টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুর থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু সেঁজুতির বাড়িতে গিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দিয়েছেন টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। এ সময় তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে মন্ত্রী সেঁজুতির বাড়িতে যান। সেখানে তিনি পরিবারের হাতে নগদ এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেন।
এ সময় তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ইনশাআল্লাহ সাত দিনের মধ্যে পাওয়া যাবে। প্রতিবেদনে যদি শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন বা হত্যার আলামত পাওয়া যায়, তাহলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। আমরা সখীপুরে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বদা সচেষ্ট।’
নিহত সেঁজুতি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার মাছ ব্যবসায়ী ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
গত শনিবার বিকেল থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান না মেলায় ওই রাতেই সখীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা। পরিবারের দাবি, রোববার রাতে একটি ফোনকলের মাধ্যমে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।
পরে সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে, সেঁজুতির পরিবার দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
কেকে/ এমএস