বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬,
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সুনির্দিষ্ট মামলা না থাকলে গ্রেপ্তার নয়, হাইকোর্টের এমন আদেশ স্থগিত      মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী      নিরাপদ খাদ্য কার হাতে      ইয়াবার ভয়াবহ থাবায় বাংলাদেশের তরুণরা      আজ সারাদেশে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ      জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩      হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় সারজিস-পাটওয়ারী গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
ভুয়া এআই বিশেষজ্ঞ: বর্তমান সময়ে আমাদের জন্য কেন ঝুঁকিপূর্ণ?
প্রফেসর ড. শাহ জে মিয়া
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০১ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

লেখার শুরুতেই আমি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ, “ভুয়া” নিয়ে আলোচনা করতে চাই। ভুয়া (বা ভুয়ো) একটি নেতিবাচক বিশেষণ পদ। যেকোনো বাক্য তৈরিতে এই নেতিবাচক বিশেষণটি ব্যবহৃত হলে এর অর্থ হলো মিথ্যা, জাল, কৃত্রিম, ভিত্তিহীন বক্তব্য বা উপস্থাপনা, যার কোনো প্রকৃত ভিত্তি নেই বা যা আসল কোনো কিছু বোঝায় না। সহজ কথায়, ভুয়া শব্দটি আমাদের সামনে সেই চিত্র ফুটিয়ে তোলে, যা প্রতারণা করার জন্য তৈরি, ব্যক্তিগত পরিসরে থাকা বাস্তবতা বা অসঙ্গতিপূর্ণভাবে প্রচার করা হয় এবং যার কোনো বাস্তব সত্যতা নেই। এর বিভিন্ন বহুমাত্রিক অর্থ রয়েছে এবং অনেকের কাছে এই শব্দটির অনেক ধরনের বাস্তব উদাহরণও রয়েছে। কিন্তু আমার এই লেখায় আমি ভুয়া শব্দটিকে অবৈধ, অযৌক্তিক, অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্যকে বোঝাতে ব্যবহার করব।

সহজ কথায়, আমি ভুয়া শব্দটি শুধু সেই সব বক্তব্য বা সেই ব্যক্তিদের জন্যই ব্যবহার করব, যারা আমাদের সামনে যা উপস্থাপন করছেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ এবং তার সত্যতা বা বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়। আমি তাদেরকে নিয়েই কথা বলব, যারা আমাদের সামনে তাদের বক্তব্যকে সত্য বলে উপস্থাপন করতে চান বা করছেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেগুলো সত্য নয়, অথবা কিছু কিছু ক্ষেত্রে আংশিক সত্য।

এখন আমরা আসি, অবৈধ, অযৌক্তিক, অসঙ্গতিপূর্ণ বক্তব্য বলতে আমরা কী বোঝাতে চাইছি? আমরা দেখছি, এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই জগতে এই মুহূর্তে অনেকে দাবি করছেন যে, তারা এআই সম্পর্কে অনেক কিছু বোঝেন, অনেক কিছু জানেন। অনেকেই নিজেদেরকে এআই বিশেষজ্ঞ হিসেবে সমাজের সামনে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছেন, এমনকি দাবিও করছেন। আমি মনে করি, এ ধরনের ভুয়া এআই বিশেষজ্ঞদের মূলত তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা সম্ভব।

প্রথম শ্রেণিতে রয়েছেন সেই সব ব্যক্তিরা, যারা জানেন কীভাবে ChatGPT, Gemini বা Claude-এর মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলনির্ভর সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করতে হয়। একটু ঘাঁটাঘাঁটি করলে দেখা যাবে, তারা তিন মাসের, তিন দিনের বা দশ ঘণ্টার একটি বা একাধিক অনলাইন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন অথবা এগুলো কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, সে সম্পর্কে কিছু ভিডিও দেখেছেন কিংবা ব্লগ থেকে পড়াশোনা করেছেন। এমনও হতে পারে, তারা হয়তো তাদের বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করেছেন। এর সঙ্গে তাদের হয়তো একটি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ব্যাচেলর বা মাস্টার্স ডিগ্রিও থাকতে পারে। পাশাপাশি তারা সমাজের সমস্যার জায়গাটাকে কিছু মাত্রায় বুঝতে পারেন। যেহেতু তারা সমাজের সমস্যার ক্ষেত্রগুলোকে কিছু মাত্রায় বুঝতে পারেন, তাই তারা কিছু মাত্রায় ব্যবসায়িক সমস্যাগুলোও হয়তো বুঝতে সক্ষম। সেই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্যই তারা সীমিত অথবা স্বাভাবিক মাত্রায় এআই ব্যবহার করছেন এবং নিজেদেরকে এআই বিশেষজ্ঞ হিসেবে দাবি করছেন। এখন সরকারের উচিত হবে কি এই এআই বিশেষজ্ঞদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে নতুন দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা তৈরি করা বা শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করা?

