মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
নিপীড়ন ও বঞ্চনার শিকার চা শ্রমিকরা
মো. এহসানুল হক , মৌলভীবাজার
প্রকাশ: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১:০৯ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

চা শ্রমিকরা এদেশের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী। চা শিল্পাঞ্চলের ১৬৭টি চা বাগান জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। বাংলাদেশে প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হচ্ছে। এর মূল শক্তি চা শ্রমিক ও কর্মচারীরা। তাদের শ্রমেই এ শিল্পের মালিকদের বড় বড় অট্টালিকা আর অভিজাত জৌলুস গড়ে উঠেছে। পরিত্যক্ত জমি নিজের শ্রম ও ঘাম দিয়ে আবাদ করে মূল্যবান চা উৎপাদন করে যাচ্ছেন চা শ্রমিকরা। তাদের চা পৃথিবীর ২৫টি দেশে রপ্তানি করা হয়। কিন্তু চা শ্রমিকরা সব নাগরিক সুবিধা ভোগের অধিকার সমভাবে প্রাপ্য হলেও তারা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার। এখনো জীবনমানে পিছিয়ে চা-শ্রমিকরা। 

২০২২ সালে আন্দোলনের পর সরকারের হস্তক্ষেপে শ্রমিকদের মজুরি মাত্র ৫৮ টাকা বেড়েছে। বাগানে স্থায়ী শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বেড়ে ১৭৮ টাকা করা হয়। এ টাকা দিয়ে কীভাবে সংসার চলে? বাংলাদেশের অন্যান্য আর্থিক খাতে মজুরি চা-শ্রমিকদের আর্থিক মজুরির অন্তত তিনগুণ। সরকার গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ড দেশের বিভিন্ন শিল্প খাতে কর্মরত শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণ করে থাকে। বর্তমানে দেশে ৩১টি শিল্প খাত এর মধ্যে সর্বনিম্ন মজুরি হলো চা শিল্পে। এ শিল্পে চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি মাত্র ১৭৮ টাকা। এতো অল্প মজুরিতে আর কোন শিল্পে কর্মরত নেই কোন শ্রমিক। 


বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ৫০ বছরের হলেও চা শ্রমিকদের শ্রমের ইতিহাস প্রায় ২০০ বছরের। প্রায় দুইশ বছর ধরে চা শ্রমিকদের ঘামে শ্রমে প্রতি বছর চা উৎপাদনরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও তাদের ছেড়ে যায়নি দরিদ্রতা। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাগানে যারা কাজ করে তাদের অধিকাংশই নারী শ্রমিক। কিন্তু তাদের নিজস্ব ভূমি থেকে শুরু করে জীবনযাত্রার কাক্সিক্ষত কোনো পরিবর্তন আজও হয়নি। স্বল্পমজুরি, ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবার অভাব, মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবার অপ্রতুলতা, শিক্ষার অভাব অপুষ্টি আর রোগের শিকার চা বাগানের নারী ও শিশুরা। কর্মক্ষেত্রে নারীদের বড় সমস্যা হলো নারীদের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে বিভিন্ন বাধার মুখে পড়তে হয়। একেকটি সেকশনে বৃষ্টির সময় ছাউনি থাকে না। ফলে বৃষ্টি গায়ে মেখেই কাজ করাতে গিয়ে ঠান্ডাজনিত নানা রোগে ভুগতে হয়।  

সম্প্রতি খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চা শিল্পাঞ্চলের অনেক বাগানে এখন কাজেরও সংকট। তাই বাধ্য হয়ে বাগানের গণ্ডির বাইরে এসে বিকল্প কর্ম বেছে নিয়েছেন অনেক চা শ্রমিক। 

দৈনিক খোলা কাগজের প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৮ নম্বর কালিঘাট ইউনিয়নের ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া চা বাগানের ৫১ বছর বয়সি নারী চা শ্রমিক সোনামনি কাহার বলেন, তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাত জন। বাগানে স্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ আছে মাত্র একজনের, মজুরি ১৭৮ টাকা। এ টাকা দিয়ে সংসার চলে না। তাই বাধ্য হয়ে বাগানের গণ্ডির বাইরে এসে হাতুড়ি দিয়ে ইট ভাঙার কাজ করছেন সোনামনি। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ১২ থেকে ২৫ টিন (ফুট) ইট ভাঙ্গতে পারেন তিনি। প্রতি টিন ইট ভেঙে পান ১৫ টাকা। এতে দৈনিক আয় হয় ২০০ টাকা থেকে ৩৭৫ টাকার মধ্যে। শুধু সোনামনি নন, বাগানে কাজ না থাকায় দেশের চা শিল্পাঞ্চলের অসংখ্য অস্থায়ী বা অনিবন্ধিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা জড়িয়ে পড়েছেন নানা পেশায়। কেউ মাটি কেটে, কেউ রাজমিস্ত্রির যোগালি বা সহকারী হিসেবে কাজ করে, কেউ রিকশা চালিয়ে পরিবারের দু’মুঠো অন্ন, সন্তানদের শিক্ষাসহ নানা খরচের জোগান দিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গলের ভুরভুরিয়া চা বাগানের লক্ষী চাষা বলেন, ‘আমার পরিবারে সদস্য হলো ছয় জন। বাগানে কাজ নেই। তাই ইট ভাঙ্গার কাজ করি। এছাড়া আর কোন উপায় নেই। প্রতিদিন আমি ইট ভাঙ্গার কাজ করে ১৮০-৩০ টাকা কামাই করি। এতে আমার পরিবার ভালো চলে। আমি কাজ না করলে না খেয়ে মরতে হতো।’ 

