যশোর জেলার কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের এক মেধাবী ছাত্রীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে সঠিক তদন্ত ও বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।
বুধবার (১ জুলাই) কিশোরী ফারিয়া ইয়াসমিন তিশা (১৬) আত্মহত্যা করেন। তিনি উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের বাগদহা গ্রামের ঠিকাদার মো. আলমগীর হোসেনের ছোট মেয়ে। সে বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, একই গ্রামের মো. আহাদ আলীর ছেলে অভিযুক্ত রাজিদুর রহমান নিশানের (২১) সাথে কিশোরীর দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক ছিল।
পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি কিশোরীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে পরবর্তী তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ব্ল্যাকমেইল করছিল। এ ব্ল্যাকমেইলের শিকার হয়েই কিশোরী আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে।
জানতে চাইলে কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘‘বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। রিপোর্ট পেতে আনুমানিক ৩০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।’’
তিনি আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক সময় অপতথ্য ছড়ানো হয়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন আসার আগেই কোনো ধরনের গুজবে কান না দেওয়ার জন্য আমরা সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।’
কেকে/এমএ