মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
পশুবাহী গাড়ি ঘিরে চাঁদাবাজি ঠেকানোই বড় চ্যালেঞ্জ
রোকন উদ্দিন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৯:১৬ এএম আপডেট: ০৫.০৫.২০২৬ ৯:৩১ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

আসন্ন ঈদ উল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক ও বিভিন্ন মোড়ে পশুবাহী গাড়ি ঘিরে চাঁদাবাজি ঠেকানো সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কুরবানির ঈদ এলেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছুটে চলে পশুবাহী ট্রাক। এসময় পথে পথে ট্রাকের গতিরোধ করে চলে চাঁদাবাজি। টাকা দিয়ে চলে ম্যানেজের চেষ্টা। চাঁদাবাজির ঘটনার শিকার হন পশুর বেপারিরা। বর্তমান সরকারের সময়ও কুরবানির পশুবাহী গাড়িতে চাঁদাবাজি ও ডাকাতির আশঙ্কা করছেন বেপারিরা। চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা এ বিষয়ে নানা অভিযোগও করেছেন।

তবে চাঁদাবাজি বন্ধ এবং সড়কে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে একগুচ্ছ নির্দেশনা ও পরিকল্পনা দিয়েছে বর্তমান সরকার।

গরু ব্যবসায়ী ও পরিবহন মালিকদের অভিযোগ, পশুবাহী ট্রাক নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ঢাকা পৌঁছাতে পথে পথে তাদের চাঁদা দিতে হয়। যারা চাঁদা নেন তারা সবাই বাইরের লোক। তবে এখানে রাজনৈতিক লোক বেশি। বিশেষ করে স্থানীয় পাতিনেদের উপদ্রব বেশি। তারা পথে পথে গাড়ি আটকে চাঁদা তুলে। এতে সড়কে প্রচণ্ড যানজটের সৃষ্টি হয়, জনসাধারণের ভোগান্তি বাড়ে।

এ ছাড়া ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে কয়েকটা গ্রুপ সক্রিয়। তারা জোর করে হাটে গরুর গাড়ি ঢুকাতে বাধ্য করে। কেউ গাড়ি ঢুকাতে না চাইলে তাদের মারধর করে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে তারা।

ট্রাক কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির এক নেতা জানিয়েছেন, দৌলতদিয়া ঘাটে চাঁদাবাজি হয়। বিষয়টি আগে এক সভায় উপস্থাপন করা হয়েছিল। বিগত সরকারের একজন উপদেষ্টা ও সচিব আশ্বাস দিয়েছিলেন যে, এ চাঁদাবাজি বন্ধ হবে, কিন্তু বন্ধ হয়নি। তবে আগের তুলনায় কিছুটা কমেছিল, কিন্তু চাঁদাবাজি হয়েছে।

ঢাকা থেকে নেত্রকোণাগামী একটি ট্রাকের চালক আ. হালিমের সঙ্গে কথা হয়। তিনি কুরবানির ঈদ এলেই পশুর পরিবহন করেন। মহাসড়কে চাঁদাবাজি বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘সড়কের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দিতে হয়। এতে অতিষ্ঠ আমরা।’ চাঁদার টাকা কে বা কারা পায়—এমন প্রশ্নে হালিম বলেন, ‘এ-তো বিশাল টাকা। টাকা প্রশাসন থেকে শুরু করে উচ্চ মহলের অনেকের কাছে যায়।’

রংপুর শহরে বসবাস করেন গরুর ব্যাপারী মো. আক্কাস আলী। তিনি প্রতি কুরবানির ঈদে ঢাকায় গরু সরবাহ করেন। গতকাল ঢাকায় কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘রংপুর থেকে ঢাকায় আসতে মডার্ন মোড়, কারুপণ্য মোড়, গোবিন্দগঞ্জ, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ হাটিকুমরুল, টাঙ্গাইল, বাইপাইলসহ ঢাকায় প্রবেশের বিভিন্ন জায়গায় এ চাঁদা নেওয়া হয়। যারা চাঁদা তোলে তারা সবাই বাইরের লোক। এখানে সব ধরনের লোকই আছে। অধিকাংশ গরুর গাড়ি মধ্যরাতে মেট্রোসিটির ওপর দিয়ে যায়। ফলে মেট্রো সিটিতে এ সমস্যাটা প্রকট। যারা বাধা সৃষ্টি করে তারা স্থানীয় ও হাটকেন্দ্রিক লোকজন। যা একটি ভয়াবহ সমস্যা।’

এদিকে কুরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ততই পশুর খামারিদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। কারণ মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডাকাত ও কিছু চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী। প্রায়ই বিভিন্ন যানবাহন আটকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যাত্রীদের সব লুট করছে তারা। কিছুদিন পরেই শুরু হবে পশুবাহী গাড়ির আনাগোনা। গ্রামাঞ্চল থেকে পশুভর্তি ট্রাক নিয়ে কারবারিরা ঢাকার বিভিন্ন হাটে আসবেন। পশুবাহী এসব গাড়ি নিয়ে আতঙ্ক রয়েছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। কারণ ডাকাতরা গরু ডাকাতি করে অন্য হাটে নিয়ে বিক্রি করার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া এই সময় খামারিরা পশু বিক্রির টাকাও বহন করবেন। জাল টাকার কারবারিরা কৌশলে গরুর হাটে জাল টাকা ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করতে পারে। অন্যদিকে অজ্ঞানপার্টি, মলমপার্টি, ছিনতাই চক্রের সদস্যরাও তৎপর থাকবে। সবমিলিয়ে কুরবানির ঈদের আগেই মহাসড়ক আতঙ্কের সড়কে পরিণত হয়েছে।

