রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬,
১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ২৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে পারে ৩০ জুলাই      আজ বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন      ফের আগ্রাসী বিএসএফ      খুনখারাবিতে ইমেজ সংকটে বিএনপি      তিন কর্মকর্তার সমন্বয়হীনতায় বনভূমি দখলের মহোৎসব      তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান      ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী      
খোলাকাগজ স্পেশাল
খুনখারাবিতে ইমেজ সংকটে বিএনপি
রবিউল ইসলাম
প্রকাশ: রোববার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:১২ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

চব্বিশের ৫ আগস্টপরবর্তী সময়ে বিএনপি ও তাদের সব সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক অন্তর্কোন্দল ব্যাপকভাবে বেড়েছে। গ্রুপিং, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, আধিপত্য বিস্তারসহ নানা স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে একের পর এক খুনোখুনি হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই দলের কেউ না কেউ হত্যার শিকার হচ্ছেন। অভ্যন্তরীণ এসব হত্যাকাণ্ডের বড় অংশই ঘটছে ভাড়াটে খুনি দিয়ে। আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকা সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর হওয়ায় হত্যাকাণ্ড বেড়েই চলেছে। গত ২১ মে থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত দুই মাসে দলটির অন্তত ১০ নেতা খুন হয়েছেন। কোথাও প্রকাশ্যে গুলি, কোথাও কুপিয়ে বা ছুরিকাঘাতে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। বেশির ভাগ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি, মাদক, জমি কিংবা স্থানীয় অর্থনৈতিক স্বার্থের দ্বন্দ্বের তথ্য পাওয়া গেছে। সবশেষ গত শুক্রবার দিবাগত রাতে রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদলকর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

এসব ঘটনায় মামলা হলেও কোনো কূলকিনারা হচ্ছে না। ভুক্তভোগী পরিবার বিচার আশায় দিন পার করছে। কিন্তু বিচার মিলছে না। তাদের অনেকের অভিযোগ, খুনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিংবা দলটির ছত্রছায়ায় রয়েছে। অনেক ঘটনায় তারা মামলাও করতে দিচ্ছে না। এসব ঘটনা বাড়তে থাকায় বিএনপি ইমেজ সংকটে পড়ছে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধীদের রুখতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কড়া বার্তা দিলেও মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে দলটি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ৫ আগস্টপরবর্তী সময় থেকেই বিএনপিতে অসৎপ্রবণ নেতাকর্মীর ভিড় বাড়ছে। অর্থ, তদবিরসহ নানাভাবে এসব লোক দলে ঢুকে পড়ছে। পরে তারাই আবার চাঁদাবাজি-দখলবাজিতে লিপ্ত হচ্ছে। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘাত-সহিংসতা ঘটেই চলছে। প্রশ্ন হলো বিএনপি কেন এসব কর্মকাণ্ড কেন শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না? উল্টো তারা সহিংসতার মাত্রা কমার দাবি করছে। কিন্তু বাস্তব দৃশ্য ভয়ংকর। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দলটির নানা পর্যায়ে সহিংসতা বাড়ছে।

তারা আরও বলেন, বিএনপিকে এখনই এসব ঘটনার রাশ টানতে হবে। প্রতিটি ঘটনার আইনতগত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে যেন বিচারের আশায় বছরের পর বছর পার করতে না হয়। না হলে তাদের সুনাম আরও ক্ষুণ্ন হবে। আবার সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। এসব ঘটনার কারণে নির্বাচনে বিএনপিকে মাশুল দিতে হবে।

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, চলতি বছরের এই কয় মাসেই সারা দেশে সাড়ে তিনশর বেশি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬০ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় তিন হাজার জন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ঘটনার বড় অংশের পেছনে রয়েছে অভ্যন্তরীণ বিরোধ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্ব।

কাফরুলে যুবদলকর্মীকে গুলি করে হত্যা :

রাজধানীর কাফরুল থানা এলাকায় যুবদলকর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার শ্যুটার মো. চঞ্চল মোল্যাকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানাধীন এলাকায় একই থানার বিএনপির সদস্যসচিব মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু ও ভিকটিম ইউসুফসহ অন্যান্য লোকজন নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিলেন। এ সময় আসামি চঞ্চল ও তার সহযোগী পলাতক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। গুলিটি ইউসুফের বুকের ডান পাশে লেগে পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করলে আসামিরা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকেন। এলোপাতাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার ও পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। উপস্থিত লোকজন গুলিবিদ্ধ ইউসুফ, নালাম সরদার ও মনিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে ইউসুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ সময় পালাতে গেলে কাফরুল থানাধীন একটি দোকানের সামনে আসামি চঞ্চল মোল্যাকে উপস্থিত লোকজন অস্ত্র-গুলিসহ আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

