‘বই কিনুন, বই পড়ুন, আলোকিত হন, প্রিয়জনকে বই উপহার দিন’— এই বার্তা নিয়ে মাগুরার মহম্মদপুরে শুরু হয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা।
শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টায় মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন চত্বরে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বই কিনে কেউ কখনো দেউলিয়া হয় না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে পাঠ্যবই বা মূল বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। শর্টকাট উপায়ে পরীক্ষায় পাস করাই যেন অনেকের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আলোকিত মানুষ হতে হলে পাঠ অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তির এ যুগে তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এ ভ্রাম্যমাণ বইমেলা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন— উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মতিউর রহমান, মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মইমূর আলী মৃধা, কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. এমএম রইছ উদ্দিন, আমিনুর রহমান কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক মো. ওসমান আলী এবং সাপ্তাহিক মহম্মদপুর বার্তার সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ মিল্টন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তী।
আয়োজকরা জানান, বইমেলা ৮-১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব প্রকাশনাসহ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজারের বেশি বই প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে। প্রদর্শনীতে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ইতিহাস, ধর্ম, সায়েন্স ফিকশন ও শিশুতোষসহ হরেক রকমের বই স্থান পেয়েছে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এই মেলার আয়োজন করেছে।
কেকে/এআই