জাগছড়া চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক গনেশ মুড়া, খাইছড়া চা বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক পূজন ভুঁইয়া, রানা ভুঁইয়া, সাজু ভুঁইয়া, সুমন চাষা বলেন, ‘বাগানে যেটুকু কাজ আছে তার তুলনায় স্থায়ী ও অস্থায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি। তাই বাগানে কাজ পাওয়া যায় না। এছাড়া বাগানে অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করে যা মজুরি পাওয়া যায় তার থেকে বাইরে কাজের মজুরি অনেক অনেক বেশি। বর্তমানে আমরা হাইল হাওর এলাকায় বোরো ধান কাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছি। এ বছর হাওরে বোরো ধানের ফলন ভালো হওয়ায় তাদের ধান কাটার মজুরিও বেড়েছে। গত বছর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ধান কাটার পর দৈনিক মজুরি পেতাম দৈনিক ৬০০ টাকা করে। আর এ বছর মজুরি পাচ্ছি দৈনিক ৮০০ টাকা করে। সাথে দুপুরের খাবার। এতে আমাদের পরিবারের দুর্ভোগ অনেকটা কমেছে। বোরো ধান কাটা শেষ হওয়ার পর আমরা মাটি কাটা শ্রমিকের কাজ করব। সেখানেও মজুরি দৈনিক ৯০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা করে পাব।’

মৌলভীবাজার শহরে রিকশা চালান রাজনগর চা বাগানের শ্রমিক সন্তান দিলীপ তাঁতি। তিনি বলেন, ‘আমার মা বাগানের স্থায়ী শ্রমিক। বাবা এক সময় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত থাকলেও এখন অসুস্থতার জন্য কাজে যেতে পারেন না। আমি মাঝে-মধ্যে বাগানের অস্থায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করতাম। এখন বাগানে কাজ নেই। ফলে সংসার চালাতে আমি রিকশা চালিয়ে উপার্জন করে পরিবারকে সহায়তা করি। বাগানে কাজ থাকলে শহরে রিকশা চালাতাম না।’

মৌলভীবাজারের দেওরাছড়া চা বাগানের শ্রমিক ব্রিটিশ ঘাটুয়াল বলেন, ‘চা বাগানের অনেক শ্রমিক পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৭ থেকে ১০ জন পর্যন্ত আছে। তবে বাগানের কাজ পায় পরিবারের ১ জন সদস্য। তার বর্তমান মজুরি দৈনিক ১৭৮ টাকা। অধিকাংশ শ্রমিক পরিবারেই পরিবারের বাকি সদস্যরা ওই টাকার উপর নির্ভরশীল। এবারের পহেলা মে শ্রমিক দিবসে আমাদের মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মালিকপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার প্রেমনগর চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সুভাষ ভৌমিক বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে চা শ্রমিকদের কাঁচা ঘরবাড়ি কোম্পানি কর্তৃক মেরামত করে দেবার কথা। কিন্তু বর্তমান বর্ষা মৌসুমের শুরুতে ঘর মেরামত করে না দেয়ায় অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে আমরা এসব ঘরে বসবাস করছি। এছাড়া আরো নানাবিধ সমস্যায় রয়েছেন বর্তমানে প্রেমনগর চা বাগানসহ দেশের অন্যান্য চা বাগানের সাধারণ শ্রমিকরা। 

সিলেট চা জনগোষ্ঠী ছাত্র যুব কল্যাণ পরিষদের নেতা সুজিত বাড়াইক বলেন, ‘আমরা প্রতি বছর শ্রমিক দিবসে শ্রমিকদের অধিকারের কথা বলি। কিন্তু পরিস্থিতি যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই রয়ে গেছে। ২০২২ সালে আন্দোলনের পর সরকারের হস্তক্ষেপে শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে। যখন মজুরি বেড়েছে তখন বাজারে দ্রব্যমূল্য যা ছিল তা থেকে এখন অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা ছিল তা হয়নি। আশা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চা শ্রমিকদের বিষয়টি বিবেচনা করে আরো কিছুটা মজুরি বৃদ্ধি করে দেবেন। ভুরভুরিয়া চা বাগানের নারী চা শ্রমিক মনি মৃধা বলেন, ‘হামনে ১৭৮ টাকা দিয়ে চলে না। হামনে কে জিনিসপাতিকে বহুত দাম। হামনে এক বেলা খানিকে দুবেলা উপাস, পানি খা কে চলে। এভাবে হামকে চলে না।’