দ্বিতীয় শ্রেণিতে রয়েছেন সেই সব ব্যক্তিবর্গ, যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড বা পেশা থেকে এসেছেন অথবা রয়েছেন। যেহেতু তারা পরিণামবাদী (Deterministic) ইঞ্জিনিয়ারিং পরিবেশে বেশ কিছুদিন কাজ করেছেন এবং বর্তমানে তাদের কাজে এআই ব্যবহার করছেন, এর সঙ্গে তারা জানেন কীভাবে এআইকে অনেক পরিমাণ ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ (Train) দিতে হয়। যার কারণে তারা হয়তো মনে করছেন, যেহেতু তারা এআই ব্যবহার করছেন, তার মানে তারা এআই সম্পর্কে অগাধ জ্ঞান ধারণ করেন এবং তারা এআই বোঝেন। যেহেতু তারা এআই অ্যালগরিদমগুলোকে প্রশিক্ষণ দিতে পারেন, তাই তারা এটাও জানেন যে, এআই ভুল উত্তরও প্রদান করতে পারে। কিন্তু প্রথম যে শ্রেণির কথা বললাম, তারা কিন্তু জানেনই না যে এআই কীভাবে ভুল উত্তর দিতে পারে। তারা বরং বিশ্বাসই করে থাকেন যে, এআই আমাদের যে উত্তর দিচ্ছে, তার সবকিছুই সঠিক। দ্বিতীয় শ্রেণির ব্যক্তিদেরও আমি কেন ভুয়ার শ্রেণিবিভাগে ফেলছি, তার কারণটা আপনাদের জানানো জরুরি। কারণ এ বিষয়ে তাদের প্রতিটি ধারণা অনেক অগভীর, অনেকটা সাগরের পানির উপরিভাগের মতো। তাই তাদের ধারণাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হতে বাধ্য। এই শ্রেণির ব্যাপ্তি ব্যক্তিগত সচেতনতা বা ধারণা বাড়াতে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

এরপর আসছে তৃতীয় শ্রেণির ব্যক্তিরা, যারা এআই আসলে কীভাবে কাজ করে, এটা বোঝার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা আসলে সঠিকভাবে জানেন না, কীভাবে এআই কাজ করে বা কাজ করার ধরনকে ক্রমাগত পরিবর্তন করে থাকে। এআইয়ের কাজের ধরনের ক্রমাগত পরিবর্তনকে একটি সাম্প্রতিক উদাহরণ দিয়ে আমি এই বিষয়টি উপস্থাপন করছি।

সম্প্রতি একটি অপ্রকাশিত OpenAI গবেষণা প্রোটোটাইপ এআই এজেন্ট একটি সাইবারসিকিউরিটি বেঞ্চমার্ক পরীক্ষা চলাকালীন তার কড়া নিরাপত্তার স্যান্ডবক্স পরিবেশ থেকে পালিয়ে যায়। এখানে ছোট্ট করে স্যান্ডবক্স কী, বলে রাখা উচিত। স্যান্ডবক্স হলো এমন একটি সফটওয়্যার পরিবেশ, যেখানে নতুন কোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম, যার নিরাপত্তা সম্পর্কে আমরা নিশ্চিত নই, বা এমন কোনো সফটওয়্যার, যার মধ্যে আমরা ধারণা করে থাকি যে ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার থাকতে পারে, তাকে পরীক্ষা করা হয়, যেন সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামটি আমাদের কম্পিউটার বা সিস্টেমের কোনো ক্ষতি করতে না পারে।

যাহোক, অপ্রকাশিত OpenAI গবেষণা প্রোটোটাইপ এজেন্টটি এই নিরাপত্তা পরিবেশকে ভেদ করে উন্মুক্ত ইন্টারনেটে প্রবেশ করে এবং একটি হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টের আইডি-পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে Hugging Face নামের একটি এআই প্ল্যাটফর্মের একজন গ্রাহকের অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকদিন ধরে একটি নিরাপত্তা লঙ্ঘনজনিত কার্যক্রম চালায়। এই ঘটনাটি স্বায়ত্তশাসিত ‘এজেন্টিক’ সিস্টেমের প্রস্তুতি এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয়। কেননা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এমন সিস্টেম বাস্তব জগতে ধারাবাহিকভাবে জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট (যেকোনো নতুন সফটওয়্যার প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সেই ত্রুটিকে কাজে লাগিয়ে সফটওয়্যার ও তার ব্যবহারকারীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেওয়া) ঘটাতে সক্ষম।

