাই।’

আলতাফের প্রতিষ্ঠিত স্কুলের পশ্চিম পাশের বাড়ির বাসিন্দা গৃহবধু শিল্পী বেগম বলেন, ‘আলতাফের স্কুলে কোন ছাত্র নাই, কোন মাস্টারও নাই। খালি তাইন আতকা (হঠাৎ) স্কুলে আইন। আইয়া আমরা বাড়ির সামনে আমরা কাপড়চোপড় যে শুকাতে দেই তা আনতে বা দেকতে গেলে তাইন বারে বারে ল্যাংটা অইয়া খারাপ আচরণ করইন। দেকলে আমরার শরম করে (লজ্জা লাগে)।’

আইয়ুব আলী মার্কেটের ব্যবসায়ী মো. আছকর মিয়া বলেন, ‘আজকে বিগত ১৫-১৬ ধরে দেখতেছি, তার করা স্কুলে কোন ছাত্র নাই, মাস্টার নাই। অন্য স্কুলের ছাত্র নিয়া টানাটানি করে। স্কুল ভিজিটে কোন কর্তৃপক্ষ আসলে অন্য স্কুলের ছাত্র এনে বসিয়ে রাখে। এসব ঘটনায় ছাত্রদের অভিভাবক প্রতিবাদ করেন। আলতাফ স্কুলের নামে উপজেলার বিভিন্ন অফিস থেকে বরাদ্দ আনে সরকারি। অযথা বরাদ্দ আনে তার নিজের উন্নয়নে। স্কুলের কার্যক্রম না থাকলেও একটি টিনের ঘর বানাইয়া সরকারি বই আনে এবং বেচে দেয়। স্কুলের একটি টিনের ঘর থাকলেও এই পর্যন্ত এলাকার কেউ কোন ছাত্র বা মাস্টার আমরা দেখছিনা।’

আলতাপের স্কুল কমিটির সভাপতি মো. মোস্তফা মিয়া বলেন, ‘কয় দিন আগে আলতাফ সাংবাদিকসহ কয়জনরে আসামি কইরা যে মামলা দিছে, সে মামলায় আমারে স্বাক্ষী করছে, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। স্কুল বাক্কা (বহু) দিন ধইরা বন্ধ।’

স্কুলের কার্যক্রম না থাকা সত্ত্বেও সরকারি বই গ্রহণের ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের একাডেমিক সুপারভাইজার সঞ্জিত কুমার দাশ বলেন, ‘হাজী এছাক মিয়া হাজেরা বেগম মডেল স্কুলের একটি ঘর ছিল, ছাত্রও দেখেছি। আমি এ স্কুলটি সর্বশেষ ভিজিটে গিয়েছিলাম ২০২০ বা ২০২১ সালে। এরপর আর যাই নাই। গত ২০২৬ সালে সে স্কুলের নামে আমাদের কাছ থেকে ষষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি বই দেওয়া হয়েছে। ২০২৭ সালের জন্যও বইয়ের চাহিদা দিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক আলতাফ। তিনি নিয়মিতই প্রতি বছর সরকারি বই নিচ্ছেন। এখন প্রতিষ্ঠানটি আমরা নতুন করে দেখবো, এখন কি অবস্থায় আছে। সরকারি বই বিক্রির অভিযোগটি আমরা খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হাজী এছাক মিয়া হাজেরা বেগম মডেল স্কুল শ্রীমঙ্গল উপজেলায় একটি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আমি শ্রীমঙ্গলে আসছি দুই বছর হলো। দুই বছরই এই বিদ্যালয়টি আমাদের কাছ থেকে সরকারি বই নিচ্ছে। এই বইগুলো সে ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করেছি কি না তা আমার জানা নেই। আমি বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করি নাই। আমি বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছি বা শুনেছি এখানে তার স্কুলটার অবস্থা ভগ্নদশা, এখানে পাঠদান হয় না। যেহেতু আমার নজরে বিষয়টি আসছে, সেহেতু আমি সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মহোদয়কে দ্রুত বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে আমাকে একটি প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলবো। তার প্রেক্ষিতে আমি ব্যবস্থা নেব৷ সরকারি বই বিক্রির অভিযোগটি প্রমাণিত হলে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এ বিষয়ে শ্রীমঙ্গল পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক শামিম আহমেদ বলেন, ‘এ বিষয়গুলো নিয়ে বিএনপির উপজেলা ও যুবদলের আহ্বায়কসহ আমরা আজকে বসে সিদ্ধান্ত নেবো। আসলেই আলতাফ বাদ মানুষ। তার বিষয়ে আমারে মুজিব ভাই (এমপি) কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা তারে দল থেকে বহিষ্কার করব।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘আলতাফের নানা অভিযোগ নিয়ে সর্বত্র কথাবার্তা হচ্ছে, সেগুলো আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জেনেছি। তার যে স্কুল রয়েছে, এ বিষয়ে মিডিয়ার মাধ্যমে জানলাম বেশ কিছু বিষয়-আশয়। সার্বিক বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান উল্লেখ করে মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়া জন্য ইতোপূর্বে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে বলেছিলাম। কিন্তু উনার বদলি এবং নতুন নিয়মিত অফিসার না থাকার কারনে সার্বিক পরিদর্শন কার্যক্রম কিছুটা ব্যহত হচ্ছে। তারপরও উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিষয়টা কি হচ্ছে, তার বিস্তারিত খতিয়ে দেখার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেব। তিনি সরকারি বই জালিয়াতি করে নিয়ে থাকলে শিক্ষা অফিসার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন।’

জানতে চাইলে মো. আলতাফুর রহমান নাজমুল হাসান স্কুল সম্পর্কে কোন কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন। 

অন্য অভিযোগের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি সরকারি একটি সেচের জন্য আবেদন করেছিলাম। সেই সেচটা বন্ধ করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কাদির-বশর সিন্ডিকেট একাধিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছে। এরা বিএনডিসি সেচের শুরু থেকে জমির কাগজ, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাগজ, জমির আরএস প্রিন্ট পরচা, বিএডিসির প্রত্যয়নপত্র, উপজেলা সেচ কমিটির অনুমোদনপত্র, নলকূপ আবেদনপত্র প্রত্যেকটা জিনিস তারা এডিট করে জাল করছে লিয়াকতের মাধ্যমে। বিএনডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশীদ এসে তাদের প্রতিস্থাপিত করা বিষয়টাকে এপ্রুভাল করছেন। বিনিময়ে প্রতি বছর যে অনিয়মের টাকা আসে এই টাকার দুই অংশ পায় বিএডিসি, দুই অংশ পল্লী বিদ্যুৎ পায়। আমি এসবের প্রতিবাদ করায় তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়েছে। এ জন্য এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।’

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  শ্রীমঙ্গল   বিএনপি নেতা   আলতাফুর   মামলাবাজি   প্রতারণা   অভিযোগ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close