মুন্সীগঞ্জ পৌর শহরের একটি ফ্ল্যাটে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ৯ নারী ও এক খদ্দেরসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশের অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
আটককৃতরা হলেন বরিশালের মুলাদী থানার নাজিরপুর গ্রামের আল আমিনের স্ত্রী সিমা বেগম, মুন্সীগঞ্জের টংগিবাড়ী থানার সোনারং গ্রামের মৃত রমজান আলীর স্ত্রী শিউলি বেগম (৪৫), একই উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের তানজিল মিয়ার স্ত্রী আয়শা মনি (২১), মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ইসলামপুরের ভাড়াটিয়া হান্নান মিয়ার স্ত্রী আখি আক্তার (৩৮), নারায়ণগঞ্জের কাঠপট্রির ইমন বেপারীর স্ত্রী তানিয়া আক্তার (৩৫), সিরাজগঞ্জের শাহাজাতপুর থানার রুপপুর গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী কবিতা আক্তার (৩২), বরিশালের মুলাদী থানার নাজিরপুর গ্রামের মৃত আলী আকবরের স্ত্রী আখি বেগম (৩৫), লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার হাদিরগঞ্জ বাজার এলাকার কাঞ্চন মিয়ার স্ত্রী মোসা. শারমিন (৩৫), নারায়ণগঞ্জ রেল লাইন (ভাসমান) এলাকার মৃত রুবেল মিয়ার স্ত্রী মোসা. রত্না (২৪) ও মুন্সীগঞ্জ শহর লাগোয়া পঞ্চসার ইউনিয়নের নতুনগাঁও এলাকার বাসিন্দা হেলাল খান (৫৫)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এলাকাবাসীর দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে শহরের মোল্লা কুটির নামে জনৈক কাউসার হোসেন মোল্লার ৪তলা বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ৯ নারী ও এক খদ্দেরসহ ১০ জনকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুই মূলহোতা জানিয়েছেন, তারা বিভিন্ন এলাকায় ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে নিজেদেরসহ আরও নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসায় পরিচালনা করতেন।
মোবাইল ফোনের মাধ্যমে খদ্দের সংগ্রহ করা হতো বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া অনেক সময় খদ্দেরদের ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
বিদেশ ফেরত ব্যক্তিরাই তাদের বেশির ভাগ বিশেষ গ্রাহক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
কেকে/এমএ