৬ মিনিটের ঝড়ই শেষমেশ পার্থক্য গড়ে দিল। শুরুটা হয়েছিল কিলিয়ান এমবাপ্পেকে দিয়ে। শেষটা করলেন উসমান দেম্বেলে। সেই দুই গোলই ফ্রান্সের জয়ের জন্য যথেষ্ট হয়ে গেল। আগের দুই ফাইনালের পর এবারও প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে চলে গেল ফ্রান্স।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। এই অর্ধে সবচেয়ে বড় ঘটনা ছিল কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি মিস। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেওয়ার পরও বল আবার বসাতে বলা হয় তাকে। দীর্ঘ তিন মিনিট দশ সেকেন্ড অপেক্ষার পর নেওয়া তার শট সহজেই ঠেকিয়ে দেন মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনো।
তবে দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে ওঠে ফ্রান্স। ৬০ মিনিটে দুর্দান্ত এক কার্লিং শটে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে নিজেই। বক্সের বাঁ কোণ থেকে বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে ডান দিকের কোণে বল পাঠান তিনি। বুনো চেষ্টা করেও নাগাল পাননি।
এই গোলের পরপরই আসে দ্বিতীয় গোল। ৬৬ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে অনেকটা পথ একা এগিয়ে যান দেম্বেলে। শেষে বক্সের কাছ থেকে নিচু শটে গোল করেন তিনি। বুনো হাত ছোঁয়ালেও বল ঠেকাতে পারেননি।
এই দুই গোলের পরই মূলত ম্যাচের ফলাফল ঠিক হয়ে যায়। এরপর আর ম্যাচে ফেরার তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি মরক্কো। শেষ দিকে কিছু আক্রমণ করলেও তা কাজে আসেনি।
ম্যাচের শেষদিকে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন এমবাপ্পে। তবে তেমন গুরুতর সমস্যা মনে হয়নি, সতর্কতা হিসেবেই তাকে তুলে নেওয়া হয়।
এই জয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন অথবা বেলজিয়াম। আগামী মঙ্গলবার আর্লিংটনে হবে সেই ম্যাচ।
কেকে/এলএ