যদিও হাইওয়ে পুলিশ বলছে, আতঙ্ক-ভয় থাকবেই। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মহাসড়ক নিয়ে অতীতের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের মহাসড়কগুলোতে একের পর এক ঘটনা আলোচিত হয়েছে। নানা অপ্রীতিকর ঘটনায় যাত্রী, কারবারি, যানবাহনের চালক সবাই আতঙ্কিত। মহাসড়ককে নিরাপদ করার জন্য অতীতেও পুলিশ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। জনসচেতনতায় মাইকিং, পোস্টারিং, অত্যাধুনিক সিসি ক্যামেরা, নিরাপত্তা টহল বাড়িয়েও নিরাপদ করা যায়নি মহাসড়ক। মহাসড়কের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশের কাছে নেই পর্যাপ্ত জনবল। তাই তাদের সীমিত সংখ্যক জনবল ও ধার করে আনা জনবল দিয়ে জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বিতভাবে হাইওয়ে নিরাপদ করার কাজ চলছে। হাইওয়েকে নিরাপদ করার জন্য পুলিশ ছক তৈরি করলেও জনবলের অভাবে অনেক সময় বাস্তবায়ন করা যায় না।

এদিকে আসন্ন ঈদ উল আজহাকে কেন্দ্র করে মহাসড়ক ও বিভিন্ন মোড়ে পশুবাহী গাড়ি ঘিরে চাঁদাবাজির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কিছু পদক্ষেপ ও কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে। ২০২৬ সালের কুরবানির ঈদ সামনে রেখে সরকার গবাদিপশু ক্রয়-বিক্রয়, যাতায়াত এবং চামড়া ব্যবস্থাপনা নিয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দেশীয় খামারিদের সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে মূলত এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

পশুর হাট ও কুরবানি ব্যবস্থাপনা : সরকার দেশীয় খামারিদের উৎসাহিত করতে বিদেশ থেকে পশু আমদানির পরিকল্পনা না করে দেশীয় খামারিদের ওপর জোর দিচ্ছে; পশুর হাটে অতিরিক্ত মূল্য রোধ এবং ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে; কুরবানি শেষে দ্রুত বর্জ্য অপসারণের জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

যাতায়াত ও নিরাপত্তা : ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কগুলো যানজটমুক্ত রাখা এবং সড়ক, নৌ ও রেলপথে দুর্ঘটনা হ্রাসে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; রাস্তা ও হাটে চাঁদাবাজি এবং ছিনতাই রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; কুরবানির পশুর চামড়ার সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং করবে। চামড়া ছাড়ানো ও সংরক্ষণের বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজার মনিটরিং : মসলাসহ নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং বাজারে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা অস্থিরতা যেন তৈরি না হয়, সেজন্য ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে বিশেষ নজরদারি করতে বলা হয়েছে।

অনলাইন কেনাকাটায় সতর্কতা : অনলাইনে পশু কেনাকাটায় প্রতারণা রোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।

মহাসড়কের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা :

মহাসড়কের চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে সিসিটিভি স্থাপনসহ নানা উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন তিনি। গতকাল সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে গণমাধ্যমকে এ কথা জানান মন্ত্রী। সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, ‘সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে এর আগেও অনেকবার কথা বলেছি, আমি আবারও আপনাদের বলতে চাই, চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। চাঁদাবাজি একটি অপরাধ। যারা চাঁদাবাজি করছে, তাদের নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আইনের আওতায় আনা হবে।’ ঈদযাত্রা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ঈদে সড়কে চ্যালেঞ্জ বেশি। তবুও জনভোগান্তি কমাতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সড়ক-মহাসড়কে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।’

চাহিদার চেয়ে ২২ লাখ বেশি কুরবানির পশু :

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কুরবানিযোগ্য পশুর কোনো সংকট থাকবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। চাহিদার বিপরীতে এ বছর ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। মন্ত্রী জানান, চলতি বছর কোরবানির চাহিদা ধরা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪টি পশু। এর বিপরীতে কুরবানিযোগ্য গবাদিপশু রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি। সে হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকবে ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু ও মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল ও ভেড়া এবং পাঁচ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।

মন্ত্রী আরও জানান, সারা দেশে তিন হাজার ৬০০টির বেশি পশুর হাট বসবে। রাজধানী ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টি হাট নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব হাটে ২০টি ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করবে।

কুরবানির পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, হাট ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী সার্বক্ষণিক তৎপর থাকবে। প্রয়োজনে সাদা পোশাকে সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি জানান, দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সীমান্তবর্তী এলাকায় পশুর হাট না বসানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অতীতে এসব হাটের মাধ্যমে বিদেশি পশু প্রবেশ করায় দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এবারও অনলাইনে পশু বিক্রির সুযোগ রাখা হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো খাজনা বা হাসিল নেওয়া হবে না। পাশাপাশি কুরবানির চামড়া সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য পেশাদার ও অপেশাদার কসাইদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে চামড়া নষ্ট না হয়।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পশুবাহী   গাড়ি   চাঁদাবাজি   ঠেকানো   বড় চ্যালেঞ্জ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close