বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, লড়াইয়ে ৫ প্রার্থী      ● ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী      ● জাপানের সঙ্গে ৭টি চুক্তি ও সমঝোতা সই বাংলাদেশের      ● বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপান      ● ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২      ● হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু      ● ঢাকা-সৌদি রুটে ১৫৩ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজারের বেশি যাত্রী      
দেশজুড়ে
জনবল সংকটে সালথা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৭ জুন, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকটে রয়েছে। প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে উপজেলার কয়েকটি কেন্দ্রে সপ্তাহে মাত্র একদিন সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোথাও কোথাও আয়া ছাড়া অন্য কোনো কর্মী না থাকায় কেন্দ্রগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। মাত্র চারজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে ৯টি কেন্দ্র। ফলে পরিবার পরিকল্পনা, মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গট্টি, আটঘর, রামকান্তপুর, ভাওয়াল, মাঝারদিয়া, সোনাপুর, যদুনন্দী ও বল্লভদী ইউনিয়নে মোট ৯টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ের জনগণকে পরিবার পরিকল্পনা, গর্ভকালীন সেবা, প্রসব-পরবর্তী পরামর্শ এবং বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় সেবার মান ও পরিধি—দুটোই কমে গেছে।

আরও জানা যায়, পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকার সংখ্যা রয়েছে মাত্র চারজন। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার ও ফার্মাসিস্টের পদ শূন্য রয়েছে। নিরাপত্তা প্রহরীর সাতটি পদের বিপরীতে দায়িত্ব পালন করছেন মাত্র একজন। আয়ার দুটি পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।

রোববার (৭ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, জনবল সংকটের কারণে ইউনিয়নের পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে একজন পরিদর্শিকাকে একাধিক কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। এতে নিয়মিত সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

উপজেলার গট্টি ও ভাওয়াল, আটঘর ও রামকান্তপুর, সোনাপুর ও মাঝারদিয়া এবং বল্লভদী ও যদুনন্দী কেন্দ্র পরিদর্শিকাদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সব কেন্দ্রে নিয়মিত সেবা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।

সেবাগ্রহীতা রামকান্তপুরের আসমা বেগম বলেন, “ওষুধের জন্য আসি, কিন্তু বেশির ভাগ সময়ই ঘুরে যেতে হয়।”

খারদিয়া এলাকার জয়নাল মাতুব্বর বলেন, “ক্লিনিকটা প্রায় ভূতের ঘরের মতো। সপ্তাহে একদিন খোলে, তাও ওষুধ পাওয়া যায় না।”

সেবা নিতে আসা ৬০ বছর বয়সী ছবুরন বেগম বলেন, “হাসপাতাল কবে খোলে আর কবে বন্ধ থাকে বুঝি না বাবা। ওষুধ না পেলে আমরা কোথায় যাব? আমরা গরিব মানুষ।”

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “ওষুধপত্র ও কনট্রাসেপটিভ সামগ্রীর চাহিদা রয়েছে। জনবল সংকটও রয়েছে। শূন্য পদগুলোতে জনবল নিয়োগ প্রয়োজন। গত ডিসেম্বরের পর থেকে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ পাওয়া যায়নি।”

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  জনবল   সংকট   সালথা   কেন্দ্র  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close