শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: অনুমোদনহীন ডাবল ডেকার স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর      ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৯৬      জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী      হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ৯৪৩      অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পুরস্কার ঘোষণা      নেপালের বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৩      বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সৃষ্টি, তিন নম্বর সতর্ক সংকেত      
দেশজুড়ে
সখীপুরে টিনের ঘর ভাঙল বন বিভাগ, মালিকানা নিয়ে বিরোধ
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫১ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় স্থানীয় কয়েকজনের নির্মাণ করা প্রায় ৬০ হাত দীর্ঘ একটি টিনের ঘর ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ। জমিটির মালিকানা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগের মধ্যে পাল্টাপাল্টি দাবি রয়েছে।


রোববার (৯ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হলুদিয়া চালা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।


স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, যে জমিতে ঘরটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটি ১৯৬২ সালের রেকর্ড অব রাইটস (আরওআর) রেকর্ডভুক্ত। পরে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে তারা ওই জমির মালিকানা পেয়েছেন।


তবে বন বিভাগের দাবি, উপজেলার বগা মৌজার সিএস খতিয়ানের ৪৫ নম্বর দাগের ওই জমি সংরক্ষিত বনভূমির অন্তর্ভুক্ত।


স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সখীপুর-বহেড়াতৈল সড়কের হলুদিয়া চালা বাজারের ওই জমিতে আগে দুটি পুরোনো দোকানঘর ছিল। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা শাহনাজ বেগম চায়ের দোকান চালাতেন। দোকানঘর দুটি নড়বড়ে হয়ে পড়ায় সম্প্রতি পুরোনো ঘর ভেঙে জমির মালিক দাবিদারেরা সেখানে নতুন করে টিনের ঘর নির্মাণ করেন। পরে রোববার সকালে বন বিভাগ সেটি সংরক্ষিত বনভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছে দাবি করে অভিযান চালিয়ে ঘরটি ভেঙে দেয়।


জমির একাংশের মালিক দাবিদার আব্দুল আজিজ বলেন, “১৯৬২ সালের আরওআর রেকর্ডভুক্ত জমিটুকু আমরা ছয়জন মিলে কিনেছি। জমির মূল মালিকের নামে রেজিস্ট্রি দলিল রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে ওই জমিতে ঘর নির্মাণের সময়ও বন বিভাগ কোনো বাধা দেয়নি। কিন্তু রোববার সকালে তারা কাউকে কিছু না জানিয়েই ঘরটি ভেঙে দিয়েছে। এতে ঘরের চা দোকানি শাহনাজ বেগমসহ আমরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।”


চা দোকানি শাহনাজ বেগম বলেন, “ওই জায়গায় আমার পুরোনো চায়ের দোকান ছিল। দোকানের ঘরটি নষ্ট হয়ে বৃষ্টির পানি পড়ত। তাই ঘরটি মেরামত করেছিলাম। চার সন্তান নিয়ে এই চায়ের দোকান করেই আমার সংসার চলে। আমার বাচ্চারা এখন কী খাবে? আমি এখন কী করব?”


তবে বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী বলেন, “ওই জমি স্পষ্টতই সংরক্ষিত বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এটি উপজেলার বগা মৌজার সিএস দাগ নম্বর ৪৫’-এর জমি। স্থানীয় কয়েকজন বন বিভাগকে না জানিয়ে রাতের আঁধারে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছিল। খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেবের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আমরা ওই ঘর উচ্ছেদ করেছি।”


এদিকে, সখীপুরের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ জমির মালিকানা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ১৯৮২ সালের আটিয়া বন অধ্যাদেশকে কেন্দ্র করে এসব জমি নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবির কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনাও রয়েছে।


কেকে/সাশ



আরও সংবাদ   বিষয়:  সখীপুর   বন বিভাগ   মালিকানা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close