বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-০৩ (ব্লক অ-০৩) এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা, স্বেচ্ছাসেবক, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকারী দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মুসলিম উদ্দিন খোলা কাগজকে জানান, এখন পর্যন্ত ৭ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখোনো ২০ জনের অধিক শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. মোস্তাফা জানান, দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসায় ৩০ থেকে ৫০ জনের বেশি ছাত্রী কোরআন শিক্ষা নিচ্ছিল। আবার কয়েকটি সূত্রের দাবি, সেখানে ৮০ থেকে ১০০ জন শিশু উপস্থিত ছিল। তবে ঠিক কতজন ভেতরে ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাহাড়ধস শুরু হলে কয়েকজন ছাত্রী দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। তবে অধিকাংশই কাদা ও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১০ জনকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা হাত দিয়ে মাটি সরিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান জোরদার করেন। উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া এক রোহিঙ্গা নাগরিক আব্দুল্লাহ জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক শিক্ষার্থী আটকে থাকতে পারে।
এদিকে, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ক্যাম্প-৫-এর ইনচার্জ (সিআইসি) মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আরও ছয়জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও শিক্ষার্থী আটকে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’