সালিশ বৈঠক থেকে হত্যাকাণ্ড :

রাজধানীর আদাবরের নবোদয় কাঁচাবাজারে ১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টার দিকে পূর্ববিরোধের জেরে একটি সালিশ বৈঠক বসে। ওই সালিশ চলাকালেই হামলার ঘটনা ঘটে। কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার বাদশা এবং থানা বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেনকে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আবুল বাসার বাদশা। গুরুতর আহত সাদ্দাম হোসেন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র বলছে, সালিশের ঘটনা সামনে থাকলেও এর পেছনে স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল।

মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর খুন : 

গত ১৫ জুলাই কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপি নেতা জাহিদুল আলম ওরফে জাহাঙ্গীরকে (৫২) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পেশাদার খুনি এবং হত্যাকাণ্ড ঘটাতে তিন দিন আগে ঢাকা থেকে মিঠামইনে গিয়েছিল।

রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে হত্যা : 

গত ১৩ জুন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার একটি বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) হত্যা করা হয়। তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিল্লাল হত্যা :

গত ৮ জুন রাতে রাজধানীর মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। রমনা থানার ওসি মুহাম্মদ রাহাৎ খান বলেন, এ ঘটনায় পাঁচ আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফুটপাতের চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

ডিশ-ইন্টারনেট ব্যবসা ও প্রভাব বিস্তারের দ্বন্দ্ব :

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় গত ১২ জুন গুলিবিদ্ধ হন ‘কাইল্যা পলাশ’ নামে এক ব্যক্তি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ জুন তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়ে তিনি এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। পরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ডিশ ও ইন্টারনেট ব্যবসা এবং চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এর জেরেই প্রতিপক্ষের গুলিতে তিনি আহত হন এবং পরে মারা যান।

আলোচিত দুই হত্যা :

চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি রাজধানীর তেজগাঁও থানার তেজতুরী বাজার এলাকায় মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তদন্তসংশ্লিষ্টদের মতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর পল্লবীতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মোসাব্বির হত্যার মতো গোলাম কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডও ব্যাপক আলোচিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে কোনো দল ক্ষমতায় এলে পদ-পদবি, প্রভাব, অর্থনৈতিক সুবিধা এবং অপরাধ অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে দলের ভেতরে ও বাইরে সংঘাত তৈরি হয়। রাষ্ট্র কোনো একক দলের সম্পত্তি নয়। রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক স্বার্থ এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যারা হামলা, হত্যা বা সন্ত্রাসে জড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে সাংগঠনিক ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

দলীয় শৃঙ্খলার দুর্বলতাই বড় কারণ :

বেসরকারি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কুদরাত-ই-খুদা বলেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের নানা ঘটনা দৃশ্যমান হয়েছে। এর নেপথ্যে রয়েছে চাঁদাবাজি, এলাকা নিয়ন্ত্রণ, দলীয় অবস্থান শক্ত করতে প্রভাব খাটানো এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের দ্বন্দ্ব। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে হত্যার মতো ভয়ংকর অপরাধেও জড়িয়ে পড়ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নিয়মনীতি ও শৃঙ্খলা কার্যকর থাকলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

তার মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহিষ্ণুতার ঘাটতি রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর এমন কোনো কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যা সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

বিচ্ছিন্ন ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না :

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, বিএনপি একটি বড় দল। স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ইস্যুতে নেতাকর্মীরা দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়তে পারেন। দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর প্রকাশ পেলেও এগুলো দলীয় সিদ্ধান্ত বা নীতির কারণে ঘটছে না। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল বলেন, এসব খুন বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব বা চাঁদাবাজির কারণে হয়েছে কিনা, তা বলতে পারব না। তবে বিএনপি যেহেতু একটি বড় দল, তাই ক্ষমতাসীন হওয়ার পর অনেকেই অনেক সুবিধা নিতে তৎপর থাকতে পারে। এ কারণে অনেক সময় এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে কারও বিষয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। দলীয় হাইকমান্ড বিষয়টি নিয়ে জিরো টলারেন্সে আছে। আশা করি দল সঠিক সময়েই সঠিক পদক্ষেপ নেবে।

পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক বিরোধসহ নানা কারণে কিছু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। টার্গেট কিলিং আগে থেকে বোঝা কঠিন। তবে সরকারের কঠোর নির্দেশনায় পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার এন এম নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আমরা আমাদের জায়গায় কাজ করে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল হতে হবে। দলে শৃঙ্খলার অভাব থাকলে তা পূরণ করতে হবে। তাহলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড কমতে পারে।

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:   ইমেজ সংকট   বিএনপি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close