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলাই ভ্যালি কমিটির সভাপতি ধনা বাউরি বলেন, ‘আমাদের কষ্ট অনেক। বর্তমান বাজারে ১৭৮ টাকায় একটি শ্রমিক পরিবারের দৈনন্দিন খাদ্যের সংস্থান করা কঠিন। এদেশের নাগরিক হলেও আমাদের কোনো ভূমি নেই। কিছু সুযোগ-সুবিধা আমাদের পাবার কথা। কিন্তু এ বিষয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ এখনো উদাসীন। পহেলা মে শ্রমিক দিবসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি আপনি আমাদের বিষয়ে দয়া করে আরেকটু উদ্যোগ নিন। আমাদের মজুরি আরও বৃদ্ধি করলে আমরা দুবেলা দুমুঠো খেয়ে বাঁচতে পারব।’

বাংলাদেশ চা জনগোষ্ঠী আদিবাসী ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী পরিচালক চা শ্রমিক নেতা পরিমল সিং বাড়াইক বলেন, ‘আমাদের দেশের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর তুলনায় চা শ্রমিক জনগোষ্ঠী অনেক পিছিয়ে রয়েছে। চা শ্রমিকরা যুগের পর যুগ ধরে নিপীড়ন ও বঞ্চনার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করে আসছেন। দেশের মূল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে চা শ্রমিকদের যোজন যোজন ফারাক। চা বাগানের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ শ্রমিকরা দিন এনে দিন খান। দৈনিক মাত্র ১৭৮ টাকা মজুরিতে সংসার চলে না। প্রায় সব শ্রমিক পরিবারের সঞ্চয়ের খাতা শুন্য। প্রতিটি চা শ্রমিক পরিবারে চার থেকে আট জনের বসবাস। কোনো কোনো বাগানে একটি ঘরে গাদাগাদি করে বসবাস করছেন শ্রমিক পরিবারগুলো। প্রতিটি পরিবার থেকে একজন বা দুজন বাগানে কাজ পেলেও বাকিরা থেকে যান বেকার। এক বা দুজনের মজুরিতে সংসার চালানোও অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে শ্রমিক পরিবারের সন্তানরা বাইরে দিনমজুর হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।’

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, ‘১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি আমরা পৌনে দুশত বছর ধরে চা বাগানে আছি, কিন্তু আমাদের ভূমি নেই। একেবারে শতভাগ ভূমিহীন আমরা। আমরা যে ভূমিতে বসবাস করছি, আমাদের যে বসতভিটা আছে সেসব জমিগুলো আমাদের নিজ নিজ নামে করে দেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। আমরা এ দেশের সাধারণ জনগোষ্ঠীর তুলনায় অনেক পেছনে আছি। যদি ভূমির অধিকার পেয়ে যাই তাহলে হয়তো আমরা একদাপ এগিয়ে যাব। পাশাপাশি আমাদের অনেক দাবি আছে বাসস্থান, মজুরিসহ চাকরি ক্ষেত্রে আমাদের কোটা করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করছে, শিক্ষিত হচ্ছে। কিন্তু সাধারণ মেধাবীদের তুলনায় আমাদের সন্তানরা কিছুটা পিছিয়ে আছে। তাই চাকরি ক্ষেত্রে কম্পিটিশন করে আমরা পারবো না। তাই আমাদের কোটায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি। যেভাবে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি হচ্ছে তা নিয়ে ১৭৮ টাকা মজুরিতে চা শ্রমিকদের চলার পথ অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাম ভজন কৈরি বলেন, ‘চা বাগানের শ্রমিকদের কাজের জন্য বাগান ছেড়ে বাইরে যাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে বাগানের কাজ করে যে মজুরি পাওয়া যায় তা দিয়ে শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার পূরণ করা যাচ্ছে না। শ্রমিক পরিবারের সন্তান যারা শিক্ষিত হচ্ছে তাদের কর্মসংস্থান বাগানে হচ্ছে না। চা শিল্পাঞ্চলের দেড় শতাধিক বছর পেরিয়ে গেলেও শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নেই। প্রতিটি শ্রমিক পরিবারে ৪ থেকে ৮ জন সদস্য হলেও বাগানে কাজ পাচ্ছেন এক বা দুজন। তাদের মজুরি দিয়ে সংসার চালানো অত্যন্ত কঠিন। ফলে একান্ত বাধ্য হয়ে শ্রমিক সন্তানরা বাইরে দিন মজুরের কাজ করছেন।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  নিপীড়ন   বঞ্চনার শিকার   চা শ্রমিকরা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close