হিপ অ্যান্ড নি ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারীতে আর্থ্রোস্কোপি ও আর্থ্রোপ্লাস্টি বিষয়ে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুন) বিকালে জেলা শহরের বড়বাজারে রুটস হাসপাতালের সভাকক্ষে রুটস হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ও প্যাসিফিক ল্যাবজোনের যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
রংপুর মেডিকেল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহযোগী অধ্যাপক ও রুটস হাসপাতালের পরিচালক ডা. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রাজ্জাক।
সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক তথ্য উপস্থাপন করেন প্যাসিফিক ল্যাবজোনের অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি কনসালট্যান্ট ডা. সৈয়দ হাসান আলী। মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ আর্থ্রোস্কোপি অ্যান্ড আর্থ্রোপ্লাস্টি একাডেমির চেয়ারম্যান ডা. মো. হাসান মাসুদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (অর্থোপেডিক সার্জারি) ডা. গোলাম মোস্তফা শুভ্র এবং একই হাসপাতালের অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র কনসালট্যান্ট (নাক, কান ও গলা) ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
ডা. মো. হাসান মাসুদ বলেন, আর্থ্রোস্কোপি এমন একটি সার্জিক্যাল পদ্ধতি, যার মাধ্যমে জয়েন্ট—বিশেষ করে হাঁটুর ভেতরের অংশ পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা হয়। অন্যদিকে আর্থ্রোপ্লাস্টি হলো ক্ষতিগ্রস্ত জয়েন্ট প্রতিস্থাপন বা পুনর্গঠনের একটি অর্থোপেডিক সার্জারি।
প্যাসিফিক ল্যাবজোনের চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল হাই বলেন, চিকিৎসাসেবা শুধু একটি পেশা নয়; এটি মানুষের কষ্ট লাঘব, চলাচলের সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের একটি মহৎ অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যেই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ আর্থ্রোস্কোপি অ্যান্ড আর্থ্রোপ্লাস্টি একাডেমির চেয়ারম্যান ডা. মো. হাসান মাসুদ এখন থেকে নীলফামারীতেই নিয়মিত রোগী দেখবেন এবং চিকিৎসাসেবা প্রদান করবেন।
সেমিনারে চিকিৎসক, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
কেকে/ এমএস