যাহোক, এখন ফেরা যাক আমাদের তৃতীয় শ্রেণির ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের আলোচনায়। যদিও তারা এআই সম্পর্কে অনেক কিছু হয়তো জানেন, যেমন কীভাবে এআই দিয়ে ডেটা অ্যানালাইসিস বা ভিজ্যুয়ালাইজেশন (ডেটা উপস্থাপনের একটি রূপ) করা যায়, কিন্তু তারা উপরে উল্লেখিত OpenAI-এর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই অপ্রত্যাশিত ঘটনার মতো বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তা করার ক্ষমতা রাখেন না। অতএব, আমার মতে, তারাও এক ধরনের ভুয়া এআই বিশেষজ্ঞের শ্রেণির মধ্যেই পড়ে যান, যারা কোনো ধারাবাহিক শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এআই বিষয়ে প্রশিক্ষিত হননি, অথবা সেই সুযোগ পাননি। তারা হয়তো তাদের অন্যান্য ব্যবসায়িক ধারণা বা অভিজ্ঞতা থেকে বারবার বলার চেষ্টা করছেন যে, তারা এআইয়ের প্রাসঙ্গিকতা, প্রযোজ্যতা এবং প্রয়োগ সম্পর্কে ভালো জানেন।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, তারা কি দীর্ঘমেয়াদি এআই নীতিমালা নিয়ে কিছু নতুনত্ব আনতে পারেন? যদি পারেনও, তার যথাযথ মূল্যায়ন এবং আমাদের সমাজের বাস্তবতার নিরিখে তার ফলাফল আছে কি? তারা বলতে পারেন যে, এআইকে পরিবহন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে, এটি জলবায়ু পরিবর্তন রোধে প্রয়োগ করা যাবে। এছাড়াও এটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে সরকারের অনেক উপকার করা যাবে বা দেশের ব্যবসায়ীদের উপকার করা যাবে, যাতে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। কিন্তু একজন প্রকৃত বিশেষজ্ঞ কোনো একটি প্রযুক্তির শুধু প্রয়োগ সম্পর্কেই ধারণা রাখেন না; বরং প্রযুক্তিটির ভালো-মন্দ, ভূত-ভবিষ্যৎ, প্রয়োগের সম্ভাবনা, সঠিক সময়োপযোগী ক্ষেত্র, অপ্রয়োগের সঠিক কারণ—সবকিছু সম্পর্কেই গভীর ধারণা রাখেন।

বর্তমান যুগে এআই প্রযুক্তি সম্পর্কে স্বল্প জ্ঞান অর্জন করেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রয়োগে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং সমাজে নিজেদেরকে এআই বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দেওয়া জাতি, সমাজ এবং সর্বোপরি দেশের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর। এ সকল ব্যক্তিবর্গ কি যথাযথ এআই জ্ঞান, পেশাদারিত্ব, সততা ও রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে বিবেচনায় এনে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবেন? সচেতন নাগরিক হিসেবে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ জ্ঞানী মানুষ থেকে দূরে থাকা এবং তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য খুঁজে বের করা আমাদের জন্য একমাত্র নিরাপদ পদক্ষেপ।

বাস্তবে আমরা দেখছি যে, তথ্যপ্রযুক্তির যুগকে প্রায়শই ‘ডিজিটাল যুগ’ নামে অভিহিত করা হয় এবং এ যুগে স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে এআইয়ের বিপুল ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর কারণ, বর্তমানে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বিভাগে বিপুল পরিমাণ সঠিক ডেটা বা উপাত্ত আদান-প্রদান হয়ে থাকে, যা এআই মডেলিং তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এটি চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত স্বাস্থ্যসেবা পেশাজীবীদের জন্য এআই জ্ঞানের একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। এই উদাহরণ থেকে আমি বলতে চাই যে, এআই বিশেষজ্ঞদের এই ধরনের বহুমাত্রিক ডেটা ব্যবহার করে সঠিক উপাত্তসম্বলিত নিরাপদ, উপযুক্ত, কম্পিউটিং-বিজ্ঞানসম্মত এআই প্রযুক্তি এবং সিস্টেম তৈরির ক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি অন্যদের শেখানোর জন্য এর সঠিক উপস্থাপন, ভবিষ্যতমুখী প্রয়োগের নীতিমালা এবং পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদ ধারণা থাকা যুগের বাস্তবতায় অত্যাবশ্যক।

এই লেখার মাধ্যমে আমি আমাদের সমাজের শিক্ষিত এবং দায়িত্বশীল মানুষদের সামনে এআই বিষয়ে শিক্ষার ব্যাপারে একটি সচেতনতার বার্তা হিসেবে প্রচার করতে চাই। সেই সঙ্গে সকল উৎসকে (অনলাইন এবং অফলাইন) বৈধ স্বীকৃত উৎস হিসেবে বিবেচনা না করে, সঠিক বিচার প্রয়োগের মাধ্যমে এগুলো যাচাই-বাছাই করে গ্রহণ করার অনুরোধ করছি। ভবিষ্যতে আরও এ ধরনের লেখা নিয়ে সবার সামনে আসার প্রত্যাশা নিয়ে শেষ করছি।

লেখক: প্রফেসর অব বিজনেস অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড এআই
নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি, নিউ সাউথ ওয়েলস, অস্ট্রেলিয়া
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের বহিঃবিশ্বে শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী পেশাজীবী এক্সপার্টিজ গ্রুপের সদস্য।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  এআই   ঝুঁকিপূর্ণ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close