আর্সেনালের দুই সতীর্থ ডেকলান রাইস ও মার্টিন ওডেগার্ড মাঠে নামবেন দুই দেশের জার্সিতে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে। আজ শনিবার (১১ জুলাই) দিবাগত রাত তিনটায় সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ড ও নরওয়ের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বন্ধু থেকে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মুখোমুখি হবেন তারা।
আর্সেনালে গেল তিন মৌসুম ধরে একসঙ্গে খেলছেন ওডেগার্ড ও রাইস। ওডেগার্ড ২০২১ সালে ও রাইস ২০২৩ সালে এমিরেটস স্টেডিয়ামে যোগ দেন। ক্লাব ফুটবলে দারুণ বোঝাপড়া থাকলেও আজ জাতীয় দলের হয়ে তাদের লড়াই হবে ভিন্ন বাস্তবতায়।
তবে, বহুল প্রতীক্ষিত এই দ্বৈরথের আগে দুই দলই পড়েছে স্বাস্থ্যগত সমস্যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এয়ার কন্ডিশনিং) ও তীব্র গরমের কারণে সর্দি-কাশি ও ফ্লুজনিত ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ঘামভেজা দেহে নিয়ে বারবার গরম থেকে ঠান্ডা পরিবেশে যাওয়ায় খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে অসুস্থতা ছড়িয়েছে।
ইংল্যান্ড শিবিরে রাইস গত কয়েক দিন অনুশীলন করতে পারেননি। ইংল্যান্ড দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস একটি অস্বাভাবিক ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় টানা দুটি অনুশীলন সেশনে অনুপস্থিত ছিলেন। সংক্রমণ যাতে সতীর্থদের মধ্যে না ছড়ায়, সে কারণে তাকে দলের বাইরে আলাদা রাখা হয়েছে। ম্যাচে তার খেলা নির্ভর করবে শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর। তবে ম্যাচটির গুরুত্ব বিবেচনায় তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি রাইস হ্যামস্ট্রিং ও কোমরের নিচের অংশের সমস্যাতেও ভুগছেন।
অন্যদিকে নরওয়ের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। কোচ স্টলে সলবাক্কেন জানান, খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফসহ প্রায় ৫০ জন কাশি, জ্বর ও ক্লান্তির মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছেন। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন ও অতিরিক্ত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এ কারণে স্ট্রান্ড লারসেন ও পেডারসেনকে দলের বাইরে থাকতে হয়েছে।
তবে, নরওয়ের অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘বারবার গরম পরিবেশ থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে যাতায়াত করলে এমনটা হওয়া স্বাভাবিক। বিষয়টি খুব গুরুতর নয়। কয়েকজন কিছুটা অসুস্থ বোধ করছে, তবে বড় কোনো সমস্যা নেই। আশা করছি, ম্যাচের আগেই সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
সূত্র : এএস স্পোর্টস
কেকে/এমএ